somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

গণমাধ্যমে এসে গেলেন তো ফেঁসে গেলেন

০৭ ই জুন, ২০২৪ সকাল ১১:৪২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



বাংলাদেশে দূর্নীতি ছিল, আছে এবং থাকবে। কারণ এদেশে একজন আমলা থেকে কামলা পর্যন্ত সবাই দূর্নীতিপরায়ন । যারা দূর্নীতি করেন না তারা হয় সুযোগের অভাবে চরিত্রবান অথবা সাহসের অভাবে নীতিবান। এ দেশে দু-চারজন যারা সত্যি সাত্যি সৎ তারা এক্সেপশনাল, তাদের প্রতি রইল শ্রদ্ধা। একজন দূর্নীতিগ্রস্থ মানুষ অনেকটা আইস বার্গ বা হিমবাহের মতো, যার ১০ ভাগ থাকে পানির উপরে বাকি ৯০ ভাগ পানির নিচে। পানির উপরের দশ ভাগ দেখেই তার কর্মকাণ্ড সম্পর্কে কারও বুঝতে অসুবিধা হয়না।

সরকারী যে সমস্ত দপ্তরে দূর্নীতির সুযোগ আছে সে সব দপ্তরের কর্মচারী/ কর্মকর্তাদের প্রত্যেকের জীবনযাত্রার মান দেখলেই বৈধ আয়ের সাথে সেই মানের যে বিস্তর পার্থক্য সেটা বুঝা যায়। এই পার্থক্যটা কেন তা বুঝতে কারোর অসুবিধা হয় না। তারপরও আমরা তাদেের সাথে বন্ধুত্ব করি, আগ বাড়িয়ে সামাজিক সম্পর্ক তৈরী করি, এমনকি আত্মীয়তাও করি। তার মানে হচ্ছে আমাদের মধ্যেও রয়েছে একটা কলুষিত লোভী মন। সব কিছু জানা বুঝার পরও আমরা এমন ব্যক্তির সাথে চলতে দ্বিধা করিনা, দূর্নীতি গ্রস্থ ব্যক্তিও জানেন সবাই তার দূর্নীতির কথা জানে- বুঝে কিন্তু তারপরও তিনি সমাজে বুক ফুলিয়ে চলতে সংকোচ করেন না। সব কিছু ওপেন সিক্রেট, তারপরও কোন সমস্যা নাই।

কিন্তু গণেশ উল্টে যায় তখন যখন সিক্রেটটা খসে পড়ে ওপেন হয়ে যায়, পত্রিকার পাতায় বা টিভির কোন নিউজ চ্যানেলে সে সব চিত্র ফুটে উঠে। সাথে সাথে কিস্তিমাত; তখন তিনি একেবারে একঘরে। যে নেতার পায়ে তিনি নিত্য দিন উপঢৌকন পৌঁছে দিতেন সেই নেতার দরজা পর্যন্ত আর যেতে পারেন না, যে হালুয়া রুটি খোর উচ্ছিষ্টটুকু খাওয়ার জন্য পায়ের কাছে মেকুর এর মতো বশে থাকতো সেও তার উপর বিষ্টা ত্যাগ করে সরে পড়ে। এটাই হচ্ছে সমাজের চরিত্র।

তবে শত নিরাশার মধ্যও আশার কথা হচ্ছে সামষ্টিক ভাবে আমাদের সমাজের মনে হয় এখনও একটা ইতিবাচক চরিত্র আছে তাই দূর্নীতি করুন কোন সমস্যা নাই, সবাই জানুক তাতেও কোন সমস্যা নাই কিন্তু গনমাধ্যমে এসে গেলেন তো ফেঁসে গেলেন।

ছবিঃ নেট থেকে
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই জুন, ২০২৪ সকাল ১১:৫০
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

=মনের মোহ দূর করে দাও প্রভু=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১৩ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১২:০৮


ও আল্লাহ্ গো তোমার দেয়া, শ' নেয়ামত ধুলায়,
তোমার রহমত তবু যে হায় -শয়তান এসে ভুলায়;
মাটির মাঝে খাদ্য শস্য, আকাশ মাঝে বৃষ্টি,
সব মিলিয়ে রঙ বাহারী - এই দুনিয়ার সৃষ্টি।

ডাকলে তোমায় মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশী বিদেশযাত্রা: জালিয়াতি, ধান্দাবাজি আর অপসেশনের করুণ কাহিনী

লিখেছেন মুহাম্মদ তমাল, ১৩ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ৭:২৩



আমরা বাংলাদেশীরা আসলে এক আজব চিজ! নিজেদের পায়ে কুড়াল কেমনে মারতে হয়, আর একটা জ্যান্ত অপারচুনিটিরে কেমনে লাথি মেরে ড্রেনে ফেলতে হয়—সেটা আমাদের চেয়ে ভালো এই দুনিয়ায় কেউ জানে না।... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনি যদি আরও ২০ বছর পিছিয়ে যেতে পারতেন তাহলে আপনি কী এমন কাজ করতেন?

লিখেছেন রাজীব নুর, ১৩ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ১০:৩৭



দশ বা বিশ বছর পিছিয়ে যেতে পারলে দেশটাকেই হয়তো বদলে দিতে পারতাম!
নিদেরপক্ষে সংসদে রাজাকারদের প্রবেশ করতে দিতাম না। ওদের রাজনীতি করতে দিতাম না। যারা বাংলাদেশ চাহেনি, তারা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সংসদে যা ঘটেছে সেটা কি অপ্রত্যাশিত ছিল ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৮:৪৯


দুই দিন আগে কুমিল্লার পরিচিত এক মুদি দোকানে সদাই কিনতে গিয়েছিলাম; সেখান থেকে প্রায়ই বাজার করি। হিসাব মেলাচ্ছিলাম, হঠাৎ তিনি উত্তেজিত হয়ে বলে উঠলেন—"আগামীকাল তো সংসদ! হাসনাত আবদুল্লাহ... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার কালপুরুষ ভাইয়া

লিখেছেন অপ্‌সরা, ১৩ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:০০


আমার কালপুরুষ ভাইয়া। গত ৭ই মার্চ যিনি এই পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছেন না ফেরার দেশে। খবরটা আমি জানার পর থেকেই মনটা খারাপ হয়ে আছে। ভাইয়া... ...বাকিটুকু পড়ুন

×