যারা প্রচন্ডভাবে হতাশ হয়েছেন তাদেরকে ধৈর্য ধরতে বলছি। না বলছি না, ভবিষ্যদ্বাণী করতে। বলছি না, গল্প ছড়াতে। বলছি না, গুজবে কান দিতে। লেখনীর মধ্যে যা বলা আছে তার ফাঁকফোকর থেকে নতুন অর্থ খুঁজে আবিস্কার করতেও বলছি না। গল্পটি মনে আছে তো? চোর ঢুকেছে ঘরে। গৃহস্থ জেগে আছে। তাকিয়ে দেখছে, চোর কি করছে। ভাবছে, দেখি না ব্যাটা এর পর কি করে? না, চোর সর্বস্ব নিয়ে চলে গেল। গৃহস্থ তখনও তাকিয়ে তাকিয়ে দেখছে আর ভাবছে দেখি না এর পরে কি করে। আমরা এধরনের জেগে থাকা গৃহস্থদের জন্য দেয়ালের লিখনী মনে করিয়ে দিতে চাই। সুঁই হয়ে ঢুকে ফাল হয়ে বের হোক এটা কারও কাম্য নয়। মাথা ব্যথা বলে মাথা কাটার প্রেসক্রিপশন স্থায়ী আরোগ্য আনবে না। যারা সাময়িক আরোগ্যে বড়োই উল্ল্লসিত, তাদের কাছে আবেদন, চোখ খুলে ট্রেন্ডটা মনোযোগ দিয়ে অনুসরণ করুন।
খুব গোলমেলে আর হৈচৈ পরিবেশে হঠাৎ করে পিনপতন নীরবতা খুব মনোযোগ আকর্ষন করে। লোকজন বিমুগ্ধ হয়। উৎফুল্ল হয়। আশায় বুক বাঁধে, থাকে অপেক্ষায়। অপেক্ষাগুলো মাস ঘুরে বছর হয়ে দশক পুরিয়ে ফেলে। গৃহস্থেরা তাকিয়ে দেখে দীর্ঘযাএা শেষে এক বুক আশার পুরোটা জায়গা দখল করে নিয়েছে দীর্ঘশ্বাস তখন তারা খুব কস্ট পায়। ঠোঁট কামড়ে কস্টটা সামলে নেওয়ার চেস্টা করে। প্রতারিত আশারা সন্ধ্যার পাখির মতো খুঁজে বেড়ায় মাথা গোঁজার আশ্রয়। বহমান জীবনের এই ধারায় কি কোনদিনও ব্যত্যয় ঘটবে না? তাই, নির্বিকার না হয়ে সজাগ ও সচেতন বিশ্লেষক মনন চাই। যে সরল বিশ্বাসে চোখ বন্ধ করে রাখবে না, যে জেগে জেগে বলবে না, দেখি না তার পর কি হয়? বরং বলবে, দেখে কি মনে হচ্ছে ঠিক পথে এগোচ্ছি? ভুল পথে পালিয়ে যাওয়া প্রেয়সীর পায়ের চিহ্ন কেবল গ্লানি ডেকে আনে।
প্রেয়সী কি জানতো মুগ্ধতা বড্ডো সাময়িক? হাত ছুঁয়ে দেওয়া অঙ্গীকার ছিল হাতে নেওয়ার কৌশল। সেই কৌশলী হাত ধরে পালিয়ে যাওয়ার আগে ভাবা উচিত ছিল। পালিয়ে গেলে যে ফেরত আসা যায় না। সময় ছিনিয়ে নেয় সবকিছু। বড্ডো নিষ্ঠুর এই সময়। কেড়ে নেয় বয়স, বিশ্বাস, সম্মান, স্বীকৃতি। চুষে ছিবড়ে সব কিছু কেড়ে নিয়ে সময়ের ডাস্টবিনে প্রেয়সীকে ছুঁড়ে ফেলে পালিয়ে যায় একসময়ের বিশ্বস্ত শক্তিমান প্রেমিকপ্রবর। ছএিশ বছরের প্রেয়সী মুখ ফুটে কিছু বলে না। সেই ব্যর্থ ও প্রতারিত প্রেয়সীর পাথর চাপা আত্মার অনুরাগীরা চলে যায় অন্য কোন অজানা দ্বীপে যেখানে চেতনার প্রজ্জ্বলিত প্রদীপে তারা আঁকে আশাহতা প্রেয়সীর বেদনার্ত মুখটির অবয়ব। হাজার বছর ধরে হেঁটে চলা অনুরাগীরা বনলতা সেনকে ফিরিয়ে আনে চেতনার অস্তিত্বে। না, তাকে আর মুখোমুখি হতে দেবে না অন্ধকারের। দেখা হবে তার সাথে আলোকিত সূর্য সকালে।
গল্প, কবিতা, প্রবন্ধ আর রম্য নিয়ে সাজানো গ্রুপ ব্লগিং সাইট [লিংক=যঃঃঢ়://ফবংযরাড়রপব.নষড়মংঢ়ড়ঃ.পড়স/] দেশীভয়েস[/লিংক] দেখার আমন্ত্রণ রইল।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।






