সালেহীকে নিয়ে সর্বশেষ পোস্টিং করেছিলাম সপ্তাহ দু'য়েক আগে। নিজের শিক্ষককে হত্যার অভিযোগে পুলিশ শিবির নেতা সালেহীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে পাঠায়। তারপর থেকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও ডিপার্টমেন্টের একাডেমিক বিভাগ বেহুদা তর্ক-বিতর্ক চালিয়ে যায় সালেহীকে পরীাক্ষার আসনে বসানোর পদ্ধতি-প্রক্রিয়া নিয়ে। দড়ি টানাটানি করেও বিষয়টির কোন সুরাহা আপাতত হয়নি। দেখা যাক, শিবির নেতা তার অপকর্ম থেকে কিভাবে নিস্কৃতি পান? সমকাল জুন মাসের 11 তারিখে লেখে, "রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক তাহের হত্যা মামলার অন্যতম আসামি শিবির সভাপতি মাহবুব আলম সালেহীর মাস্টার্স পরীক্ষার ফরম বাতিল করেছে ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগ। শনিবার বিভাগীয় একাডেমিক কমিটির 554তম বৈঠকে ফরমে সালেহীর নামে দেওয়া স্বাক্ষরটি তার নিজের নয় বলে প্রমাণিত হওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই সঙ্গে জানানো হয়, কেবল সালেহী স্বহস্তে ফরম পূরণ করলেই তার ফরমটি বিভাগীয় একাডেমিক কমিটি বিবেচনায় আনবে। বিভাগীয় সভাপতি প্রফেসর সৈয়দ সামসুদ্দিন আহমেদ জানান, শনিবার 554তম একাডেমিক কমিটির বৈঠকের দ্বিতীয় এজেন্ডা ছিল সালেহীর মাস্টার্স পরীক্ষার ফরম পূরণের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয়টি। কিন্তু ফরমটি খোলার পর একাডেমিক কমিটির সদস্যরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বুঝতে পারেন ফরমটিতে সালেহীর নামে ইংরেজি ক্যাপিটাল লেটারে যে স্বাক্ষরটি রয়েছে, তা সালেহীর নিজের নয়। অথচ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী পরীক্ষার ফরম পরীক্ষার্থী স্বহস্তে পূরণ না করলে সেই ফরম অনুমোদনের জন্য বিবেচনায় আনা হয় না। এ কারণে সর্বসম্মতিত্রক্রমে ওই বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, সালেহীর মাস্টার্স পরীক্ষার ফরমটি অনুমোদনের জন্য বিবেচনায় নেওয়া হবে না এবং ওই ফরমটি বাতিল করা হবে। কেবল সালেহী স্বহস্তে ফরম পূরণ করলেই তার পরীক্ষা দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হবে। এদিকে 23 মে মাস্টার্সের ফরম পূরণের নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হয়ে গেছে। এখন সালেহী যদি নতুন করে স্বহস্তে ফরম পূরণ করে বিভাগে জমা দেয়, তারপরও এক্ষেত্রে বিভাগীয় সভাপতির সুপারিশে উপাচার্যের বিশেষ অনুমোদনের প্রয়োজন। সেক্ষেত্রে বিভাগের ভূমিকা কী হবে? বিভাগীয় সভাপতি জানান, নতুন করে স্বহস্তে ফরম জমা দিলে আবার একাডেমিক কমিটির বৈঠক বসবে। সেই বৈঠকে তার হাজিরাসহ আনুষঙ্গিক বিষয় নিয়ে আলোচনা শেষে সদস্যদের সিদ্ধান্তের ওপর বিষয়টি নির্ভর করবে"।
সালেহীকে বাঁচান (5):
এনসিপি: বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন উদীয়মান শক্তি ?

২০২৬-এর ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের ফলাফল যখন বের হলো, তখন দেশের রাজনৈতিক মহলে একটা চাঞ্চল্য পড়ে গেল। জাতীয় নাগরিক পার্টি: যাদের আমরা এনসিপি বলে ডাকি—প্রথমবারের মতো নির্বাচনে নেমে ৩০টা... ...বাকিটুকু পড়ুন
প্রথমেই বিএনপির যে কাজগুলো করা জরুরি

বিএনপির প্রথম কাজ হলো তারা যে “অত্যাচারী” নয়, তা মানুষের কাছে প্রমাণ করা। "ক্ষমতাশালী" মানে যে ডাকাতি, লুটপাট এবং মাস্তানির লাইসেন্স পাওয়া নয়, এটা নিশ্চিত করা। এর জন্য তাদের... ...বাকিটুকু পড়ুন
আমাদেশর স্বপ্নের বাংলা।
আমাদেশর স্বপ্নের বাংলা।
--------------------------
আমার স্বপ্নের বাংলাদেশ এমন একটি দেশ, যেখানে মানুষ আগে ধর্ম, বর্ণ, পরিচয় পরে। এই দেশে মোল্লা, পুরোহিত, সাধু, বাউল, ব্রাহ্মণ, চণ্ডাল, চামার, মুচি সকলেই সমান মর্যাদা নিয়ে বাঁচবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন
নির্বাচন ২০২৬
জুলাই বিপ্লবে হাজারো তরুন রাস্তায় নেমেছিল একটা বৈষম্যহীন রাস্ট্র গড়ার স্বপ্ন নিয়ে। নির্বাচনের দাবীতে কোন মানুষই জুলাইতে রাস্তায় নামেনি। একঝাক তারুন্যের রক্তের বিনিময়ে সবার প্রত্যাশা ছিল... ...বাকিটুকু পড়ুন
হাতিয়ায় শাপলা কলিতে ভোট দেওয়ায় তিন সন্তানের জননীকে ধর্ষণ করে বিএনপির কুলাঙ্গাররা।
এক আওয়ামী ব্লগার আমাকে প্রশ্ন করছে আপনি তো বিএনপি করেন তাহলে জামাতের পক্ষে পোস্ট দেন কেন। উত্তরা এই পোস্টের শিরোনামে আছে। আমার উত্তর হচ্ছে আমি জামাতও করি না।
আমার পরিবার,আমার... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।