যৌথ বাহিনীর হাতে ধরা পারা ঢাকা বিশ্বিদ্যালয়ের তিন জন শিক্ষক আটকা পড়েচেন। কর্মক্ষেত্রে তারা চৌকস শিক্ষক বলে জানি, আর এদের একজন আমার অতি ঘনিষ্ট একজন রিলেটিভ। উনার পরিবার জড়িত ছিলেন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, বাংলাদেশের ৭৫'র নভেম্বরের পট পরিবর্তনের সাথে জড়িত ছিলেনন তার পুরো পরিবার। বাংলাদেশের ভালো বই মন্দ এ পরিবার কখনো চেয়েচে বলে জানা নেই। তাদের এ দেশপ্রেমের মূল্য আমার দেশ দেয়নি। বিনা বিচারে তাদের হত্যা করা হয়েচে তাদের পরিবারের সদস্য দের। এ পরিবারে ছেলে আর মেয়েরা বড় হয়েচে পিতৃ স্নেহ ছাড়া। এরা বাংলাদেশের সাধারন নাগরিক, সংবিধান বলে এদের অধিকার আমার আর আপনার মতই কিন্তু তাদের অধিকার বারবার ভন্গন হয়েচে।
আমি তাদের দুঃখে সমব্যাথি, আমি তাদের বলতে চাই বারবার তাদের প্রতি অন্যায় হয়েচে, এবার হয়তোবা অন্যায় হবেনা। কেন জানিনা কনফিডেন্স পাইনা। আমি আশা করি এবার হয়তো আমরা অন্যায় করবোনা যদি আমার রিলেটিভ দোষী হন, একটি স্বচ্ছ বিচারের মাধ্যমে সরকার এবং রাষ্ট্র তাকে শাস্তি দিবেন। আশা করি রাষ্ট্র তার উপরে কোন প্রকার অত্যাচার করবেনা। বারবার আমার এ রিলেটির পরিবারের উপর অন্যায় হয়েচে, তারা স্বচ্ছ বিচার পায়নি। তাই তাদের শংকা আমারও শংকা।
আমি এবং আমাদের পরিবার বাংলাদেশের মানুষের কাচে ভিক্ষা চাইনা, করুনা চাইনা, চাইনা কোন বিশেষ সুবিধা। শুধু আশা করি একটি নিরেপক্ষ তদন্ত, নিরেপক্ষ বিচার আর প্রভাব বিহীন জিজ্ঞাসাবাদ। রাষ্ট্র, সরকার আর বাংলাদেশের জনগনের কাচে শুধু অনুরোধ, আর রাতের আধারে আমার পরিবারের সদস্যদের বিচার করে ফাসী দিবেন না। আমরা বাংলাদেশকে আপনাদের মতই ভালোবাসি, এ দেশ আমাদেরও। এর সাফল্যে আমরা আনন্দিত হই, কষ্টে ব্যাথা পাই, সময়ে সাহায্য করি। আমরা যদি দোষী হই কোন কারনে আপনাদের কাচে শুধু আশা করি একটা নিরেপক্ষ আচরন, আমরা রাতের আধারে আমাদের পরিবারের সদস্যদের হারাতে চাইনা। আমরা এমন একটি বাংলাদেশ চাই যেকানে আমাদের মত দেশপ্রেমিক বা দেশদ্রোহীদের বিচার হউখ দিনের আলোয়।
আমরা ভিক্ষা চাইনা, আমরা চাই শুধু চাই নিরেপক্ষ তদন্ত আর বিচার, কেননা আমরা সেরকম একটা বাংলাদেশের জন্য লড়াই করি
ভিক্ষা চাইনা মা কুকুর সামলাও= চাই শুধু নিরেপক্ষ বিচার।
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
Tweet
৩৯টি মন্তব্য ০টি উত্তর
আলোচিত ব্লগ
যুদ্ধে কেউ জয়ী হয়না, যুদ্ধ বন্ধ হলে মানবতার জয় হয়।
যুদ্ধে কে জয়ী হয়েছে?
আমার উত্তর খুব সহজ- কেউ না।
যুদ্ধের প্রকৃত বিজয়ী বলে কেউ থাকে না। যুদ্ধ যখন শুরু হয়, তখন শুধু সৈনিক নয়; মায়ের বুক খালি হয়, শিশুর ভবিষ্যৎ ভেঙে... ...বাকিটুকু পড়ুন
ষো-ল-ব-ছ-রঃ আর কি বর্ষপূর্তি পোস্ট লেখা হবে?

অবাক হয়েই চেয়ে দেখি
কখন এমন হলো?
এইতো আমার ব্লগবাড়ীটার
বয়স হল ষোল।
দুরুদুরু বুকে তখন
খুলেছিলাম ‘নিক’।
ফেলতে পলক, পেরিয়ে গেল
ষোল বছর ঠিক।
ফেসবুক আর ইউটিউবের
আছড়ে পরে ঢেউ।
সামুপাড়ায় এখন কি আর
উঁকি মারে... ...বাকিটুকু পড়ুন
কটা দুলাল

বাল্য বন্ধু শফির ফোন পাইলেই টেনশনে থাকি। কোন একটা দুঃসংবাদ নিশ্চিত। আর সেটা যদি হয় সকাল বেলা তবে তো কথাই নেই। যদিও আমাদের মধ্যে আন্তরিকতার ঘাটতি নেই মোটেও তবুও... ...বাকিটুকু পড়ুন
ফাউ টাকার গল্প
সময় ২০১৪ সাল...
ভার্সিটিতে আজ ক্লাস শেষে আমি, মেহনাজ, তামিম আর শাওন গোল হয়ে বসে আড্ডা দিচ্ছি। হঠাৎ কোত্থেকে শেতু এসে হাজির। এসেই ডিরেক্ট ঘোষণা! আজ নাকি সে আমাদের সবাইকে স্টার... ...বাকিটুকু পড়ুন
জীবন পর্ব -১

(শালবন ভ্রমণ)
২০১২ সাল। সদ্য পাশ করে বের হয়েছি। কঠিন সময় পার করছিলাম। এদিক-সেদিক স্টেজ শো করে যে পেমেন্ট পেতাম, বাড়িতে ফিরতে ফিরতেই প্রায় শেষ হয়ে যেত। সকালে মায়ের হাতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।