/স্বাধীনতা বিরোধীদের safe home আগে ছিলো লিবিয়া আর এখন হলো তুরস্ক।
/শুধু তাই না, তারা খোলাখুলি ভাবেই আমাদের স্বাধীনতা বিরোধী জামায়াতের সাথে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তুলেছে। ৭১ এর মানবতাবিরোধী অপরাধের সাথে জড়িত একটি সংঘটনের সাথে (তাও অন্য একটি দেশের) মিলে ঝুলে তুরস্ক কোন স্বার্থ অর্জন করতে চায়? বাংলাদশের রাজাকার ফাঁসিতে লটকালে তুরস্কের সাংসদরা শোকে মৃত্যু পথযাত্রী হয়ে যায়।
/এনজিও funding এর নামে অনেক অর্থ ফি বছর তুরস্ক থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিরোধী জঙ্গী সংগঠন গুলো পেয়ে থাকে। মূলত: এসব terrorist financing ছাড়া আর কিছুই না।
বাংলাদেশের উচিত,
/কালবিলম্ব না করে terrorist financing হচ্ছে এরকম সন্দেহজনক লেনদেনের (suspicios transaction) হিসাব সমূহ দ্রুত freeze করতে হবে।
/তুরস্কের বিদ্রোহী কুর্দী গ্রুপ সমূহের (Kurdistan Workers' Party-PKK) সাথে যোগাযোগ শুরু করা।
/আমাদের সাংসদদের একটা গ্রুপের আর্মেনিয়া যাওয়া উচিত। সেখানকার তুর্কী গণহত্যা বিষয়ক Tsitsernakaberd Memorial Complex ঘুরে দেখা। সেখানে ফুল দেয়া। কারন বাংলাদেশের ৭১ এর গণহত্যাকারীদের সাথে তুরষ্ক সক্ষতা বজায় রাখলে বাংলাদেশের পক্ষে এমন অবস্থা নেয়া খুবই justified হবে। অন্যায় হবে না।
/সাইপ্রাস বিষয়ক ইস্যুতে বাংলাদেশকে গ্রিসের প্রতি সমর্থন জানাতে হবে।
/এবং অতি অবশ্যই আমাদের দেশ (পাকিস্তান) এর সম্পাদক সহ আরও যে সকল জঙ্গী তুরষ্কের সুরক্ষা নিয়ে সেখানে অবস্থান করছে, তাদের বাংলাদেশের কাছে প্রত্যর্পণ না করা এবং উপরে বর্ণিত বাংলাদেশ বিরোধী কার্যক্রম থেকে বিরত না হওয়া পর্যন্ত,
“বাংলাদেশ তুরস্কের ব্যাপারে নমনীয় হবে না, এমন বার্তাই আঙ্কারাকে পৌঁছে দিতে হবে”।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১:৩৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



