গতকাল বাবাকে নিয়ে ব্যস্ত িছলাম। সকাল বেলা বাবাকে নিয়ে গেলাম মতিঝিলে। বাবার বয়স সওরের উপর। তিনি স্বাধীনভাবে চলাফেরা করেন। অবসর জীবনেও ব্যস্ততা খুঁজে বেড়ান। গতকাল মতিঝিল যাওয়ার কারণ বাবাকে ব্যাংকে যেতে হবে কিছু টাকা পয়সা লেনদেনের জন্য। অনেকদিন থেকেই তাকে বলছি, মোহাম্মদপুরে তার একাউন্ট নিয়ে আসতে। কিন্তু তার এক কথা, মতিঝিল অনেক জনাকীর্ণ আর নিরাপদ। ফেরার পথে দেখলাম, বিশাল হরফে লেখা আছে অন লাইন ব্যাংকিং এর সুবিধার ব্যাপারে। বাবাকে বললাম, চলুন আপনার একাউন্টটা অন লাইনে আপগ্রেড করি। তিনি বললেন, পরে হবে। আমি বললাম, দেখি এখনই হয় কি না? প্রথমে তিনটা ফর্ম দিল। ? ফর্মপূরণ করে, বাবাকে বললাম, স্বাক্ষর করতে। তারপর ভেরিফিকেশন হলো, তারা জানাল পরের দিন থেকে অন লাইন একাউন্ট অ্যাক্টিভ হবে। বাবা খুব খুশী যখন তিনি বুঝলেন যে, এখন থেকে যে কোন শাখায় গিয়ে তার ব্যাংকিং-এর কাজ সারতে পারবেন।
ফেরার পথে ড্রাইভারকে বললাম, আমাকে বসুন্ধরা সিটিতে নামিয়ে দিতে। বসুন্ধরার অপিসে এক বন্ধু কাজ করে। ফোন করে বললাম, আমি তার এখানে। সেও অফিস থেকে চলে এলো। দু'জনে ঘুরছি নীচের তালায়। হরেক রকমের মোবাইল সেট আর ইলেকট্রনিক্র-এর দোকান। এক সময় পছন্দ হয়ে গেল একটা এমপি থ্রি। জায়গা হচ্ছে এক গীগা। দাম নিল 2600 টাকা। বাসায় ফিরে কিছু পুরনো দিনের গান ডাউনলোড করে কানে দিয়ে ঘুমিয়ে পড়লাম। ঘুম থেকে উঠে বিকেলে বাবার সাথে বসে চা খেতে খেতে বাবা আমাকে বুঝালেন অন লাইন ব্যাংকিংএর সুবিধা, আর আমি বাবাকে বুঝালাম, এমপি থ্রির বদৌলতে গানের সিডি নিয়ে ঘুরতে হবে না। পাশে বসা আমার ভাগ্নীর মুখে হাসি। কারণ, সে জানে, সিডিগুলো এখন বিনা বাধায় তার দখলে আসবে। প্রযুক্তি নিয়ে একদিন, মুখে সবার হাসি আর আনন্দ
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।






