somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

প্রার্থনা করি বাংলাদেশ যেন আজীবনই এমন করে প্রতারিত হয়...

২৩ শে মার্চ, ২০১৫ রাত ১২:৪২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


বাংলাদেশে ক্রিকেট ভক্তরা দুইভাগে বিভক্ত। একদল পছন্দ করে ভারত। অন্যদলের পছন্দের হল পাকিস্তান। এর মধ্যে ভারতের সাপোর্টার সম্ভাবত সংখ্যায় বেশি। এই যে আমরা দুই দলে বিভক্ত সেটা কিন্তু খেলার পারফর্মেন্সের উপর নির্ভর করে না। যারা পাকিস্তানকে সাপোর্ট করে তাদের ১০০% ই মুসলিম বলে সাপোর্ট করে। আর ভারতের সাপোর্টাররা সাপোর্ট করে তিন কারনে।
১। হিন্দু বলে
২। প্রতিবেশী বলে
৩। পাকিস্তানকে সাপোর্ট করবে না বলে।
এইযে ভারতের কাছে আমরা একটা বড় সড় বাঁশ খেলাম এটার জন্য ভারতের গুষ্টি উদ্ধার করতেই আমরা ব্যাস্ত। ব্যাপারটা সবাই কি ভাবে নিবেন তা জানি না। আমি কিন্তু বিষয়টাকে খুব পজেটিভলি নিব।
এখন আর আমরা ভারত-পাকিস্তান বলে বিভক্ত হব না। এখন আমাদের একটাই দল-বাংলাদেশ।
আমি মনে মনে অপেক্ষা করছি, ভারত যেমন একটা বাঁশ দিয়েছে ঠিক এমন একটা বাঁশ পাকিস্তান কবে দেবে?
এই প্রজন্মের জানা দরকার যে ভারত বা পাকিস্তান কেউই আমাদের বন্ধু রাষ্ট্র না। তথাকথিত হিন্দু-মুসলিম সাম্প্রদায়িকতার উপরে নির্ভর করে যে দেশ ভাগ হয়েছিল সেটা আসলে মৌলবাদকেই উস্কে দিয়েছিল। এই দুই মৌলবাদী রাষ্ট্রর সাথে বাংলাদেশের রাজনীতি হতে পারে, কিন্তু নিটোল বন্ধুত্ব না। আমরাও এক সময় মৌলবাদী রাষ্ট্র ছিলাম। কিন্তু ১৯৭১ সালেই আমরা সেই কালি ধুয়ে মুছে পবিত্র হয়েছি। আমরা কোন মুসলিম রাষ্ট্র না। আমরা কোন হিন্দু রাষ্ট্র না। আমরা কেবলই বাংলাদেশী।
এর পর থেকে আমরা ধর্মের কারনে কোন দেশকে সাপোর্ট করব না। আমরা শুধু ভালোবাসার কারনেই দল সাপোর্ট করব। সেটা শুধু মাত্র বাংলাদেশ, আর কোন দল না......
একটি পরাজয় আবার আমাদের সংঘবদ্ধ হতে সাহায্য করেছে... আমি প্রার্থনা করি এমন পরাজয়, এমন প্রতারনার স্বীকার যেন আমরা বার বার হই... যতবার প্রতারিত হব ততবার আমরা বুঝতে শিখব যে আমরা হিন্দু না, আমরা মুসলিম না, আমরা মানুষ... আমরা বাংলাদেশী...
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দেয়ালের ছবি আর বই এর পাতায় আধিপত্য দেখে ! অথচ বন্দর আর কড়িডোরের অসম চুক্তিতে সব শিয়ালের এক রা॥

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৭:১২


দেশ বিক্রির পরীক্ষিত ঠিকাদার....



দেয়ালের ছবি দেখলেই ভারতীয় আধিপত্য, আর বন্দর বেচে দিলে নীরবতা কেন?

দেয়ালে একটা ছবি আঁকা দেখলেই যাদের মুখে ফেনা উঠে যায় - "বাংলাদেশ... ...বাকিটুকু পড়ুন

মার্কিন সেনা কর্মকর্তা কর্মকর্তার মেজর নিদাল্ল হাসানের মৃত্যুদণ্ড.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:৩২



নিদাল হাসান (পুরো নাম: নিদাল মালিক হাসান) হলেন মার্কিন সামরিক বাহিনীর একজন সাবেক মেজর এবং মনোরোগ বিশেষজ্ঞ (Psychiatrist)।

২০০৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের ফোর্ট হুড সামরিক ঘাঁটিতে সংগঠিত এক... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপার ফিরে আসার পদ্ধতি কি?

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৩



আপা কেন ভারতে বেড়াতে গেলেন সেটা সবাই জানে। আগামী ডিসেম্বরে আপা দেশে ফিরে আসার আগ্রহের কথা জানিয়েছেন সেটাও সবাই জানে। আপা কিভাবে দেশ থেকে রাষ্ট্রীয় সফরে ভারতে গেলেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কি আসলেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:৪৪



“রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন “, “মূর্খের দেশে আবার কীসের বিশ্ববিদ্যালয়” – এসব প্রচারণা আমাদের দেশে অনেকদিন ধরেই হয়ে আসছে। বিশেষ করে ফেসবুকে আকছারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৯৭১ঃ নদী-নালায় ভেসে থাকা স্বদেশের কান্নাঃ শহীদদের প্রতি নিবেদিত একটি কাব্যগাথা জাতির রক্ত, অশ্রু ও স্বাধীনতার অমর ইতিহাস

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:০৫


পঁচিশে মার্চ ১৯৭১
রাত্রি তখন গভীর, নগরীর বাতিগুলো
যেন অনাগত বিপদের সামনে অসহায়
ঢাকার আকাশে হঠাৎ গর্জে উঠল কামান
ট্যাংকের চাকার নিচে কেঁপে উঠল রাজপথ
গুলি ছুটে গেল মানুষের ঘুমন্ত জানালায়
আগুন ছড়িয়ে পড়ল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×