বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে লংমার্চ যোগ করেছে নতুন মাএা। পএিকার খবরে লংমার্চ নিয়ে ভাল টানাটানি চলছে। আওয়ামী লীগ ভাবছে লংমার্চের মাধ্যমে ক্ষমতাসীন বিএনপি-জামাত সরকার বিরোধী আন্দোলন আরও জোরদার হবে। আবার বিএনপি-জামাত সরকার ভাবছে লংমার্চের সাথে সাথে তাদের জোট সরকার ভুপাতিত হবে। তাই লংমার্চ ঠেকাবার জন্যে পুলিশ বাহিনীর গ্রেফতারী হয়রানি আরও জোরদার করা হয়েছে। লংমার্চ অভিমূখী গ্রেফতারকৃত হাজার হাজার মানুষের আপনজন কোর্টে-কাচারীতে ঘুরছে তাদের মুক্তির জন্যে।
জনপ্রিয় বিএনপি-জামাত সরকারের বিষয়-বুিদ্ধ যুক্তিহীনভাবেই দিন দিন লোপ পাচ্ছে। বিএনপি-জামাত হচ্ছে জনগনের ম্যান্ডেট পাওয়া গনতান্ত্রিক সরকার। এক্ লংমার্চে তারা কি ধরাশায়ী হয়ে যাবে? তাদের জনপ্রিয়তা তো এতো ঠুন্কো নয়। তাহলে ভয়ের কারনটা কি? রাজনৈতিক কর্মসূচীকে রাজনৈতিকভাবেই মোকাবেলা করতে হবে। রাজনৈতিক কর্মসূচীকে পুলিশী হয়রানি দিয়ে বন্ধ করতে চাইলে তা হিতে আরও বিপরীত হবে। এধরণের শিক্ষা ও দূরদর্শিতা সরকারী দলের রাজনৈতিক কর্মকান্ডে দেখা যাচ্ছে না। ব্যালটের মাধ্যমে যদি জনগণ সত্যি রায় দেয়, তাহলে লংমার্চ, পল্টন ময়দান, গণসমাবেশ-এসবই তেমন কোন ভীতিকর ও বিপজ্জনক রাজনৈতিক উপাদান নয়, এই বিলম্বিত বোধোদয় সরকার পক্ষের যখন হবে, তখন খুব বেশী খড়-কুঁটো যে পাওয়া যাবে না।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




