ওর স্যালাইন বাংলাদেশি বিজ্ঞানদের আবিষ্কার, এই আবিষ্কারের ফলে মরণ ব্যাধি ডায়রিয়ার হাত থেকে মানব মৃত্যুর হার কমিয়ে দিয়েছে বিস্ময়কর ভাবে। অবশ্যই সেই আবিষ্কারের পেটেন চলে গেছে এসএসসি নামে একটি বহুজাতিক কোম্পানির হাতে। অপর দিকে কৃষি বিজ্ঞানীদের আবিষ্কার সম্মিলিত বালাই দমন পদ্ধতি, যেটা কৃষকদের একেবারে নিজস্ব পদ্ধতিগত ব্যাপার, অর্থাৎ প্রকৃতগত ভাবে ফসলের জন্য ক্ষতিকারক কীট-পতঙ্গ ধ্বংস করা। এখানে যেহেতু বহুজাতিক কোম্পানি ব্যবসা করার সুযোগ নেই, তাই এই আবিষ্কারকে আতুর ঘরেই আটকে রাখা হয়েছে, ব্যাপক আকারে কৃষকের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার কোন উদ্যোগেই রাষ্ট্র নেয় নাই, তাই দেশের বাজার দখল করে আছে বহুজাতিক কীটনাশক কোম্পানিগুলো। এই কীটনাশকের ভয়াবহ ব্যবহার সম্পর্কে এক গবেষণা থেকে দেখা যায়: ফুলকপি প্রতি কেজিতে ২০ মিলিগ্রাম পর্যন্ত ম্যালাথিয়ন মানব দেহের জন্য সহনীয়, কিন্ত পাওয়া গেছে ৭২৯ মিলিগ্রাম।আবার ক্লোরোপাইরিফস ২০গ্রাম পর্যন্ত সহনীয় হলেও পাওয়া গেছে ৭২৯ গ্রাম। এভাবেই প্রায় শাক-সবজিতে সহনীয় মাত্রার প্রায় ১২ থেকে ৩৬গুণ পর্যন্ত বেশি মাত্রার কীটনাশক পাওয়া গেছে। যা আমাদের ক্রমশ মৃত্যুর দিকে নিয়ে যাচ্ছে, তবে এই মৃত্যু মানে ছটফট করা হঠাৎ মৃত্যু নয়, এমন মৃত্যু যাতে আপনার মৃত্যু নিয়েও আরেক দফা ব্যবসা করে নিতে পারে, ঔষধ কোম্পানিগুলো। মনে রাখতে হবে এই পুঁজিবাদী সমাজ আপনাকে নিয়ে ব্যবসা করবে, সেই ব্যবসার বিনিময় মৃত্যু দেবে আবার সেই মৃত্যু নিয়েও ব্যবসা হবে!
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:৩৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




