
বাংলাদেশের আকাশে উঁকি দিয়েছে নতুন চাঁদ। আগামী ২২ তারিখ পবিত্র ঈদুল আযহা পালিত হবে। আমরা মুসলিমরা প্রতিবছর পশু কোরবানির মাধ্যমে ঈদুল আজহা পালন করি। প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ পশু বাংলাদেশ কোরবানি করা হয়। কোরবানি নিয়ে বাংলাদেশের মানুষের মাঝে উৎসাহের কমতি নেই
কোরবানিতে নতুন গরু কেনা, পরিচর্যা করা, কুরবানী করা মাংস কাটা, মাংস বিতরণ ইত্যাদি ইত্যাদি কর্মকাণ্ড মহা সমারোহ ঘটে থাকে।
কুরবানী কবুল হওয়ার কিছু পূর্ব শর্ত রয়েছে। তার মধ্যে হালাল রুজি অন্যতম। মানে আপনার কুরবানী আল্লাহর দরবারে কবুল হওয়ার জন্য সর্ব প্রথম শর্ত বৈধ ইনকাম। আপনার টাকা অবশ্যই হালাল হতে হবে। কোরবানির ত্যাগের শিক্ষার সাথে সাথে বৈধ ইনকামের শিক্ষা ও আমাদের গ্রহণ করতে হবে।
সুদ,ঘুষ, দুর্নীতি, মানুষের টাকা মেরে খাওয়া ইত্যাদি কখনও বৈধ ইনকাম হতে পারে না। এগুলো দিয়ে কুরবানী তো দূরের কথা কোন ইবাদত কবুল হয় না। তাই আমাদের সকলকে সতর্ক থাকতে হবে।
তাই কুরবানীর মাধ্যমে হালাল ইনকামের প্রচেষ্টা শুরু হোক সবার মধ্যে। বাংলাদেশ অন্যতম দুর্নীতিগ্রস্থ দেশ। বাড়তি টাকা ইনকামের সবচেয়ে সহজ উপায় হল দুর্নীতি। এবারের কুরবানীটি হোক দুর্নীতিমুক্ত টাকায়। আর আমাদের বাংলাদেশ হোক আরো সুন্দর।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই আগস্ট, ২০১৮ সকাল ৮:৩৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



