somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বর্তমান প্রেক্ষাপটে সৃজনশীল,সৃজনশীল নিয়ে জাফর ইকবাল স্যারের ভাবনা এবং আমার কথা

০৩ রা আগস্ট, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:৩৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


আমার বোনের মতে সৃজনশীল শুরু হয় ২০০৮ সালে।আমি সেটাই ধরে নিলাম। এবং যখন প্রথমে হয়েছে আমি তখন সৃজনশীলতার গুন দেখে আবেগে অস্থির!কারন তখন শুনেছিলাম এই পদ্ধতিতে কোন গাইড পড়া লাগে না!কোন কোচিং এ যাওয়া লাগে না!আমার এই দুইটা জিনিস অসহ্য লাগে।তাও বর্তমান প্রেক্ষাপটের কারনে এবং মা-বাবার চাপে এই দুইটা জিনিসেরই আমি ভুক্তভুগী!কি করব?কিছু করার আছে কি?সৃজনশীলতার এই যুগে যেন কোচিং আর গাইডের রম-রমা ভাবটা বেশিই।অথচ সৃজনশীলের ডিকশনারিতে কোচিং আর গাইড বলতে কোন শব্দ নেই!কিন্তু সৃজনশীল হওয়ার পর থেকে আমরা যেন এই দুইটা জিনিসের ওপরেই গুরুত্ব দিচ্ছি বেশি!কেন?সৃজনশীল পড়তে গেলে কি এসব করতেই হবে?আমি বোধহয় অন্যদিকে চলে যাচ্ছি!শিরোনামের সাথে হয়ত আমার কথা মিলছে না!আচ্ছা আসোল কথায় আসি..
আমার প্রথম প্রশ্ন সৃজনশীল কি আমাদের দেশে আদৌ কাজ করছে?যে দেশের স্কুলে কোচিং খুলে অন্যের ভয়ে নাম দেয় "বিশেষ ক্লাস" সেই দেশে কি আদৌ সৃজনশীল কোন কাজে লাগবে?এই সব বিশেষ ক্লাসেই গেলে যখন পরীক্ষার প্রশ্ন হাতে ধরিয়ে দেয় তখন আদৌ কি সৃজনশীল কাজে লাগবে?যেসব স্যারেরা পরীক্ষায় গাইড ব্যাবহার করে প্রশ্ন করে সেখানে সৃজনশীল কিভাবে কাজ করবে একটু বলবেন?
গাইডে দেখবেন প্রচুর প্রশ্ন দেওয়া থাকে।তাহোলে একজন শিক্ষার্থী নিশ্চয় বই বাদ দিয়ে গাইড পড়বে?কারন গাইড পড়লে তো তারই লাভ!গাইড পড়লে অতিসহজে সে পরীক্ষায় সব প্রশ্ন এটেন্ড করতে পারবে।আমার মতে শিক্ষদেরকে সৌজন্য কপি না দেওয়াই উত্তম।এই সৌজন্যকপির জন্যেই তারা বই বাদ দিয়ে গাইড থেকে প্রশ্ন করে।যখন কস্ট কমাবার ঔষধ হাতের কাছেই আছে তখন ফালতু কস্ট কেন করবে?আদৌ কি সৃজনশীল কাজে করবে?

জাফর স্যার'রা মিলে এই সৃজনশীল তৈরি করেছিলেন।কিন্তু স্যার'রা তখন যা ভেবে সৃজনশীল করেছিলেন এখন সেইসব বিষয় তাদের ভাবনার বাইরে। তারা কি স্কুল, কলেজের এই সব কান্ড জানে?জানলে মনে হয় আর সৃজনশীল রাখত না। তবে শড়ড়ীজোণষীল করার পেছনের মূল কারন্টা জাফর ইকবাল স্যারদের ঠিক ছিলো।এটা তার বক্তব্য শুনে বা তার ফেসবুক পেজ থেকে কলাম পড়লেই বোঝা যায়।

আমার মতে বর্তমান অবস্থ্যা বা আমার এই দেশে সৃজনশীল কোন কাজে লাগবে না। আমি পিচ্চি শিক্ষর্থী থেকে শুরু করে সবার কাছে শুনেছি, সৃজনশীলে কি তারা খুশি।না,তারা খুশি না।বিশেষ করে গণিতে এবং জ্যামিতিতে।নাকি তারা লিখতেই পারে না।আমিও অবশ্য পারি না!যেসব দেশে উক্ত বিষয়ে জোরদার নেই,সেখানে সৃজনশীল যে সবাই পারবে তার কোন কথা নেই।উক্ত বিষয় গুলো আমি প্রথম প্যারায় উল্লেখ করেছি।উক্ত বিষয়গুলা বিবেচনা করলে বা বিবেচনা করে সৃজনশীল করলে আমার মনে হয় সৃজনশীল যথাযথ ভাবে কাজে লাগত।আর তা না হলে আমরা কখনো সৃজনশীল নামক এত সুন্দর একটা পদ্ধতির শুধু খারাপ জিনিস্টাই ভেবে যাব।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা আগস্ট, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:৩৪
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ছবি ব্লগ- মেঘলা আকাশ

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ১৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৫:৩৮

তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস
সময় সন্ধ্যা ৭টা বেজে ৪০ মিনিট
জানালা থেকে ঐ বাঁ দিকে Lake Ontario -র জল আর আকাশের মেঘের মেলা মিলেমিশে একাকার


একটু আলোর রেখা
টরোন্টো... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছোট ব্যবসা, বড় আইডিয়া: প্রযুক্তি না নিলে পিছিয়ে পড়বেন কি?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৩



বাংলাদেশে ছোট ও মাঝারি ব্যবসা (SMEs) মানেই হচ্ছে “চা খেতে খেতে বিজনেস প্ল্যান” - কিন্তু বাস্তবতা হলো, এখন শুধু চা আর আড্ডা দিয়ে ব্যবসা চলে না, দরকার প্রযুক্তির ব্যবহার।... ...বাকিটুকু পড়ুন

সন্তানকে দ্বীনদার হিসেবে গড়বেন যেভাবে

লিখেছেন মোঃ ফরিদুল ইসলাম, ১৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৮:৪৯

মুসলিম বাবা-মা হিসেবে কখন থেকে বাচ্চাকে ইসলাম সম্পর্কে ধারনা দিবো? এজ আর্লি এজ পসিবল।
মনে হতে পারে বাচ্চা বুঝবে না, কিন্তু ব্রেইন ঠিকই ক্যাচ করে নিবে।
একটা রাফ গাইডলাইন আছে এখানে বাচ্চার... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেষ বিকেল Last Afternoon

লিখেছেন তানভীর রাতুল, ১৮ ই এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৫:০৫

এই পৃথিবীতে শেষ বিকেলে আমরা কেটে ফেলি দিনগুলো
আমাদের শরীর থেকে, আর গুনি সেই হৃদয়গুলো যা আমরা নিয়ে যাব
এবং যেগুলো যাব এখানে রেখে। সেই শেষ বিকেলে
আমরা কোনো কিছুকে বিদায় বলি না,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×