গণতন্ত্রের জন্য অনেকের অঝোর ধারায় কান্না দেখলে বুক ফেটে যায়। যাদের জন্মই হয়েছে গণতন্ত্রকে গলা চিপে হত্যা করার জন্য, তার বদলে ধর্মতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য, যারা চিরকালই গণতন্ত্রের বুকে ছুরি মেরেছে দলীয় স্বার্থ রক্ষার জন্য তারা আজ বড্ডো গণতন্ত্রকাতর হয়ে পড়েছে । কোথায় ছিল তাদের গণতন্ত্র যখন একাওর সালে এদেশবাসী আওয়ামী লীগকে ম্যান্ডেট দিয়েছিল। কোথায় ছিল তাদের গণতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ? না, ছিল না। কারণ, সেবার তারা সবাই একযোগে জামানত হারিয়েছিল। এরাই তখন পাকিস্তানী শাসকের সাথে হাত মিলিয়ে এদেশবাসীকে নিধন করেছিল।
একসময় এদের গুরু পশ্চিমা গণতন্ত্রের প্রতি বিষোদগার করেছিল। এখন আবার এরা পশ্চিমা গণতন্ত্রের পুজারী। ধর্মভিওিক রাজনীতির মজাই হচ্ছে এখানে। ধর্মের নাম বিকিয়ে যেভাবে দলীয় স্বার্থ উদ্ধার করা যায়। এবারও যখন দেশে সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ সৃস্টি হয়নি, তখন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পরিবর্তনে ও নির্বাচন বাতিলের সিদ্ধান্তে এই মৌলবাদী জামাতী দলই শুধু প্রকাশ্যে বিষোদগার করেছে। কারণ, এবারই তারা ভেবেছিল খালি মাঠে গোল দেওয়ার মোক্ষম সুযোগ । প্রধান বিরোধী দল হওয়ার এই সুবর্ণ সুযোগ হাত ছাড়া হওয়াতে হঠাৎ গনতন্ত্রের জন্য এদের মায়া কান্নার মাএা খুব বেড়ে গেছে। আমরা সমবেদনা জানাই তাদের এই বিশাল ক্ষতির জন্য। আপনারা কি এই সমবেদনা মাহফিলে যোগ দিবেন(ক্লোজআপহাসি)?
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ৯:৫১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।






