স্বরচিত অন্ধকার
সশস্ত্র সম্ভাষণের পর বঙ্গোপসাগরে ডুবে যায় আগামীকালের সূর্য। একমুঠো অন্ধকার মেখে সন্নাসগৃহ পড়ে থাকে বুকের অদূরে। গৃহবাসী স্বপ্নগুলো অন্তর্গত জটিলতায় ধারণ করে অন্ধকারের চিত্র। এক জীবন ভুলে যায় দূরের বাতিঘর। আমাদের সংশয় চিহ্নিত সময়ের বিপর্যস্ত দীর্ঘশ্বাসগুলো রাত্রিদিন পার করে নীরব নিদ্রায়। পৃথিবী দংশন করে তিনভাগ জল, অবোধ চক্ষুযুগল, সহজ স্বভাবে এড়িয়ে যায় বরফের বর্ণাঢ্য আয়োজন। গ্রাম, শহর, গঞ্জ রু’য়ে যায় শুধু গুচ্ছ গুচ্ছ অন্ধকার। এ জীবন টিকটিকির মৃত্যু দেখেনা, বৈদ্যুতিক তারে জ্বলে বাতিফুল আজীবন অন্ধকার ঘুচেনা।
কোথাও বৃষ্টি হচ্ছে
বৃষ্টিভেজা মাটি আর মাটি ভেজা মানুষ, পরস্পর লিখে যায় গৃহস্থের নিমন্ত্রণ লিপি। তৃষ্ণাপালক খসে পড়ে ছায়া ঢাকা কৃষক গ্রামে। নামে বেনামে মেঘের চিঠি আসে বৃষ্টির ডাকে, নদীবর্তী ঢেউ পড়ে ভাঙনের বিষাদভাষা।
কষ্টস্রোত বয়ে যায় সমান্তরাল, বৃষ্টির ধারাজল নূপুর ছন্দে যায় ভাটির মুল্লুক। বাঁধার শর্ত ভুলে ভাসমান বেয়াড়া জল থৈ থৈ, মানবিক ক্রন্দন কোলাজ। হাঁটুহলে হাঁটাহাটি, কলের মমতা নিয়ে ভেসে যায় নৌকার খবর।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৪:৩৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


