somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

যেখানে সর্ব কালে সেরা বব ডিলান।

১৩ ই অক্টোবর, ২০১৬ রাত ১১:৩৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



[

সাহিত্যে নোবেল পেলেন কিংবদন্তি সংগীত শিল্পী বব ডিলান।
বব ডিলান আমেরিকান সংগীতের এক অবিসংবাদিত নাম। বব ডিলান আমাদের হূদয়েও বিশেষভাবে স্থান করে আছেন বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধকালে তাঁর সহমর্মী অবদানের জন্য।

জর্জ হ্যারিসন, জোয়ান বায়েজ আর বব ডিলান—এই নামগুলো বাংলাদেশের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে ১৯৭১ সাল; পূর্ব পাকিস্তানের নিরীহ, নিরস্ত্র জনগণের ওপর নির্বিচারে পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যার খবর বন্ধুবান্ধব ও সংবাদমাধ্যমের কাছ থেকে জেনে কিছু একটা করার তীব্র তাগিদ থেকেই বিটলস খ্যাত জর্জ হ্যারিসন ও পণ্ডিত রবিশঙ্কর যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের মানুষের সাহায্যার্থে আয়োজন করেছিলেন ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’।


(কনসার্ট ফর বাংলাদেশে সহ শিল্পীদের সাথে বব ডিলান)
১ আগস্টের এই কনসার্টে জর্জ হ্যারিসন যেমন ‘বাংলা দেশ’ গান লিখে ও গেয়ে বিখ্যাত হয়ে আছেন, তেমনি এই অনুষ্ঠানে আরেকজনের উপস্থিতি কনসার্টের গুরুত্ব বাড়িয়ে দিয়েছিল বহু গুণে। তিনি হলেন বব ডিলান, মার্কিন রক ও ফোকসংগীতের জগতে ষাটের দশকেই কিংবদন্তিতুল্য নাম। কনসার্ট ফর বাংলাদেশে বব ডিলান তাঁর বিখ্যাত ‘ব্লোইং ফর দ্য উইন্ড’ গানটি পরিবেশন করেছিলেন। এবং এই অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়েই দীর্ঘ আট বছর পর এটাই ছিল বব ডিলানের জনসমক্ষে প্রথম সংগীত পরিবেশনা।


(কবি অ্যালেন গিনসবার্গের সাথে বব ডিলান)

বিট কবি অ্যালেন গিনসবার্গের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ অবলম্বন করে লেখা বিখ্যাত কবিতা ‘যশোর রোড’কেও গানে রূপান্তরের পরামর্শ দিয়ে সহায়তা করেন বব ডিলান। বাংলাদেশের মানুষের দুঃখ-দুর্দশায় আরও একজন শিল্পী গিটার হাতে গেয়েছিলেন ‘বাংলাদেশ বাংলাদেশ’ (২৫ মার্চ ১৯৭১) গান। তাঁর নাম জোয়ান বায়েজ, বব ডিলানের দীর্ঘদিনের সহচর। তাঁরা একসঙ্গে বহু সংগীতসফরে অংশ নেন। ডিলানের বিখ্যাত রোলিংস্টোন রিভ্যু ট্যুরের (১৯৬৪-৬৫, ১৯৭৫-৭৬) প্রতিটিতে সহশিল্পী হিসেবে ছিলেন জোয়ান বায়েজ। ১৯৮৪ সালে বব ডিলানের বিখ্যাত ইউরোপ সফরেও জোয়ান ছিলেন অবিচ্ছিন্ন সঙ্গী, এই সফরে তাঁরা গান বিখ্যাত ‘ব্লোইং ইন দ্য উইন্ড’ ও ‘উই শ্যাল ওভারকাম’ গান দুটো।


বাংলাদেশের মানুষের কাছে চিরস্মরণীয় বব ডিলানের সংগীতের শুরু বিচিত্রভাবে: ১১ বছর বয়সে সংগীতে হাতেখড়ি পিয়ানো বাজানোর মধ্য দিয়ে, পরে ডিলান পিয়ানো ফেলে প্রথমে হ্যাঙ্ক উইলিয়ামস, এলভিস প্রেসলি ও পরে লিটল রিচার্ডের গানে মুগ্ধ হয়ে অ্যাকুয়াস্টিক গিটার তুলে নেন। তবে ঘরের দেয়ালে অন্য হাজারো মার্কিন তরুণের মতো সাঁটানো ছিল চলচ্চিত্র অভিনেতা জেমস ডিনের পোস্টার। শুরুতে ডিলানের নাম ছিল রবার্ট অ্যালেন জিমারম্যান, জন্ম মিনেসোটার ডুলুথে।


১৯৫৭ সালে জিমারম্যান চলে আসেন মিনিয়াপোলিসে এবং ভর্তি হন ইউনিভার্সিটি অব মিনেসোটায়। পড়াশোনা শেষ করার আগেই বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে যান তিনি। এখানে পড়াশোনার সময়ই তাঁর রকসংগীত-প্রীতি পরিবর্তিত হয়ে আগ্রহ তৈরি হয় মার্কিন লোকসংগীতের প্রতি। ১৯৮৫ সালে লোকসংগীত পরিবেশন শুরু করেন জিমারম্যান। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কয়েক বাড়ি পরে একটি কফি হাউস ছিল তাঁর সংগীতমঞ্চ। এ সময় তাঁর পরিচয় হয় স্থানীয় লোকসংগীতের দল ডিঙ্কিটাউন ফোক সারকিটের সঙ্গে। ডিঙ্কিটাউনের দিনগুলোতেই জিমারম্যান নিজেকে বব ডিলান বলে পরিচয় দিতে শুরু করেন। বব ডিলান তাঁর আত্মজীবনীতে বলেছেন: নাম পরিবর্তনের ক্ষেত্রে কবি ডিলান টমাস তাঁকে প্রভাবিত করেছেন পুরোমাত্রায়। ডিলান টমাসের কবিতাপ্রীতি থেকেই তিনি জিমারম্যান নাম ঝেড়ে ফেলে হয়ে ওঠেন বব ডিলান।


০০৪ সালে এক সাক্ষাৎকারে ডিলান বলেন, ‘আমার জন্ম আসলে ভুল নামে ভুল মা-বাবার ঘরে। এমনই হয়। কাজেই তুমি তোমাকে যেকোনো নামে ডাকতে পারো। আমেরিকা মুক্ত মানুষের ভূখণ্ড।’ ১৯৬২ সালে ডিলানের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ দুটি ঘটনা ঘটে। ওই বছর তাঁর পেশাদার সংগীতশিল্পের জগতে প্রবেশ ঘটে। বিখ্যাত সংগীত ম্যানেজার আলফ্রেড গ্রসম্যানের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরে সক্ষম হন ডিলান।
এবং আইনগতভাবেও ওই প্রথম বব ডিলান নামটি নথিভুক্ত হয়। সংগীতজগতের প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব গ্রসম্যান ডিলানের ম্যানেজার ছিলেন একোবের, ১৯৭০ সাল পর্যন্ত। সংগীতের পথপরিক্রমায় মার্কিন দুনিয়ায় ডিলানের প্রভাব সুদূরপ্রসারী। বিটলসের জর্জ হ্যারিসন বলেন, ‘বিরতিহীনভাবে আমরা ডিলানের গান শুনেছি, রেকর্ড জীর্ণ না হওয়া পর্যন্ত বেজেই গেছে। ডিলানের গানের কথা, সুর—অবিশ্বাস্য রকম মৌলিক আর অভিনব।’ আরেক মার্কিন ঔপন্যাসিক জয়েস ক্যারল ওটস ডিলানের গানের প্রভাব সম্পর্কে বলেন, ‘তরুণ, আনকোরা কোনো রকম ঘষামাজা ছাড়া খানিকটা খোনা স্বরের ওই শিল্পী আমাদের প্রথমবারেই মুগ্ধ করে ফেলে। তারপর যত দিন গেছে, আমার স্বামী আর আমার মুগ্ধতা শুধুই বেড়েছে।’


১৯৬৩ সালে ডিলান অন্য পরিচয়ে পরিচিত হয়ে ওঠেন। শুধু লোকগান কিংবা উন্মাতাল রক গানের শিল্পী নন—তিনি হয়ে ওঠেন অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী কণ্ঠস্বরও। এ সময় দীর্ঘদিনের সঙ্গী জোয়ান বায়েজ আর ডিলান সক্রিয়ভাবে অংশ নেন বিভিন্ন নাগরিক অধিকার আন্দোলনে।





(প্রিয় বন্ধু সহকর্মী জোয়ান বায়েজের সঙ্গে বব ডিলান)

২৮ মার্চ ১৯৬৩ তাঁরা অংশ নেন মার্চ অন ওয়াশিংটন নাগরিক অধিকার রক্ষার আন্দোলনে। তৃতীয় অ্যালবাম দ্য টাইমস দে আর আ চেঞ্জিং-এ ডিলান পুরোপুরি হাজির হন এক রাজনীতিসচেতন, কিন্তু নৈরাশ্যবাদী গায়ক হিসেবে। এ সময় ডিলানের রচিত সব গানে স্থান করে নেয় সমসাময়িক বিষয়াবলি, ব্যক্তিগত গল্প এবং সমাজের নানা অসংগতি। ‘ওনলি আ পন ইন দেয়ার গেম’ গানের বিষয়ে নাগরিক অধিকার আন্দোলনের কর্মী মেডগার ইভস, ‘দ্য লোনসাম ডেথ অব হেটি ক্যারল’ গানে প্রতিবাদী ডিলান স্মরণ করেন শ্বেতাঙ্গ উইলিয়াম জান্টিঙ্গারের হাতে নিহত হোটেলকর্মী কৃষ্ণাঙ্গী হেটি ক্যারলকে। ‘ব্যালাড অব হোলি ব্রাউন আর নর্থ কান্ট্রি ব্লুজ’-এ ডিলান প্রতিবাদী হন খনিশ্রমিক আর কৃষিজীবীদের নিপীড়নের বিরুদ্ধে।




তাঁর অতি ব্যক্তিগত প্রেমের গানেও এ সময় দ্রোহ, রাজনীতি থেকে মুক্ত ছিল না: ‘বুটস অব স্প্যানিশ লেদার’ এবং ‘ওয়ান টু ম্যানি মর্নিংস’। প্রতিবাদ আর নিপীড়নবিরোধী গান লেখা ও গাওয়ার সময়ই অতি নীরবে ডিলানের ভেতরে আরেকটি পরিবর্তন সূচিত হতে থাকে। এ সময় ডিলান তাঁর দীর্ঘ ব্যাপ্তির দুটো গানে (চাইমস অব ফ্রিডম এবং মাই ব্যাক পেজেস) ফোক গানের ধারা থেকে যেন মুক্ত হতে চেয়েছেন। ১৯৬৪-৬৫ সালের শেষ ভাগে ডিলানের পরিবর্তন ঘটে দ্রুত, ফোক গান থেকে দ্রুত তিনি সরে আসেন ফোক-রক-পপ গানে। এ সময় পোশাক-আশাকেও পরিবর্তন আসে তাঁর। ফোক সিঙ্গারের গিটার, ধূসর জিনসের সঙ্গে যোগ হয় বিটলসের মতো সুচালো বুট আর চোখে দিন-রাতের রোদচশমা। গায়ে রংচঙে শার্ট। নতুন পরিচয়ে বাড়তি আগুন যোগ করে ডিলানের সাধারণ গিটার ছেড়ে ইলেকট্রিক গিটার হাতে তুলে নেওয়ার পর। এ সময় চারদিকে তাঁকে নিয়ে বিতর্ক হতে থাকে। মার্কিন লোকশিল্পীদের যাঁরা এত দিন ডিলানকে তাঁদের একজন মনে করে গর্ব করতেন, তাঁরাও তাঁকে প্রত্যাখ্যান করেন। কনসার্টেও ডিলান দর্শকদের নানা কটূক্তির শিকার হন।






(বর্তমানের এক সময়ে বব ডিলান)


কিন্তু ডিলান সরে আসেননি। তাঁর শক্তিশালী কাব্যিক কথা আর সুর শেষ পর্যন্ত শ্রোতামন ঠিকই জয় করেছে। বব ডিলান এই সময়ে বিশ শতকের এক অবিসংবাদিত সংগীতশিল্পী, এর প্রমাণ টাইম-এ শতাব্দীর ১০০ জন প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বের তালিকায় বব ডিলানের নাম। টাইম তাঁর বর্ণনা দিতে গিয়ে লিখেছে: সেরা কবি, সমাজের অসঙ্গতির বিরুদ্ধে তীব্র অকুতোভয় বিদ্রুপাত্মক সমালোচক। প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ডিলানকে তুলনা করতে গিয়ে নামোচ্চারণ করেছেন মোৎসার্ট, পিকাসো, শেক্সপিয়ার ও ডিকেন্সের মতো বিখ্যাত ব্যক্তিদের। ডিলানের কাজ নিয়ে ৫০০ পৃষ্ঠার এক সুবিশাল বইয়ে অধ্যাপক ক্রিস্টোফার রিকস তাঁর গানের কথাকে তুলনা করেছেন কবি এলিয়ট ও টেনিসনের সঙ্গে। ১৯৯৬ সাল থেকেই বব ডিলানের নাম বিবেচিত হচ্ছে নোবেল পুরস্কারের জন্য।


গেল বছর ল্যাডব্রুকসের বাজিতে টোমাস ট্রান্সট্রমার নয়, এগিয়ে ছিলেন বব ডিলানই। বব ডিলানের রক-পপ ও ফোকসংগীতে চিরস্থায়ী অবদানের কথা শ্রদ্ধাভরে স্বীকার করেছেন তাঁর ও এ সময়ের প্রায় সব শিল্পীই। জন লেনন ও পল ম্যাককার্টনি বলেছেন, ডিলান পুরো রক মিউজিককেই বদলে দিয়েছেন। পশ্চিমা বিশ্ব যেমন এই প্রবাদপ্রতীম সংগীতব্যক্তিত্বকে স্মরণ করবে চিরকাল, তেমনি বাংলাদেশ যত দিন থাকবে তত দিন বব ডিলানের নাম লেখা থাকবে বাংলাদেশের ইতিহাসে। জর্জ হ্যারিসন, জোয়ান বায়েজ আর বব ডিলানের নাম এ দেশের প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে স্মরিত হবে শ্রদ্ধাভরে।


অভিনন্দন বব ডিলান। আপনি থাকবেন আমাদের হৃদয়ে মণিকোঠায়।


সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই অক্টোবর, ২০১৬ রাত ১১:৪৪
৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একুশটি বার মৃত্যুর মুখোমুখি: এক অবিনশ্বর সংগ্রামের নাম শেখ হাসিনা

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২১ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩২


একুশটি বার মৃত্যুর মুখোমুখি: এক অবিনশ্বর সংগ্রামের নাম শেখ হাসিনা
শুধু ২১ আগস্টের সেই ভয়াল গ্রেনেড হামলাই নয- বঙ্গবন্ধুকন্যা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা হয়েছে ১৯৮৮ সাল থেকে আজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

৫ই আগস্ট ছিলো আরো একটি ১৫/২১শে আগষ্টের অপচেষ্টা।

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ২১ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৫২



২১শে আগস্ট পালন করা অর্থে , আমার কাছে মনে হচ্ছে আবারো জঘন্য কোনো ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে। কারন আমরা ঐ নারকীয় হত্যাকাণ্ডের কোনো বিচার সম্পন্ন করতে পারিনি। আমরা যারা... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা - প্রমাণ

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১:১২



ব্লগার সাহেব আমেরিকা থেকে লিখেছেন, “অমুক আসলে মুক্তিযোদ্ধা নন।”

আমি বন্ধুকে ফোন করলাম।
বললাম, “তুমি নাকি ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা?”

সে বলল, “বুঝতে পারছি না।”

“কেন?” আমি প্রশ্ন করলাম।

“১৯৭১ সালে পাকিস্তানি বাহিনীর সঙ্গে... ...বাকিটুকু পড়ুন

একজন লা-মাযহাবিকে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়ার কারণ কী ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ২:৩২


আজকে নতুন চারটি মুখ মন্ত্রিসভায় যুক্ত হলো। এর মধ্যে একজনকে নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে । বলছি ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শামীম কায়সার লিংকনের কথা। তিনি একজন লা মাযহাবি বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

দুর্ভিক্ষের আওয়াজ কি আমরা বাংলাদেশিরা শুনতে পাচ্ছি?

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:৪৩

মুচলেকা দিয়ে, গোপন সমঝোতা করে মীর জাফর কিংবা মীর কাসিমের মতো “কথিত ক্ষমতার” সিংহাসনে বসা যায় ঠিকই কিন্তু বসে বসে জনগণের সর্বনাশ দেখা ছাড়া তাদের বিশেষ কিছু করার থাকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×