somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কোন পথে যাব?

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ রাত ১২:২০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বাংলাদেশে দু'টো ধারাই বেশ শক্তিশালী হয়েছে। পথের সন্ধান করতে গিয়ে অনেকে হচ্ছে বিভ্রান্ত। অনেকের অবস্থা আবার অন্ধের হাতী দেখার মতো। একদিকে ধমর্ান্ধ মৌলবাদী রাজাকার-জামাতী শক্তির সাময়িক উত্থান ও আস্ফালন আর অন্যদিকে হচ্ছে ধর্মবিরোধী চিন্তাভাবনার প্রসার। মৌলবাদ মাথাব্যথার কারণ বলে অনেকে মাথাটাই একেবারে কেটে ফেলতে চান। দ'ুটো ধারাই ভুল। কারন, ধর্মবিশ্বাস তো ক্ষতিকর নয়। ধর্ম তো শিখায় না, মানুষের অনিস্ট করো। রগ কাটো। নির্বিচারে হত্যা করো। রাজনীতির নামে ধর্মকে ব্যবহার করো। যেমন, উওর বঙ্গে কমিউনিস্ট সর্বহারা আর সারা বাংলাদেশে মৌলবাদী জামাতীদের ধর্মভিওিক আন্দোলন "অভিন্ন উন্মাদনাকে" অবলম্বন করে এগিয়ে আসছে। দু টোই আমাদের সমাজের জন্য ক্ষতিকর, তা আমরা উপলদ্ধি করি অথবা নির্বিকার হয়ে বসে থাকি।

রাজাকার-জামাতীরা যেমন ইসলামকে তাদের একচ্ছএ স্বগর্ীয় সম্পওি বলে প্রচার করে, মনে হয় তার অন্যথা হলে আপনি মুসলমানের সংজ্ঞা থেকে বেরিয়ে আসবেন। কি ভয়াবহ অসুস্থতা। এদেশে মানুষের ধর্মবোধ ও আধ্যাত্মিকতা না পালিয়ে উপায় আছে? এদেশে ধর্মের নামে যতটা অপকর্ম হয়েছে, অন্য কোন দেশ হলে সব মুসলমান নাস্তিক হয়ে যেত। তার উপরে আছে এসব জামাতীদের মওদুদী ও ওয়াহাবী চিন্তার ভ্রান্ত ফাঁদ। এরা প্রতারিত করছে সরল সাধারণ মুসলমানদেরকে। ইসলামের নাম ভাঙ্গিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা লুটার জন্য এরা পরকালের টিকেট বিক্রি করছে। পরম করুণাময় এদের ভ্রান্ত আকীদা ও ভাবনা থেকে সকল মুসলমানের ঈমানকে হেফাজত করুক।

ধর্ম পালন কোন অন্যায় নয়, কিন্তু ধর্মের নামে উন্মাদনা, হত্যা, নির্যাতন-নিপীড়ন অনেক বেশী অন্যায় যা ক্ষমার অযোগ্য। এদেশে এসব অন্যায়-নিযর্াতনমূলক কাজের অন্যতম প্রধান হোতা জামাতীরা আজ শান্তির কথা বলে, জাতীয় ঐক্যের কথা বলে। 71'এ নির্বিচারে এদেশবাসীকে নিধন করা নিয়ে গর্ব করে। এদের ভ্রান্ত আকীদার বিরুদ্ধে কথা বললে এরা ঝাঁপিয়ে পড়ে পাশবিক শক্তি নিয়ে। এসব ধমর্ান্ধদেরকে পরিত্যাগ করতে বিদ্রোহী কবি নজরুল জোরালভাবে বলে উঠেন:

"...তোমার মিনারে চড়িয়া ভন্ড গাহে স্বার্থের জয়।
মানুষেরে ঘৃণা করি'
ও' কারা কোরান, বেদ, বাইবেল চুম্বিছে মরি মরি'
ও' মুখ হতে কেতাব-গ্রন্থ নাও জোর ক'রে কেড়ে..."
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

জাপান যেভাবে মাত্র ৭ বছরে অর্থনৈতিক পরাশক্তিতে পরিণত হয়

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:২৭



জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী হায়াতো ইকেদা ১৯৬০ সালের শেষভাগে তাঁর বিখ্যাত "ইনকাম ডাবলিং প্ল্যান" বা "আয় দ্বিগুণকরণ পরিকল্পনা" চালু করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসস্তূপ থেকে ফিনিক্স পাখির মতো জাপানের অর্থনৈতিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা কি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কাছে হেরে যাচ্ছি ০২

লিখেছেন শেরজা তপন, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৪


কাহিনীটা ৯০ এর দশকের শুরুতে। বুশ তখন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট- মার্কিনিদের আগ্রাসন চলছে তখন ইরাক জুড়ে। হাটে মাঠে ঘাটে আড্ডায় গল্প আলোচনা মিডিয়ায় এমনকি বাসর ঘরেও তখন নব পরিণীতার সাথে তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

জাতিসত্তার পরিচয়ের বাজার

লিখেছেন তানভীর রাতুল, ০৪ ঠা জুলাই, ২০২৬ রাত ৩:২১

ইতিহাসে কোনো আদর্শ সত্যিকার অর্থে মরে না। সে শুধু নাম বদলায়, পরাজিত আদর্শেরও পুনর্জন্ম হয়।

১৯৭০ সালের নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানে মুসলিম লীগ একটি আসনও পায়নি। কিন্তু সেই রাতে মুসলিম লীগ মরেনি,... ...বাকিটুকু পড়ুন

একটা ছিলো সোনার কণ‍্যা, মেঘ বরন কেশ!!!!

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ০৪ ঠা জুলাই, ২০২৬ ভোর ৬:১৩



শাওন প্রশ্ন করেছিলে ৭৮ বছর বয়স্ক একজন মহিলার। অন্তর্বাস উচিয়ে যখন অন্তর্জালে দাঁত মুখ খিচিয়ে উল্লসিত বহু পোস্টে ভেসে যায় ।কিংবা দেয়ালে সরাসরি দি লিখে প্রচার করছিলো তখন... ...বাকিটুকু পড়ুন

‘ছুটি’র স্মৃতি

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ০৪ ঠা জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:৫০

(প্রায় দু’মাস আগে লেখা। তখন গ্রীষ্মকাল হলেও ঢাকায় কয়েকদিন পরপর বৃষ্টি হতো। এখনকার মত “ঘাম ঝরে দরদর” ধরণের গরম ছিল না। রাতগুলো তুলনামূলকভাবে বেশ ঠাণ্ডা থাকতো।)

আজ খুব ভোরে (শেষরাতে)... ...বাকিটুকু পড়ুন

×