তারও অনেক বছর পর একবার ফ্লাই করছিলাম। সন্ধ্যে বেলা বিমান মাটি ছেড়ে যখন মেঘের রাজ্যের উপর দিয়ে উড়ছিল তখন সৃস্টি হলো এক স্বপ্নময় রোমান্টিক মূহুর্ত। পূর্নিমার রাতে চারদিকে ছিল রূপালী আলোর বন্যা। রূপালী মেঘগুলোর উপর ভেসে ভেসে রূপকথার গল্পের রাজকুমারের মতো আকাশচারিতার আনন্দে আমি মগ্ন ছিলাম। জানি না, এরকম অভূতপূর্ব আর অকল্পনীয় অভিজ্ঞতা আপনাদের কারও আছে কি-না? দিনক্ষণ দেখে পূর্ণিমার রাতে বিমান ভ্রমন করে দেখুন। আমি তো আর কবি নই, তাই সেই পূর্ণিমার রাতে কবিতার কোন পংক্তিমালা বেরিয়ে আসেনি। তারও বহুবছর পর যাদুঘরে গিয়ে নিজের হাতে চাঁদের মাটি স্পর্শ করলাম, তখন খুব বেদনাদায়কভাবে আমার মোহভঙ্গ হলো। স্বপ্নময়, রোমান্টিক ও রূপালী আলোময় চাঁদের সেই একখন্ড প্রস্তরকে খুব অমসৃন, তামাটে, আর কঠিন মনে হচ্ছিল। যে চাঁদের দিকে তাকিয়ে এতো কবিতা, গান আর রোমান্টিকতা, তাকে স্পর্শ করে এতো রুক্ষ ও গদ্যময় কেন মনে হলো? হয়তোবা সবটুকুই ছিল আমার স্বপ্নচারিতা!!!
"আজ জোৎস্নারাতে সবাই গেছে বনে
বসন্তের এই মাতাল সমীরণে
যাব না গো যাব না যে, রইনু পড়ে ঘরের মাঝে_
এই নিরালায় রব আপন কোণে
যাব না এই মাতাল সমীরণে..."
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ রাত ১:৩১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




