বদলে যাচ্ছে পৃথিবী। বদলাচ্ছে দেশ। বদলে যাওয়ার ছোয়া লেগেছে দেশের প্রকৃতিতে। দেশের প্রতিটি পরিবার পরিনত হচ্ছে একক পরিবারে। ফলে প্রয়োজন হচ্ছে নতুন নতুন ঘরবাড়ি এবং এর জন্য কাটা হচ্ছে গাছপালা। বিনষ্ট হচ্ছে ফসলি জমি, বন ও পাহাড়। যার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পরিবেশ, কমে যাচ্ছে দেশের খাল-বিল,নদ-নদী। নদ-নদীর পানি দূষিত হচ্ছে। পানিতে থাকা মাছ ও রেহাই পাচ্ছে না এ ক্ষেত্রে। অপরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠছে শহর। মানুষ সবাই কাজের জন্য ভিড় করছে শহরে। বেড়ে যাচ্ছে শহরে মানুষের চাপ। নির্বিচারে কেটে ফেলা হচ্ছে গাছ। গড়ে তোলা হচ্ছে অপরিকল্পিত শহর। সেখানে পরিবেশের অবস্থা কারোরই অজানা নয়। পানি দূষন, শব্দ দূষন, বায়ু দূষন সমগ্র মিলে হয়ে যাচ্ছে পরিবেশ দূষন। যাকে বলা যায় পরিবেশের হ-য-ব-র-ল অবস্থা। পৃথীবিতে জনসংখ্যা হয়ে গেছে ৬০০ কোটি প্রায়। আর ভয়াবহ কথা হচ্ছে আমাদের এই ছোট সোনার দেশ বাংলাদেশের জনসংখ্যা ১৫ কোটি প্রায়। ১ লক্ষ ৪৭ হাজার ৫৭০ বর্গকিলোমিটারের এই দেশে ১৫কোটি জনসংখ্যা ভয়াবহ অবস্থা সৃষ্ঠি করছে। কমে যাচ্ছে আবাসস্থল, বন, আবাদি জমি, ফলে সৃষ্টি হচ্ছে খাদ্য সংকট, বন্যা,ঝড় ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ। বাংলাদেশের মত ষড় ঋতুর দেশে এসেছে পরিবর্তন। পরিবেশ বিপর্যয় বেড়ে যাচ্ছে। ঋতুতে ঋতুতে যে পার্থক্য বিদ্যমান ছিল, তা এখন আর চোখে পড়ে না। শহরে বেড়ে ওঠা শিশুরা পাঠ্য বইতে যে সবুজ শ্যামল দেশের কথা পড়ে বাস্তবে তা দেখতে পায়ে তা তাদের কাছে মনে হয় কাল্পনিক কাহিনীর মত। বাস্তবে হারিয়ে যাচ্ছে সোনার দেশ। ঢাকা সহ দেশের সব কয়টি শহর হয়ে উঠেছে কাল্পনিক পরিত্যাক্ত শহরে।
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


