(রাজাকারমুক্ত চিন্তার দিগন্ত)
পারস্যের কবি শেখ সাদী একবার বলেছিলেন, "মুখে না পারলে হাতে"। কথাটা এদেশের জন্য বেশী প্রযোজ্য। কথার সাজে, যুক্তির মারপ্যাঁচে, বিচার-বুদ্ধির ভিওিতে, আর সুস্থ মননে যখন প্রতিপক্ষ রণভঙ্গ দেয়, তখন সে অশালীন অশ্রাব্য উক্তি উচ্চারন করে, মূঢ়ের মতো আচরণ করে। প্রমাণ করে শেখ সাদীর প্রবাদ বাক্যকে অমোঘ সত্যে। এর বিস্তর উদাহরণ আমাদের চারপাশের লেখায় আর ভাবনায় প্রতিনিয়ত দেখা যায়।
প্রশ্নের উওর না জানলেও নিবের্াধের মতো প্রলাপ বকতে থাকে। তাতে সুস্থ মনে হাসি আসলেও আমার মনে জাগে করুণা। অসুস্থ নিবের্াধদেরকে নিয়ে ব্যঙ্গ করা সত্যি বেদনাদায়ক। যেখানে চৈতন্যের অকাল মৃতু্য সেখানে বিচার-বিবেচনার মূল্য যে একেবারেই শূণ্য। তাই আড্ডাবাজ তুলে ধরতে চায় ইতিহাসের অমোঘ লেখনী। একাওরের আগস্ট মাসে যখন এদেশের দামাল ছেলেরা বাংলাদেশকে স্বাধীন করার জন্য জীবন বিসর্জন করছে, তখন জামাত নেতা গোলাম আযমের বিখ্যাত উক্তি ভুলি কি করে?
যুদ্ধাপরাধী গোলাম আযম বলেন, "বিচ্ছিন্নতাবাদীদের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করার জন্য শান্তি কমিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। শান্তি কমিটি যদি দুনিয়াকে জানিয়ে না দিত যে পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ দেশকে অখন্ড রাখতে চায়, তবে পরিস্থিতি অন্যদিকে মোড় নিত।...পাকিস্তান টিকে থাকলে আজ হোক কাল হোক বাঙ্গালী মুসলমানদের হক আদায় হবে। কিন্তু আজাদী ধ্বংস হলে মুসলমানদের শৃগাল-কুকুরের মতো মরতে হবে" (দৈনিক পাকিস্তান, আগস্ট 16, 1971)।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।
