somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

মাহবুবুল আজাদ
কেমন জানি খুব বেশি আত্মবিশ্বাসী,ভালবাসি বই পড়তে,তার চেয়েও বেশি ভাল লাগে ঘুরে বেড়াতে,আর কবিতা সে তো টানে আমায় অদৃশ্য সূতোয়।ঘুরেছি পৃথিবীর বহু দেশ, তবুও মন ভরেনি, আবার ও বের হব কোন একদিন পৃথিবীর পথে প্রান্তরে, আর হব আমার লেখা লেখির ফেরিওয়ালা।

Criticism: সমালোচনা কি? কেন করবেন? কিভাবে সমালোচনা গ্রহণ করবেন? কিভাবে যৌক্তিক সমালোচনা করবেন?

১৭ ই অক্টোবর, ২০১৮ বিকাল ৪:৩৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



ইংরেজিতে একটা কথা প্রচলিত "If it ain't broke, don't fix it," কিন্তু তাই বলে কি এটাকে ঘষামাজা করে আরও সুন্দর করা যায়না। অবশ্যই যায়। কোন কিছু সম্পর্কে বলতে গেলে আমরা প্রথমেই চিন্তা করি এর ভাল দিক কি বা কোন কাজে লাগবে, যদি এর কমতি দেখা যায় তাহলে আমরা সেটা থেকে দূরে থাকি। কিন্তু এমনটা কি ঠিক? অবশ্যই না। এর জন্য আপনাকে মহা পণ্ডিত বা বিজ্ঞজন হবার কোন দরকার নেই। আমরা সবাই কোন না কোন বিষয় সম্পর্কে ভালভাবে জানি মোটামুটি সে বিষয় সম্পর্কে ভাল জ্ঞ্যান ও রাখি, কিন্তু এ বিষয়ে কারো ভুল ত্রুটি দেখলে নিজেকে নিরাপদে দূরে সরিয়ে রাখি।
আমাদের উচিত নিজের চেনা জগতের ভুল ফাঁক ফোঁকর বা তথ্যগত ত্রুটি গুলো শোধরাতে সাহায্য করা, ভুল ব্যাখ্যা থাকলে সেটাকে খণ্ডানো। নইলে একদিন আপনার নিরবতা হাজারটা ভুল কে শক্ত খুঁটি বানিয়ে দেবে আপনার ই সমাজে, আপনি না হয় বের হয়ে গেলেন কোন মতে দিন পার করে গেলেন, কিন্তু আপনার দায় এড়াবেন কি করে, পরবর্তী প্রজন্ম তো এই ভুলের, জং ধরা বিষয় গুলোর স্তুপের মধ্য থেকে বের হবার রাস্তা পাবে? পাবে না।



সমালোচকঃ
এরা স্মার্ট ব্যাক্তি যারা আপনার কাজের ক্ষেত্র সম্পর্কে জানে। এবং অনেক গভীর ভাবে তা দেখে এবং সেটা পছন্দ করেনা। এবং আপনি সম্ভবত সেটা শুনতে চান যে তারা কি বলতে চায় এবং তাদের চিন্তাশীল মন্তব্য উপর ভিত্তি করে আপনার কাজের কিছু সমন্বয় করেন। এটা অবশ্যই আপনার কাজকে আরও উন্নত করবে। পছন্দকারীঃ
এরা আরেক শ্রেণী যাদের কথা আপনি শুনতে চান। তারা আপনার কাজকে অনেক মুল্যায়ন করে তাদের সময়টা আপনার কাজের উপর আলোকপাত করতে ব্যয় করে। তারা আনুপাতিক একটা নেতিবাচক মন্তব্য করে কারন তারা চায় যে আপনি আরও উন্নতি করতে পারেন তাদের ধ্যান ধারণা কে সমন্বয় করে।

বন্ধু কিন্তু শত্রুঃ
সবচেয়ে বেশি চতুর গ্রুপ হচ্ছে এরা, যাদের পরিচিতি বোঝা মুশকিল। ভাব করবে আপনার বন্ধু কিন্তু আপনার প্রতি এদের একটা শত্রু ভাবাপন্ন মনোভাব দেখা যায়। এরা খুব ভাল মতই জানে কিভাবে আপনাকে আঘাত করা যায় এবং তারা আপনার কাজ সম্পর্কে মোটামুটি বেশ ভাল ধারণা রাখে। কিন্তু দিন শেষে দেখা যায় যে এদের সমালোচনা আপনার কাজের প্রতি না, এটা পুরোটাই ব্যাক্তিক আক্রমণ। তারা কখনোই গঠনমূলক আলোচনায় আগ্রহী না যা আপনাকে আরও ভাল কিছু করতে সাহায্য করবে। তারা শুধু মাত্র আপনাকে নিচু দেখতে পছন্দ করে।

নিন্দাকারীঃ
এদের কোন সীমানা নেই, এবং সর্বাবস্থায় এদের এড়িয়ে যাওয়া উচিত। এরা অকারনেই আপনার বিরুদ্ধে যাবে এবং হেয় প্রতিপন্ন করবে। তবে এটা অবশ্যই প্রমান করে যে যত বেশি নিন্দাকারী পাবেন তার মানে আপনার কাজের পরিধি ও ততধিক মাত্রায় প্রসারিত। *১



সমালোচনা সৃজনশীলতার আধারঃ
সৃজনশীলতা প্রায়ই একটি প্রেমময় সাজানোর জিনিস মনে হয়। চিন্তাভাবনার মধ্যে, সমস্ত ধারণাগুলি কেই স্বাগত জানানো হয় । আইডিয়া ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম প্রায়ই মানের চেয়ে ধারণা পরিমানের উপর বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকে।
সমালোচনা সৃজনশীলতা কে শ্বাসরুদ্ধ করে দেয় বলা হয় যে সম্ভবত ক্যান্সারের কারন এবং আমদের তাই বিশ্বাস করায়। কিন্তু সত্য এটাই যে আমরা যদি সৃজনশীল হতে চাই তবে অবশ্যই আমাদের সমালোচনামূলক হতে হবে।
সর্বোপরি, যদি আমরা বিশ্বাস করি যে একটি খারাপ চিন্তা ধারণা ইতিমধ্যে সত্যিই অসাধারণ, তবে কেন আমরা এটি আরও সামনের দিকে ঠেলতে সাহায্য করব? যেমন প্রচলিত একটি ধারণা যদি ভালই হয়ে থাকে তাহলে কেন আমরা শুধু শুধু নতুন ধারনা নিয়ে এটাকে বদলাতে যাব।

প্রতি মুহূর্তেই কিছু না কিছু আমাদের চোখ এড়িয়ে যায়, যৌক্তিক সমালোচনাকারীরা আপনার সে এড়ানো ভাবনা বা বিষয় সম্পর্কে আপনাকে মনে করিয়ে দেয়। পরিপূর্ণ একটা লেখা, কাজ বা কোন বস্তুর গুনাগুন সমালোচনা ব্যাতিত সম্পূর্ণতা লাভ করতে পারেনা। কারণ মানুষের মন তার কোন কিছু সৃষ্টির ক্ষেত্রে শুধু পজিটিভ ভাবনাই ভেবে থাকে সৃজনশীল কাজের ক্ষেত্র টাই এমন। এ ক্ষেত্রে আপনার এড়িয়ে যাওয়া নেগেটিভ ব্যাপার গুলো সমালোচকরাই চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিবে। যে কোন কাজের ক্ষেত্রেই এই সমালোচনা গ্রহণ করার মানসিকতা থাকা অনেক জরুরী।


Compliments Encourage Complacency.
সংক্ষেপে বলা যায়, আমরা যদি ধারনা, প্রক্রিয়া এবং পণ্যের সমালোচনা না করি তারমানে আমরা সৃজনশীল চিন্তা ভাবনা কে উৎসাহিত করছিনা। এর পরিবর্তে আমরা উৎসাহিত করছি আত্মবিশ্বাসী চিন্তা কে যা কিনা সৃজনশীল চিন্তার চেয়ে কম ভয়ংকর ও বিরক্তিকর।
এটা সত্য যে সৃজনশীলতা সমালোচনাকে উৎসাহিত করে এবং শক্তি যোগায়। যদি একদি ধারনা ভাল না হয় তাহলে সেটাকে আমাদের আরও ভাল করা প্রয়োজন। যদি কোন ধারনা বিরক্তিকর হয় তাহলে সেটাকে আরও উদ্দীপক করা উচিত।
সবসময়ই যদি কোন প্রক্রিয়া পুরনো হয় যা আপনার কাজের বা প্রতিষ্ঠানের জন্য ভাল না সে ক্ষেত্রে অবশ্যই আপনাকে এর কারণ খুজে বের করতে হবে, দুর্বল পয়েন্ট গুলো নির্ণয় করে আরও ভাল ধারনা এবং প্রক্রিয়ার মধ্যে নিয়ে যেতে হবে। এ ক্ষেত্রে অ আপনার জন্য আপনার কর্মীদের বা আশেপাশের বন্ধুদের চিন্তা ভাবনা এবং সমালোচনা গ্রহণ করতে হবে।

Criticism Must Be Respectful

সমালোচনা অবশ্যই বিনয়ের সহিত হওয়া উচিত। Anticonventional Thinking (ACT) যা কিনা অন্য সকল চিন্তা পদ্ধতির মতই মতামত সমালোচনার জন্য তিনটি নিয়মকে কার্যকর ভাবে উৎসাহিত করে থাকে।
১। সর্বদা বিরক্তিকর ধারণাগুলোর সমালোচনা করা।
২। ধারণা বা মতামতের সমালোচনা করুন, ব্যাক্তির নয়। It's okay to say, "Your idea is boring." It is not okay to say, "You are boring."
৩। কোন লেখা বা মতামতের সমালোচনা করার পরে আপনাকে চুপ থাকতে হবে এবং লেখক/সত্ত্বাধিকারীর বা সমগোত্রীয় অন্য যে কাউকে এই ধারণা রক্ষার জন্য অনুমতি দিতে হবে।

Anti-conventional thinking (ACT) is a new approach to creativity that I have been developing since 2010 and which I first presented at the European Conference for Creativity and Innovation in September 2011. ACT was developed in response to the poor creative performance of brainstorming


ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতার আলোকে বলতে পারি যে সবচেয়ে ভাল পন্থা হচ্ছে প্রশংসা দিয়ে সমালোচনা শুরু করা। সবাই প্রশংসশিত হতে পছন্দ করে। এরপর সমালচনামুলক হওয়া উচিত যতটা রক্ষণাত্মক ভাবে সম্ভব এবং সর্বশেষ হচ্ছে উৎসাহ প্রদান করা। নিজেকে আরও ভালভাবে উন্মোচিত করুনঃ Think about it. You are creative. I know you can come up with even more creative ideas if you try!" কেন নয়?
অনেক মানুষ আপনাকে বলবে যে সমালোচনা সৃজনশীলতার জন্য ক্ষতিকর। কিন্তু তারা ভুল। তারা আপনাকে মিথ্যা বলে। আসলে, সমালোচনা হচ্ছে সৃজনশীলতার খোরাক। *২

কিভাবে গ্রহণ করবেন সমালোচনা সেটা হোক ভাল কিংবা খারাপঃ

১। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করবেন নাঃ
At the first sign of criticism, before you do anything—stop. Really. Try not to react at all! আপ্নাত নিশ্চই এক সেকেন্ড সময় হবে প্রতিক্রিয়া থামিয়ে রাখতে। যদিও এক সেকেন্ড খুবই তাৎপর্যহীন বাস্তবিক জীবনে। কিন্তু বিষয়টা প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে আপনার ব্রেনের জন্য এটা একটা স্বাভাবিক সময়। এবং সে সময়ে আপনি আপনার মুখের অভিব্যাক্তি চেপে রাখতে পারবেন এবং নিজেকে মনে করিয়ে দিতে পারবেন শান্ত থাকো। তাই প্রথমেই একটু সময় নিবেন এবং পরে প্রতিক্রিয়া জানাবেন।

২। মনে করুন প্রতিক্রিয়া গ্রহনের সুবিধা কি?
এখন আপনার কাছে কিছু সময় আছে যে যৌক্তিক ও গঠনমূলক সমালোচনার কি সুবিধা সেটা ভাবার। প্রধানত এটি আপনাকে সাহায্য করবে আপনার দক্ষতা বাড়াতে, আপনার পন্য বা পারস্পরিক সম্পর্ক এবং মানুষ আপনার কাছে থেকে যা আশা করে সেসব আপনি তাদের চাহিদা মত দিতে পারছেন কিনা।
এবং যিনি আপনাকে প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন তার প্রতি অবশ্যই সদয় থাকার চেষ্টা করবেন।

৩। বোঝার জন্য হলেও শুনুনঃ
যখন কেউ আপনার কোন কাজের বা লেখার বা অন্য কোন কিছুর ব্যাপারে তার মতামত শেয়ার করবে তখন সেটা মনোযোগ দিয়ে শুনুন। এবং তার কথাগুলো শেষ না হওয়া পর্যন্ত মাঝখানে কোন বাধা না দিয়ে মন দিয়ে শুনুন।
কথা শেষ হলে তার কথাটাই তাকে পুনরাবৃত্তি করে বলেন যে এটাই কিনা। এবার আপনি কোন মন্তব্য না করে নিজেকে যাচাই করুন তার মন্তব্য ও তার ভিত্তি।
৪। ধন্যবাদঃ
এরপর যিনি আপনার কাজের সমালোচনা করলেন তাকে তার সুচিন্তিত মতামতের জন্য ধন্যবাদ জানান।


Feedback’s not easy to give and it’s certainly not easy to receive, but it’ll help us now and in the long run.
কিভাবে যৌক্তিক সমালোচনা করবেন?

কখনোই ব্যাক্তিগত সম্পর্কের ভিত্তি টানবেন নাঃ
সমালোচনার ক্ষেত্রে এটা একটা বিশাল সমস্যা। আমরা প্রায়শই সমালোচনার ক্ষেত্রে পক্ষপাতগ্রস্থ হই, যা কিনা কোন ভাবেই গ্রহন যোগ্য নয়।
ভিত্তিহীন মিথ্যাঃ
মুল বিষয় দূরে রেখে বা এর সাথে কোন মিল না রেখে কোন মন্তব্য করবেন না। অনেক সময় দেখা যায় আমরা কোন কিছু বিচার বিবেচনা না করেই একটা মন্তব্য করে ফেলি।

সময় নিনঃ
মন্তব্য করার জন্য ও সময় নেয়া উচিত। কোন কিছু দেখেই সাথে সাথে একটা সমালোচনামুলক মনোভাব করলে তা কখনোই ভাল প্রতিক্রিয়া হয় না। বিষয় সম্পর্কে জানুন ২/৪ জনের সাথে কথা বলুন তার পর মতামত জানান। তাই ধৈর্য ধরে সময় নিলে আপনার প্রতিক্রিয়া টা হবে খুবই ভদ্র ও সুন্দর ভাবে, যার একটা গ্রহণযোগ্যতা থাকবে।
গঠনমূলক সমালোচনা টা কি সত্যিই জরুরিঃ
হ্যা জরুরী, যদি কেউ আপনাকে অনুরোধ করে কোন প্রতিক্রিয়ার জন্য তখন অবশ্যই সেটা গঠনমুলক হওয়া উচিত। কারণ যিনি আপনার মতামত চাচ্ছেন তিনি অবশ্যই সেটাকে মুল্যায়ন করে কিছু সমন্বয় করতে চাচ্ছেন।

আপনিই প্রকৃত ব্যাক্তি কিনাঃ
মন্তব্য বা সমালোচনার আগে নিজেকে জিজ্ঞেস করুন আপনি এটার উপযুক্ত কিনা।

সময় এবং স্থানঃ
এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ যে অন্য কারো সামনে সমালোচনা গ্রহণ করা তাই একটা শান্তিপূর্ণ সময় ও স্থান বিবেচনা করা খুব জরুরী। যদি সেটা সরাসরি সাক্ষাতের ব্যাপার হয়ে থাকে।

আবেগ দূরে রাখুনঃ
কোন ব্যাক্তিগত বিষয়ের উপর মতামত দিতে গেলে অবশ্যই আবেগতাড়িত হওয়া চলবে না। এতে আপনার শারীরিক ভাসা ও স্বরে একটা নেতিবাচক রাগ অথবা উদ্বিগ্নতা নিয়ে আসবে। যার ফলে আপনার সমালোচনা গ্রহণযোগ্যতা না ও পেতে পারে।

হাসিঃ
পৃথিবী জয় করা যায় এই হাসি দিয়ে। তাই মুখে হাসি রাখবেন হোক সেটা মিথ্যা তারপরেও আপনার সামনের ব্যাক্তিকে এটা একটা আত্মবিশ্বাস যোগাবে। এবং হাসি একটা পরিস্থিতিকে অনেক বেশি প্রাণবন্ত ও মসৃণ রাখে।
Smiling will motivate the other person to moderate their approach.

পরিশেষে বলা যায়, সব কিছুর ই কোন না কোন ভাবে সমালোচনা থাকবেই। আমদের সমালোচনার ক্ষেত্রে অবশ্যই গঠনমূলক এবং বন্ধুভাবাপন্ন মনোভাব নিয়ে করা উচিত।


তথ্যসূত্রঃ
*১; Ann Friedman https://www.annfriedman.com/disapprovalmatrix
*২; Jeffrey Baumgartner https://www.creativejeffrey.com
*৩; Nicole Lindsy Click This Link
*৪; Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই অক্টোবর, ২০১৮ বিকাল ৪:৫৩
২৯টি মন্তব্য ২৯টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বেলফোর রোড টু কাশ্মীর ! : সভ্যতার ব্লাকহোলে সত্য, বিবেক, মানবতা!

লিখেছেন বিদ্রোহী ভৃগু, ১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ১:৪০

ফিলিস্তিন আর কাশ্মীর! যেন আয়নার একই পিঠ!
একটার ভাগ্য নিধ্যারিত হয়েছিল একশ বছর আগে ১৯১৭ সালে; আর অন্যটি অতি সম্প্রতি ২০১৯ এ!
বর্তমানকে বুঝতেই তাই অতীতের সিড়িঘরে উঁকি দেয়া। পুরানো পত্রিকার... ...বাকিটুকু পড়ুন

চামড়ার মূল্য- মানুষ ভার্সেস গরু

লিখেছেন কাওসার চৌধুরী, ১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৩:৪৪


২০১০ সালের কথা; তখন পূর্ব লন্ডনের ক্যানরি ওয়ার্ফ (Canory Wharf) এর একটি বাসায় ক্লাস নাইনে পড়া একটি ছাত্রীকে ম্যাথমেটিকস্ পড়াতাম। মেয়েটির আঙ্কেল সময়-সুযোগ পেলে আমার সাথে গল্পগুজব করতেন। একদিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

দাদীজান ও হ্যাজাক লাইট

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০০



সময় ১৯৮০ এর দশক, প্রতিবছর ডিসেম্বর মাসের শেষ শুক্রবার আমার দাদাজানের মৃত্যুবার্ষিকী’তে বড় চাচা, আব্বা বেশ খরচ করে গ্রামবাসী ও আত্মীয় পরিজনদের খাবারের একটা ব্যাবস্থা করতেন, বড় চাচা আর আব্বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

গত কিছু সময়ে সামুতে যা যা হয়েছে, ব্লগারদের ওপর দিয়ে যা গিয়েছে, সেসকল কিছু স্টেজ বাই স্টেজ বর্ণনা!

লিখেছেন সামু পাগলা০০৭, ১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ৮:১৪



কনফিউশন: ধুর! কি হলো! ব্লগে কেন ঢুকতে পারছিনা? কোন সমস্যা হয়েছে মনে হয়, পরের বেলায় চেক করে যাব। বেলার পর বেলা পার হলো, সামুতে ঢোকা যাচ্ছে না! কি সমস্যা!... ...বাকিটুকু পড়ুন

আড্ডাঘরের বর্ণনা

লিখেছেন আনমোনা, ১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১০:৩৩

সামু ব্লগে ছিলো এক সামুর পাগল
সারাদিন করে সে যে মহা হট্টোগোল। ।
খুলিলো আড্ডাবাড়ি আড্ডারি তরে।
জুটিলো পাগল দল তাড়াতাড়ি করে। ।
সরদার হেনাভাই, তার এক হবি।
প্রতিদিন আপলোডে মজাদার ছবি। ।
সকল পাগলে তিনি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×