রজনী সুনিবিড় ।
চতুর্দ্দিক নিরব ও স্থির ।
যুবক সুখ শয্যায় শায়িত ।
এহেন, নীরব মর্ত্ত শান্তি ভেদ করে অকস্মাৎ-
এক মায়াময়ী, মায়াবিনী অস্পরা সুন্দরী রমনী
তার স্বর্গসুখ বিলাতে সম্মুখে আনিত ।
তার রুপের শেষ নাই, সৌন্দর্যের তুলনা নাই ।
তার বেশ-বিন্যাসের উপমা নাই । তদুপরি-
তার নব নব অভিনয়, অভিমান ও অর্দ্ধস্ফুট নয়ন চাহনী
কতোনা হৃদয়গ্রাহী! প্রেমের এই বিপুল আয়োজন কতোনা মন মাতানী ।
এক্ষণে, যুবক কাম রিপুতে মহাসমারোহে উত্তেজিত ।
তার সারাটি দেহে আজ ঐ কামীয় বিদ্যুৎ সঞ্চালিত ।
চাহে কিসে তাকে প্রাণ ভরে ধরে রাখে ,
চাহে কিসে তাকে বক্ষ মাঝে চেপে ধরে ,
চাহে কিসে চরম কামরিপু চরিতার্থ করে ।
ঐ নির্য্যাস স্খলিত হলো-এহেন অকস্মাৎ
তার মন এখন অবসন্ন, মনে অনুতাপ ।
কল্পিত প্রেমের আশায়, ক্ষণিক সুখের নেশায়
কি করিল সে মিছামিছি-কার ভরসায় ।
মস্তক এখন দুর্বল, শরীর তার অপবিত্র ,
এটা-দুনিয়া সক্ত ব্যক্তির প্রকৃত চিত্র ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




