মানুষগুলো আর মানুষ নেই।
"প্রান থাকলেই প্রানী হয় কিন্তু মন না থাকলে মানুষ হওয়া যায় না।"
কথাটা একেবারে সাচ্চা।
গুটি কয়েক মানুষের উপর গবেষণা করে দেখলাম তাদের কারো মধেই মনুষত্ব নামক মুল্যবান জিনিসটি বিদ্যমান নহে।
যেসব পেশার মানুষের উপর গবেষণা টা করেছি তারা হল:
ডাক্তার: এরা রোগীর জিবন বাঁচাতে একদম কাজ করে না, কাজ করে মোটা অংকের টাকার জন্য। নচিকেতা ডাক্তারদের কষাই এর সাথে তুলনা করেছিলেন কিন্তু কষাই উপাধি ডাক্তারদের জন্য যথেষ্ট নয়। কষাইদের মধ্যে মনুষত্ববোধ বলতে কিছু থাকে কিন্তু ডাক্তারদের মধ্যে থাকে না। কষাই তো পশু জবাই করে আর ডাক্তাররা মানুষ। তাই আমার মতে কষাই এর সাথে ডাক্তারদের তুলনা করলে কষাইদের ছোট করা হবে। তার চেয়ে ডাক্তারদের জল্লাদের সাথে তুলনা করা হোক।
পুলিশ: সামান্য কটা টাকা ঘুষ না পেলে এরা অন্যায়ভাবে বাপকেও জেলে ঢুকাতে প্রস্তুত।
সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে এদের তদন্তের গতি কচ্ছপের গতির সমান। আর নিরীহ মানুষদের অন্যায়ভাবে ধরতে এদের গতি 5 g কেও হার মানাবে।
রাজনৈতিক নেতা: মিথ্যা কথায় নোবেল দিলে আমাদের দেশের রাজনীতিবিদরাই মনোনয়ন পেত এতে কোন ভুল নেই। নির্বাচনের আগে এরা পায়ের জুতো পাতলা করে ফেলে মানুষের খোজ খবর নেবার জন্য আর নির্বাচিত হলে জনগনের পায়ের জুতো পাতলা হয়ে যায় এদের খুঁজে বের করার জন্য।
চোর: কখন কার জিনিস চুরি করতে হবে সে জ্ঞান এদের একদম নেই।
সুযোগ পেলে ছাত্রদের জিনিসপত্র চুরি করতেও এরা দ্বিধা করে না।
তবে পেটের টানে এখন আর কেউ চুরি করে না এখন সবাই সৌখিনতার জন্য চুরি করে।
মজার ব্যাপার হল, কখনও কখনও চোরের জিনিসও চুরি হয়ে যায়।
ছাত্র: বাবার পকেট কেটে বান্দবীকে নিয়ে দিনরাত পার্কে বসে থাকে।
আরও কত কি যে করে তা না হয় নাই বললাম।
তবে সিনেমা হলের পিছনের সিটে জায়গা মিলে গেলে বোকা ছেলেটাও চালাক হয়ে যায়। কারন পাশে যে বসা তার পিছনে তো আর কম টাকা খরচ করে নি।
আর মেয়েও কৃতজ্ঞ, টাকা খেয়ে আস্তে করে বলে দিয়েছে, "যা খুশি কর বাধা দেব না।"
গরিব মানুষ: পকেটে টাকা কম বলে অন্যায় করার মত দঃসাহস দেখায় না তবে মনে মনে সবসময় প্রার্থনা করে বলে, "আল্লাহ পথে যেন ২০০০০ টাকা কুড়িয়ে পাই।"
[এবার আপনারাই বলুন কাকে রেখে কাকে ভাল বলব।সবাই সমান সমান পয়েন্ট অর্জন করে বসে আছে।]
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে জুন, ২০১৫ রাত ১০:৪৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



