তারেক রহমান এবং একে খন্দকারের সবচাইতে বড় মিলটি হলো দুজনেই উপকারীর উপকার অস্বীকার করতে বিন্দুমাত্র লজ্জাবোধ করেন না।
তারেক রহমানের বাবার নাম একে খন্দকার
এই কথাটি বিএনপি নেত্রি, জনাব আরাফাত রহমান কোকোর মা খালেদা জিয়ার বিশ্বাস করতে যতটা কষ্ট হবে, নিঃসন্দেহে বাংলার জনগণের তার চাইতে বেশি কষ্ট হয়েছিল জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি এই কথাটি বিশ্বাস করতে।
যাই হোক মা-ছেলে দুইজনে জনগণের তীব্র বিরোধীতার মুখে মার্চ মাসের পর থেকে আর কোনও সভায় প্রথম রাষ্ট্রপতি উচ্চারণ করতে সাহস পায় নি।
যাই হোক মূল আলোচনায় আসি, একে খন্দকার বলছেন বঙ্গবন্ধু ২৫-২৬ মার্চ রাতে গ্রেফতার হওয়ার আগে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে যান নি।
কিন্তু তারেক জিয়ার বাবার প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে, জিয়াউর রহমানের আমলে রচিত স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্রে স্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধ আছে বঙ্গবন্ধু গ্রেফতার হওয়ার পূর্বে স্বাধীনতা ঘোষণা করে যান- "This may be my last message. From today, Bangladesh is independent." সরকারীভাবে এই বার্তাটি গৃহীত হয়।
২৬শে মার্চ বঙ্গবন্ধুর বার্তা টিঅ্যান্ডটি থেকে প্রচার করার কারনে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে শহীদ ইঞ্জিনিয়ার নুরুল হককে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

শহীদ ইঞ্জিনিয়ার নুরুল হক
একে খন্দকার আওয়ামীলীগের মন্ত্রী ছিলেন, আর তারেকের মাকে ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য জিয়াউর রহমানকে বঙ্গবন্ধু যদি বাধ্য না করতেন, তাহলে হয়তো তারেককে বেশ্যাপল্লীতে হাতে লাল রুমাল ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে খানকিদের দালালি করতে হতো, বিএনপির ভাইস-চেয়ারমেন হওয়া লাগত না।
মানুষ হলে বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে একটা শব্দ উচ্চারণ করার আগে তাদের অন্তরাত্মা কেঁপে উঠত।
টাকা-পয়সা, ক্ষমতা, সংবাদ শিরোনামে থাকার স্বার্থে মানুষ কতটা কৃতঘ্ন হতে পারে, কতটা অমানুষ হতে পারে তার দৃষ্টান্ত আর কতবার দেখে আমাদেরকে লজ্জিত হতে হবে?
আমরা ত কৃতঘ্ন জাতি না, কিন্তু তারপরও কতিপয় কুলাঙ্গারের কারনে কেন বারবার আমাদের এ অপবাদ মাথায় নিতে হবে?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।