রাজাকার-জামাতীরা যেমন ইসলামকে তাদের একচ্ছএ স্বগর্ীয় সম্পওি বলে প্রচার করে, মনে হয় তার অন্যথা হলে আপনি মুসলমানের সংজ্ঞা থেকে বেরিয়ে আসবেন। কি ভয়াবহ অসুস্থতা। এদেশে মানুষের ধর্মবোধ ও আধ্যাত্মিকতা না পালিয়ে উপায় আছে? এদেশে ধর্মের নামে যতটা অপকর্ম হয়েছে, অন্য কোন দেশ হলে সব মুসলমান নাস্তিক হয়ে যেত। তার উপরে আছে এসব জামাতীদের মওদুদী ও ওয়াহাবী চিন্তার ভ্রান্ত ফাঁদ। এরা প্রতারিত করছে সরল সাধারণ মুসলমানদেরকে। ইসলামের নাম ভাঙ্গিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা লুটার জন্য এরা পরকালের টিকেট বিক্রি করছে। পরম করুণাময় এদের ভ্রান্ত আকীদা ও ভাবনা থেকে সকল মুসলমানের ঈমানকে হেফাজত করুক।
ধর্ম পালন কোন অন্যায় নয়, কিন্তু ধর্মের নামে উন্মাদনা, হত্যা, নির্যাতন-নিপীড়ন অনেক বেশী অন্যায় যা ক্ষমার অযোগ্য। এদেশে এসব অন্যায়-নিযর্াতনমূলক কাজের অন্যতম প্রধান হোতা জামাতীরা আজ শান্তির কথা বলে, জাতীয় ঐক্যের কথা বলে। 71'এ নির্বিচারে এদেশবাসীকে নিধন করা নিয়ে গর্ব করে। এদের ভ্রান্ত আকীদার বিরুদ্ধে কথা বললে এরা ঝাঁপিয়ে পড়ে পাশবিক শক্তি নিয়ে। এসব ধমর্ান্ধদেরকে পরিত্যাগ করতে বিদ্রোহী কবি নজরুল জোরালভাবে বলে উঠেন:
"...তোমার মিনারে চড়িয়া ভন্ড গাহে স্বার্থের জয়।
মানুষেরে ঘৃণা করি'
ও' কারা কোরান, বেদ, বাইবেল চুম্বিছে মরি মরি'
ও' মুখ হতে কেতাব-গ্রন্থ নাও জোর ক'রে কেড়ে..."
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




