সকালে খালাম্মা গাড়ি নিয়ে যাচ্ছেন অফিসে নিজে ড্রাইভ করে ।গাড়িতে বসে হঠাৎ করে সেইযে ১৫ বসর আগে খালুজানের পাশে উনি বসে থাকতেন আর খালুজান তখন ড্রাইভ করতেন সে কথা মনে
পড়ে গেলো ।
কত স্মৃতি জরীয়ে আছে খালুজানের সাথে এ গাড়িতে একে একে সব মনে করতে থাকেন ।
মনে করতে করতে স্মৃতির বেদনায় এক সময় চোখের পানি আর ধরে
রাখতে পারলেন না খালাম্মা । চোখের নোনা পানি প্রমান করে দিচ্ছে খালুজানের আর কলেজে পড়ুয়া মেয়ে শান্তনাকে নিয়ে কত গভীর ভাবে ভাবেন খালাম্মা ।
এক জন মানুষের মুখে গত কাল শুনেছি মেয়েটি আজ কাল নাকি
কলেজের কোন এক ছেলের একটি প্রেম সম্পর্ক গড়ে তুলেছে ।
একা মানুষ কত দিকে সামলাবো ।
কয়েক দিন ধরে অফিস স্টাফেরা নতুন ইসু তুলেছে সামনে ঈদ তাদের এক মাসের বেতন অগ্রিম সাথে আবার বেতনের ডাবল
ঈদ বোনাস দিতে হবে ।
এমনেই বিজনেস তেমন একটা ভালো যাচ্ছে না গত কয়েক মাসে বেশ ক্ষতি হয়েগেছে তাই চিন্তে করছি আর ক্ষতিপূরন সম্ভব না অফিস বন্ধ করে দেবো কিন্তু এত গুলো অফিসের পুরান স্টার্ফ তারা কোথায় গীয়ে দাড়াবে । তাদের কথা আমি একা শুধু ভাবলে হবে না তাদের উচিত কিছুতা আমার কথা ভাবা ।
এ কথা ও কথা ভাবতে ভাবতে গাড়ি অফিসের সামনে পারকিং করলেন । দাড়োয়ান সামনে এসে সালাম দিয়ে বল্লেন ম্যাডাম আজ
মনে হচ্ছে অফিসের সকল স্টাফ এক জোট বেধেছে তাদের দাবী না
মানলে তারা নাকি অফিস বন্ধ করে দিবে ।
ভালো হয়েছে চাচামিয়া আজ আমি আসার পথে তাদের নিয়ে অনেক ভাবনায় ছিলাম আজ যখন তারা আমার এই দূর সময়ে পাশে থেকে সরে পড়তে চায় তাহোলে তাদের আমি আর বাধা দেবো না ।
আপনি আর মেনেজার সাহেব আগামি কাল থেকে আমার বাড়ি থাকবেন । মেনেজার সাহেবকে ডাকদিন এবং সকলের পাওনা দেনা দিয়ে দিতে বলুন আমি বাসায় চলে যাচ্ছি ।
খালাম্মা বাসায় এসে মেয়েকে ফোন দিচ্ছেন দেখেন ফোন সুইচ বন্ধ
ভাবতেছেন কখন মেয়ের ফোন সুইচ বন্ধ কেন আগে কখন এরকম
বন্ধ করে নায় । তাহলে কি শান্তনা কোন বিপদে না কি ভাবছি আমাদের এ পৃথিবীতে কোন শত্রু নাই যে আমাদের বিপদে ফেলবে।
খালাম্মার নানা ধরনের চিন্তা ভাবনায় দিন পেড়িয়ে রাত পাড়হতে চলছে তখন রাত ১২ টা বাজে তখন খালাম্মার ফোনটি বেজে উঠলো ।
খালাম্মা ফোন হাতে নিয়ে দেখেন শান্তনার ফোন মনে হলো খালাম্মার জীবনতা ফিরে পেলেন।
ফোন রিসিভ হ্যালো শান্তনা মা তোর ফোন বন্ধ কেন সারাদিন আর তুই কোথায় । মা তুমি অস্থির হবে না আমি ভালো আছি তু্মি রাগ করোনা ।
মা আমি ইয়ে করেছি মানে আম তাম করে তার পরে বল্লেন আমি বিয়ে করেছি আর এ কথা শুনে খালাম্মার মাথায় যেন আসমান ভেঙে পড়লো ।
কি আর করার এই পৃথিবীতে ঐ একমাত্র মেয়ে ছাড়া আর কেও নেই । তাই খালাম্মা নিজেকে অনেক নিরব রেখে মেয়েকে জিজ্ঞাসা
করলেন তোমরা এখন কোথায় শান্তনা ।
মায়ের কথার জবাবে মেয়ে বল্ল মা আমরা এখন আমাদের বাড়ির দরজায় দাড়ানো আছি ।
খালাম্মা গেলেন দরজায় মেয়ে আর মেয়ের জামায় দরজায় দাড়ানো
তিনি মেয়েকে ও মেয়ের জামায়কে বুকে তুলে নিয়ে আর্শিবাদ করলেন ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



