somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মাদ্রাসার মোল্লা হুজুর থেকে আপনার সন্তানকে নিরাপদ রাখুন

২৭ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:০৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

গতকাল রাতে একটা বাচ্চার পা**র ছবি দেখেছিলাম ফেইসবুকে, অনেকেই শেয়ার করেছেন। পা কেটে হাসপাতালে আসার পর ডাক্তার সাপোজিটরি দিতে গিয়ে দেখে গর্তের মতো হয়ে গেছে। মাদ্রাসার হুজুরে বিকৃত কাজ করতে করতে বাচ্চাটাকে এই অবস্থা করে দিয়েছে। দরিদ্র বাবা-মা'র সাহসও নাই ঐ মাদ্রাসার বিরুদ্ধে কিছু বলার বা করার। সামর্থ্য তো নাই ই।
এতো ভয়াবহ এবং মর্মান্তিক যে, এটা শেয়ার দেয়ার সাহস আমার নাই। কিন্তু এটা আমার মাথার ভেতর ঢুকে গেছে। কারণ এই বয়সী আমার একটা বাচ্চা আছে। চিন্তা করলাম, যদি তার এই অবস্থা হয় তাহলে বাবা হিসেবে আমার কি করার থাকবে?
যদি আমাকে বাছাই করতে হয়, এই অবস্থা হবে অথবা ইসলাম শিখবে না, দুই অপশনের কোন একটা নিতে হবে। আমি নির্দ্বিধায়, এক মূহুর্ত চিন্তা না করেই বলবো, ইসলাম শেখার দরকার নাই। এই যদি হয় অবস্থা, তাহলে এই সম্ভাব্য অবস্থার ভেতর দিয়ে গিয়ে কোন শিশুকে মুসলমান বানানোর কোন চেষ্টারও দরকার নাই। কেউ মুসলমান হবে কি হবে না এইটা আল্লাহর হাতে। এইসব বিকৃত কুশিক্ষিত জানোয়ার হুজুরদের কাছ থেকে একটা মানুষকে আঠারো-বিশ বছর হওয়া পর্যন্ত সম্পূর্ণ আলাদা রাখাটা অনেক বেশি জরুরী।
বাংলাদেশের মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা একটা বাতিল মালের কারখানা। এইখান থেকে আবর্জনা উৎপাদন হওয়া ছাড়া অন্য কিছু হয় না। শিশুকামিতা হলো প্রচন্ড অক্ষমতার এক বিকৃত বহিঃপ্রকাশ। মাদ্রাসা শিক্ষিতরা যেহেতু কোন কাজের কিছু জানে না, দুনিয়াতে তাদের কোন উপযোগিতা নাই, সুতরাং তারা অস্বাভাবিক ও অপ্রাকৃতিক এইসব বিকৃতির দিকে যায়।
আল্লাহ যে বলেছেন তিনি যাকে খুশি হেদায়েত দেন আর যাকে খুশি পথভ্রষ্ট করেন, তার একটা নমুনা আমরা চোখের সামনে দেখতেছি। মাদ্রাসা ব্যবস্থার মাধ্যমে সব পথভ্রষ্ট বিকৃত জানোয়ার দলে দলে বের হচ্ছে। অন্যদিকে আপনার বাচ্চাকে এই জানোয়ারদের কাছ থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন রাখলে হয়তো আল্লাহ তাকে তার জীবনে হেদায়েত দিয়ে ভালো মুসলমান বানাতেও পারেন।
এরা সাধারণ মানুষের দুর্বলতার কারণেই টিকে আছে এবং শক্তি পায়। এইসব ক্লাউনদের ওয়াজ নামের গলাবাজি শুনবেন না, এদের কোন কাজে বা মসজিদে কোন টাকা দিবেন না, এদের মাদ্রাসায় পাঠিয়ে বাচ্চাকে বিকৃতির শিকার বানাবেন না, এমনিতেই ধীরে ধীরে এরা হারিয়ে যেতো। কিন্তু মানুষ যেহেতু শর্টকাটে জান্নাত কিনতে চায়, এবং তারচেয়েও বড় কথা হলো, বাংলাদেশের মানুষ যেহেতু দরিদ্র, তারা পারবে না। ঐ ডাক্তারের লেখা যখন পড়তেছিলাম, গ্রামের ঐ হতদরিদ্র বাবা-মায়ের কাছে বিনাপয়সার মাদ্রাসা ছাড়া আর কোন সুযোগ নাই এবং কুকুর হুজুর সম্পর্কে কিছু বলার সামান্যতম সাহসও তারা রাখে না, বাস্তবতা চিন্তা করে কেবল একটা দীর্ঘশ্বাস বের হয়েছিলো। দারিদ্রতা অনেক বড় একটা অভিশাপ, মানুষকে ন্যুনতম জীবনও যাপন করার সুযোগ দেয়না।
আমাদের মাদ্রাসায় একটা ছেলে ছিলো। ধরা যাক তার নাম নাসির। সবাই জানতো নাসিরকে ফরহাদ হুজুর করেন। অফিসিয়ালি নাসির ছিলো ফরহাদ হুজুরের খাদেম। এতিম ছেলে, ফি সাবিলিল্লাহ থাকে এবং খায়, তার জীবনে অন্য কোন উপায় ছিলো না। কিন্তু ঐ বয়সে তো আমরা এসব বুঝতাম না। আমরা যারা সুবিধাভোগী এবং ক্ষমতাবান অংশের ভাগীদার ছিলাম, আমরা নাসিরকে ক্রিকেট খেলায় নিতাম না। তাকে নিয়ে নানা উপলক্ষে নানা রকম কৌতুক করতাম এবং প্রচন্ড অট্টহাসিতে ফেটে পড়তাম। এখন পেছনের তাকিয়ে চিন্তা করলে বুঝি আমরা কতটা বর্বর ছিলাম। সমাজ এবং সমস্ত পদ্ধতিটাই এমন যে, বর্বরতা এবং পাশবিকতা হলো এখানে প্রচলন।

(Aman Abdullah এর পোস্ট থেকে)
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:০৮
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দেশভাগের পর-

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৬ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:০৮



সময় তখন ১৯৫০ সাল।
ওমর আলীর জ্বর এসেছে। জ্বর নিয়েই তিনি পত্রিকা পড়ছেন। দীর্ঘদিনের অভ্যাস। টারজান গিয়েছে বাজার করতে। এর আগেও টারজান বেশ কয়েকবার বাজার করেছে। বাজার করতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

হায়ার সেলফ্‌

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ২৬ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:৪১


শীতের সময়ে রাত ১০ টা অনেক রাত। আর তা যদি হয় শহর থেকে দূরে শহরতলীতে,আবাসিক এলাকার আশপাশে,তাহলে তো কথাই নেই। রাত আটটা বাজতে না বাজতেই পাড়ার সকলে সেখানে... ...বাকিটুকু পড়ুন

এফএম রেডিও

লিখেছেন নাহল তরকারি, ২৬ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:২০

২০০৯ সাল। একটি ছেলে। সে তার নানা নানীর সাথে মুন্সীগঞ্জ এ থাকতো। নানা তার নাতিকে একটি মোবাইল উপহার দেয়। নকিয়া ১৬৬১। সেই মোবাইলে এফএম রেডিও ছিলো। সে... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাষ্ট্রীয় সফর, আম তারেক আর চার সিটের দূরত্ব!

লিখেছেন জুয়েল তাজিম, ২৬ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:১৪

প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান নেপালে রাষ্ট্রীয় সফরে যাবেন। সস্ত্রীক আমন্ত্রণ পেয়েছেন তিনি। তখন কিশোর তারেক রহমানেরও শখ জাগল—তিনিও নেপাল যাবেন।

বাবা বুঝিয়ে বললেন, রাষ্ট্রীয় সফরে যাওয়ার আমন্ত্রণ মানেই পরিবারের সবাইকে রাষ্ট্রীয় টাকায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

শাহজালাল রুমি দেশ ছেড়েছেন কার ভয়ে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৭ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:০৮


থাপ্পড়-কাণ্ডের পর দেশ ছেড়েছেন শাহজালাল রুমি। টঙ্গীতে নিজের মেয়ের সঙ্গে ঘটে যাওয়া অন্যায়ের প্রতিবাদ করাই যেন কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে তাঁর জন্য। গণমাধ্যমের সামনে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি, ব্যক্তিগত বার্তায় ভয়ভীতি প্রদর্শন,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×