প্রতিবার পোস্টিং শতকের কাছাকাছি আসলেই ব্ল্লগে বক্তৃতা দেওয়ার ইচ্ছেটা বেশ তীব্র হয়ে উঠে । বাংলা ব্ল্লগে আমার চারশত পোস্ট হবে পরবতর্ী লেখায়। তাতে কি লিথব তা নিয়ে ভাবছি। এই বক্তৃতা দেওয়াটা এখানে একটা অলিখিত রেওয়াজ। কেউ মানে আবার কেই চেপে যায়। শতক আসলেই মনে হয়, নিজের ভাবনাগুলো ভেসে বেড়াক মুক্ত বিহংগের মতো। সেদিন একজন বেশ রস করেই বললো, ব্লগের আড্ডাবাজ কি স্বনামে ধরা দেবে, না আড্ডাবাজ হিসেবেই থাকবে? কঠিন প্রশ্ন: উওর নেই। আমরা সবকিছু এতো বেশী পার্সোনালাইজড করে ফেলি যে নৈর্ব্যক্তিক হওয়ার চেস্টা করাটাও এক ধরনের অপরাধ। লেখার পেছনের মানুষটা কেমন, কি করে, কি খায়, কোথায় ঘুরে-এধরণের প্রশ্নের সম্মুখীন হওয়াটা বিচিএ না। রহস্য ভেদ করার সাধ্য সাধনাটাও অপরাধ নয়। তারপরেও নৈর্ব্যক্তিক হওয়ার স্বাধীনতাটা ছিনিয়ে নেওয়া উচিত না। আড়ালে থাকুক, নিভৃতে থাকুক। নামহীন আর পরিচয়হীন ভাবেই থাকুক, সমস্যা কি? এখানে তো কোন চাওয়া পাওয়ার হিসেব নেই। কোন সনদের বালাই নেই। নেতৃত্বের কোন্দল নেই। তাহলে নৈর্ব্যক্তিক হলে সমস্যা কি?
চার শতকের লেখার আগে তাই নিজেই ঘুরে দেখলাম প্রতি শতকে আমি নিজে কি লিখেছি:
(1) [link|http://www.somewhereinblog.net/Adda/post/2766|c
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০