গতকাল সকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের বকুল তলায় বসন্ত উৎসব উপভোগ করে আজকে ভ্যালেন্টাইন দিবসের জন্য তেমন কোন মুড ছিল না। কিন্তু যিনি এই সকাল সকাল ভালবাসার ছোঁয়ায় এক কাপ চা তুলে দিলেন তার দিকে তাকিয়ে ভালবাসার অনুভূতিটা কেমন যেন মোচড় দিয়ে উঠল। পড়ার টেবিলে দেখে একটু অনুযোগের স্বরে বলে উঠল, "অন্তত আজকের দিনে রাজনীতিকে ছুটি দাও"। দেখলাম, আজকে রাজনীতি কচলালে কপালে ভোগান্তি আছে। এমনিতেই অফিস থেকে ছুটি নিয়ে রেখেছি, তাই ভালবাসা দিবসে নি:সঙ্গ প্রেমহীন দিনযাপন করতে চাই না। পাছে যদি কাছের মানুষটি নির্বাসনে পাঠিয়ে দেয় তা হলে সমূহ বিপদ। তৃষ্ণার্ত আত্মার হবে অকাল মৃতু্য।
ভালোবাসার গেরো বড্ডো শক্ত। ছেঁড়ে না, ডুবেও না। অবশ্য ডুবে ডুবে জল খেয়ে বেঁচে থাকে বহুদিন। এতে বাস করে এক ধরণের অ্যাডভেঞ্চার। ভালবাসায় বিধি নিষেধের দেয়াল যতো উঁচু হয় তা টপকানোর জন্য তত বেশী জেদ্ চাপে। তারপরে জিদের বশে দিল্লীর লাড্ডু হস্তগত করে মাংসাশী জীবন যাপন করে নিরামিষ মনকে ভর করে। এধরনের উদ্ভট ভাবনার স্পর্শে মনে উঠে আসল কিছু অমীমাংসিত প্রশ্ন। প্রেম করার চেয়ে প্রেমে পড়া কি অনেক ভাল? আর প্রেম করে পাওয়ার চেয়ে না পাওয়া কি আরও বেশী ভাল? প্রেম কি লক্ষ্য, মাধ্যম না গন্তব্য? প্রেমের শেষ কি? মিলন না বিরহ। প্রেম কি ভাল লাগার আবেশ, ক্ষণিকের মোহ না স্বপ্ন? কবি না, তাই কথাগুলো কবিতা দিয়ে সাজাতে পারলাম না। ভুক্তভোগীরা ভালভাবেই জানেন তাদের ভালবাসার অনুভূতিকে শব্দের জলরং দিয়ে কিভাবে আঁকা যায় হূদয়পটে?
ভালবাসা নিয়ে তাত্তি্বক আলোচনার সূচনা করে চমৎকার একটা রোমান্টিক দিনের বারোটা বাজিয়ে দিলাম দেখে মনের মধ্যে একটা অপরাধবোধ উসখুস করছিল। ভালবাসার রং লাগিয়ে জমজমাট কোন আড্ডা ফাঁদতে পারলাম না। তবে কথা দিচ্ছি আজকে সন্ধ্যায় চাইনীজে নিয়ে একটা সারপ্রাইজ দেব। সেই খবরটটা অন্য কোন সময় না হয় শেয়ার করব। তবে ভালবাসা দিবসে সবচেয়ে বড়ো খবর হচ্ছে [link|http://www.manabzamin.net/lead-03.htm|wek jvL

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।
