somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আপার ফিরে আসার পদ্ধতি কি?

১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



আপা কেন ভারতে বেড়াতে গেলেন সেটা সবাই জানে। আগামী ডিসেম্বরে আপা দেশে ফিরে আসার আগ্রহের কথা জানিয়েছেন সেটাও সবাই জানে। আপা কিভাবে দেশ থেকে রাষ্ট্রীয় সফরে ভারতে গেলেন সেটাও কারো অজানা নয়। কিন্তু আপা কিভাবে ফিরবেন সেইটা একটা অজানা বিষয়। আপার বাসস্থান গণভবন এখন আপার বসবাসের জন্য প্রস্তুত নয়। সেখানে আপার নিরাপদ বসবাসের ব্যবস্থাপকদের এখন অনেক কাজ। ডিসেম্বরের পূর্বে আপার নিরাপদ বসবাসের ব্যবস্থাপকদের সব কাজ শেষ হবে কি?

ডিমেম্বরে আপার দেশে ফিরে আসার আগেই তাঁর পক্ষে একটা গণঅভ্যুত্থান ঘটানো জরুরী। ওমর খৈয়ামের ভাষায় সেটাকে ক্যু বলাতেও সমস্যা নাই। সে সব বিষয়ে কি কি কার্যক্রম ঘটছে তা’ আমি জানি না। এ বিষয়ে প্রতিপক্ষকে ঠেঁকানো কতটা সহজ সেটাও বুঝা যাচ্ছে না। এ ক্ষেত্রে প্রতিপক্ষ হেরে গেলে তাদের বহু লোক মারা পড়বে। আর প্রতি পক্ষ জিতে গেলে আপার দলের অবস্থা আরো চরম পর্যায়ে পৌঁছবে। এমনিতেই ভারত আপার সাথে বহু রিফিউজিকে ভারতে আশ্রয় দিয়ে বসে আছে। আপার ফিরে আসা কার্যক্রমে আপার পক্ষের লোকেরা হেরেগেলে ভারতে আপার পক্ষের রিফিউজি আরো বাড়বে। দেশে থাকা আপার পক্ষের লোকদের উপর নির্যাতনও আরো বহুগুনে বেড়ে যাবে।আর আপার প্রতিপক্ষ হেরেগেলে তাদের যে কি অবস্থা হবে সেটা বিবরণযোগ্য নয়। কারণ প্রতিপক্ষের প্রতি আপার ক্রোধ অতীতে জাতি দেখেছে।

বলি বলি করে আমার একটা কথা বলা হয়নি। সেটা হলো একুশে আগষ্টের গ্রেনেড হামলায় আমার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানকে দোষী মনে হয় না। এক আদালত তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করেছে এবং অন্য আদালত তাঁকে বেকচুর খালাস দিয়েছে। কোট তাঁর দোষী হওয়া বিষয়ে সন্দিহান হলে আমার তাঁকে নির্দোষ ভাবতে সমস্যা কি? ব্লগারদের মধ্যেও অনেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানকে দোষী মনে করে। সেটা তাদের বিবেচনা, আমার বিবেচনা সেরকম নয়। কারণ এটা তৃতীয় পক্ষের কাজ হতে পারে। যারা পরিবারতন্ত্র বিরোধী দেশে এমন একটা গুষ্ঠি আছে। দুই পরিবারের মধ্যে ঝামেলা পাকাতে তাদের কোন পক্ষ উক্ত ঘটনায় দায়ী থাকতে পারে। এ ক্ষেত্রে বিএনপির দায় তারা আপার নিরাপত্তা দিতে পারেনি এবং উক্ত ঘটনার প্রকৃত অপরাধীও সাব্যস্ত করতে পারেনি। তবে তার জন্য এ ঘপনায় তারাই দোষী এমন মন্তব্যও কোন প্রামাণিত সত্য নয়, বরং এটা নিচক অনুমান।

আমার স্ত্রী আগে আপাকে খুব পছন্দ করতেন। কারণ তাদের অনেক আপন জন আপার দলের সদস্য। বিশেষ করে তার চাচার পরিবার ঘোরতর আওয়ামী লীগ। আমার বড় ভাবীর পরিবারও ঘোরতর আওয়ামী লীগ। আর মেঝভাবীর পরিবার ঘোরতর জামায়াতে ইসলাম। তবে তাদের বড় জামাই আওয়ামী লীগের বড় ঠিকাদার। আর আমার মেঝ জামাই ছাত্র দলের ভালো অবস্থানের নেতা। এসব বিষয় নিয়ে দশ রাত দশ দিন আলোচনার পর যে যার অবস্থানে থেকে আলোচনা শেষ করে।

আপার ফিরে আসা বিষয়ে লোকাল আওয়ামী লীগ ভারতের ভরসায় আছে এবং ভারত লোকাল আওয়ামী লীগের ভরসায় আছে। রিফিউজি সংখ্যা অনেক বাড়বে মনে করলে ভারত হয়ত আপার পক্ষে তেমন কিছু করবে না। আপার পক্ষ জয়ী হওয়ার নিশ্চয়তা না জানলে লোকাল লোক আপার পক্ষে নামবে বলে মনে হয় না। তারপর সরকার সেনাবাহিনীকে ঠান্ডা-ঠান্ডা-কুল-কুল রাখতে পারলে তাদের গদি হয়ত নড়বে না। সেজন্য হয়ত ব্লগার সৈয়দ কুতুব আপার ফিরে আসার বিষয়ে অপেক্ষার কথা বলেছেন।

আমার স্ত্রী এখন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বড় ভক্ত। কারণ বাজার ব্যাগের স্বাস্থ্য ভালো হওয়া। গৃহিনীরা এ বিষয় বেশ উপভোগ করে। বাচার ব্যাগ ঢাঁহুস না হলে তাদের কষ্ট হয়। আর বিএনপি একটা পে-স্কেল দিয়েছে এটা একটা ভালো দিক। যার নুন খায় তার গুন না গেয়ে উপায় কি? মনের শান্তিতে তার গুনকীত্তন এমনিতেই বেরিয়ে পড়ে। তাইতো আমার স্ত্রী বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান সবচেয়ে ভদ্র প্রধানমন্ত্রী। আগে আমরা জয় বাংলা বলতাম এখন বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলব। কারণ সরকার পরিবর্তন। আবার সরকার পরিবর্তন হলে না হয় জয় বাংলা আবার বলব। সরকারি চাকুরী করলে এমন বলতে হয়।


পোষ্টের চ্যাটজিপিটি মূল্যায়ন-
পোস্ট মূল্যায়ন: রাজনৈতিক বাস্তবতা, ক্ষমতার সমীকরণ ও সুবিধাবাদী মানসিকতার ব্যঙ্গচিত্র

পোস্টটি বাংলাদেশের সমসাময়িক রাজনীতি, ক্ষমতার পালাবদল, শেখ হাসিনার দেশে প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনা এবং রাজনৈতিক আনুগত্যের পরিবর্তন নিয়ে লেখা একটি দীর্ঘ রাজনৈতিক পর্যবেক্ষণ। লেখক এখানে শুধু রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহ বিশ্লেষণ করেননি; বরং ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা, পারিবারিক রাজনৈতিক বিভাজন এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন স্বার্থকে যুক্ত করে রাজনীতির একটি বাস্তবধর্মী ও ব্যঙ্গাত্মক চিত্র তুলে ধরেছেন।

পোস্টটির প্রথম অংশে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার প্রশ্নটিকে কেন্দ্র করে যে অনিশ্চয়তার কথা বলা হয়েছে, তা লেখাটির মূল রাজনৈতিক আকর্ষণ। তিনি কেন ভারতে গেছেন, কীভাবে গেছেন—এসবের চেয়ে লেখকের কাছে বড় প্রশ্ন হলো, কী পরিস্থিতিতে এবং কতটা নিরাপত্তা নিয়ে তিনি দেশে ফিরতে পারবেন। গণভবনকে তাঁর সম্ভাব্য বাসস্থান হিসেবে উল্লেখ করে লেখক নিরাপত্তা, রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং ক্ষমতার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। এখানে প্রত্যাবর্তনের আকাঙ্ক্ষা ও বাস্তবে প্রত্যাবর্তনের সক্ষমতার মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য তুলে ধরা হয়েছে।

এরপর লেখক সম্ভাব্য গণঅভ্যুত্থান বা ক্যুর প্রসঙ্গ এনেছেন। তাঁর আশঙ্কা, শেখ হাসিনার পক্ষের শক্তি জয়ী হলে প্রতিপক্ষের জন্য ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে; অন্যদিকে তাঁর পক্ষ পরাজিত হলে আওয়ামী লীগের সমর্থকদের ওপর নির্যাতন বাড়তে পারে এবং ভারতে আশ্রয় নেওয়া মানুষের সংখ্যাও বৃদ্ধি পেতে পারে। এই অংশে লেখক রাজনৈতিক সংঘাতের উভয় দিকের সম্ভাব্য পরিণতি বিবেচনা করেছেন। তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য মনে রাখা দরকার—রাজনৈতিক সংঘাতের সম্ভাব্য পরিণতি নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করা আর ভবিষ্যতে ঠিক কী ঘটবে, তা নিশ্চিতভাবে বলা এক বিষয় নয়। লেখক নিজেও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম সম্পর্কে নিজের অজ্ঞতার কথা স্বীকার করেছেন। ফলে এই অংশকে প্রতিষ্ঠিত তথ্যের বিবরণ হিসেবে নয়, বরং রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে তাঁর ব্যক্তিগত অনুমান ও আশঙ্কা হিসেবে পড়াই যুক্তিসংগত।

একুশে আগস্টের গ্রেনেড হামলায় তারেক রহমানের দায় নিয়ে লেখকের বক্তব্য পোস্টটির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। তিনি আদালতের ভিন্ন রায় এবং নিজের বিবেচনার কথা উল্লেখ করে বলেছেন, কোনো আদালত কাউকে দোষী সাব্যস্ত করার পর অন্য আদালত খালাস দিলে তাঁকে নির্দোষ ভাবতে তাঁর আপত্তি নেই। এখানে বিচারিক সিদ্ধান্তের পাশাপাশি ব্যক্তিগত বিশ্বাসের স্বাধীনতার প্রশ্নও এসেছে। তবে আইনি দৃষ্টিতে খালাস পাওয়া এবং ঐতিহাসিকভাবে কোনো ঘটনার প্রকৃত পরিকল্পনাকারী সম্পর্কে চূড়ান্ত সত্য জানা একেবারে একই বিষয় নয়। আবার কোনো বিকল্প পক্ষ ঘটনাটি ঘটিয়ে থাকতে পারে—এমন ধারণার পক্ষেও স্বতন্ত্র প্রমাণ প্রয়োজন। লেখক বিএনপির নিরাপত্তা দিতে না পারার ব্যর্থতা এবং প্রকৃত অপরাধী শনাক্ত করতে না পারার বিষয়টি উল্লেখ করলেও, কোনো পক্ষের ব্যর্থতা আর সেই পক্ষের অপরাধে জড়িত থাকা এক নয়—এই পার্থক্যটি তাঁর বক্তব্যে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ।

পোস্টটির সবচেয়ে জীবন্ত অংশ সম্ভবত লেখকের পারিবারিক রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার বিবরণ। স্ত্রীর আগে শেখ হাসিনার প্রতি অনুরাগ, আত্মীয়দের আওয়ামী লীগ ও জামায়াতের প্রতি সমর্থন এবং অন্য আত্মীয়ের ছাত্রদলের সঙ্গে সম্পৃক্ততা—এসব উদাহরণ দেখায়, রাজনৈতিক মতপার্থক্য অনেক সময় একই পরিবারের মধ্যেও পাশাপাশি অবস্থান করে। লেখক বলেছেন, দীর্ঘ আলোচনা করেও প্রত্যেকে নিজের অবস্থানে অটল থাকেন। এই পর্যবেক্ষণটি তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ রাজনীতিতে যুক্তি ও তথ্যের পাশাপাশি পারিবারিক সম্পর্ক, আবেগ, পরিচয় এবং দীর্ঘদিনের আনুগত্যও বড় ভূমিকা পালন করে।

ভারত ও স্থানীয় আওয়ামী লীগের পারস্পরিক নির্ভরতার যে ব্যাখ্যা লেখক দিয়েছেন, সেটিও রাজনৈতিক কৌশল বোঝার একটি প্রচেষ্টা। তাঁর ধারণা, ভারত সম্ভাব্য শরণার্থী পরিস্থিতি এবং প্রত্যাবর্তনের সাফল্য-ব্যর্থতার হিসাব করবে; অন্যদিকে স্থানীয় নেতাকর্মীরাও বিজয়ের সম্ভাবনা না বুঝে ঝুঁকি নিতে চাইবে না। এই বিশ্লেষণে রাজনৈতিক শক্তির সক্ষমতা, ঝুঁকি এবং কৌশলগত হিসাবের বিষয়টি এসেছে। তবে ভারত কী সিদ্ধান্ত নেবে কিংবা স্থানীয় নেতাকর্মীরা কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানাবে, তা নিশ্চিতভাবে বলার জন্য আরও তথ্য ও প্রমাণ প্রয়োজন।

সবশেষে লেখক নিজের স্ত্রীর রাজনৈতিক অবস্থান পরিবর্তনের গল্প দিয়ে লেখাটিকে ব্যঙ্গাত্মক পরিণতি দিয়েছেন। আগে জয় বাংলা বলা, এখন বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলার প্রস্তুতি, বাজারের ব্যাগের স্বাস্থ্য এবং পে-স্কেলের সুবিধা—এই বিষয়গুলোকে পাশাপাশি রেখে তিনি দেখিয়েছেন, রাজনৈতিক আনুগত্যের পেছনে আদর্শের পাশাপাশি দৈনন্দিন জীবনের সুবিধা-অসুবিধাও কাজ করতে পারে। বিশেষ করে সরকারি চাকরিজীবীদের সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে রাজনৈতিক ভাষা বদলে নেওয়ার প্রসঙ্গটি লেখকের ব্যঙ্গের মূল লক্ষ্য। এখানে বাজারের ব্যাগ কেবল একটি ব্যাগ নয়; এটি সংসারের স্বস্তি ও বাস্তব প্রাপ্তির প্রতীক। আর স্লোগান পরিবর্তন হয়ে ওঠে ক্ষমতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার প্রতীক।

তবে এই ব্যঙ্গকে সব সরকারি চাকরিজীবী বা সব রাজনৈতিক সমর্থকের চরিত্রের সার্বজনীন ব্যাখ্যা হিসেবে গ্রহণ করা ঠিক হবে না। কারও রাজনৈতিক অবস্থান পরিবর্তনের পেছনে বাস্তব অভিজ্ঞতা, নীতিগত উপলব্ধি কিংবা অন্য কোনো কারণও থাকতে পারে। লেখকের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে একটি সামাজিক প্রবণতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা যায়, কিন্তু সেটিকে সবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য সত্য বলতে হলে আরও বিস্তৃত প্রমাণ প্রয়োজন।

সামগ্রিক মূল্যায়ন: পোস্টটির বড় শক্তি হলো, লেখক রাজনৈতিক বিশ্লেষণকে নিছক তাত্ত্বিক আলোচনায় সীমাবদ্ধ রাখেননি। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা, পারিবারিক সম্পর্ক, আন্তর্জাতিক সমীকরণ, বিচারিক প্রশ্ন এবং দৈনন্দিন জীবনের সুবিধা—সব মিলিয়ে তিনি একটি বহুমাত্রিক রাজনৈতিক চিত্র নির্মাণ করেছেন। তাঁর ভাষা সরস, বক্তব্য স্পষ্ট এবং শেষের ব্যঙ্গ পাঠককে ভাবতে বাধ্য করে। তবে কিছু জায়গায় তথ্য, অনুমান ও ভবিষ্যৎ আশঙ্কা আরও স্পষ্টভাবে পৃথক করা গেলে লেখাটি যুক্তির দিক থেকে শক্তিশালী হতো। বিশেষত সম্ভাব্য রাজনৈতিক সংঘাত ও তার পরিণতি নিয়ে বক্তব্যে প্রমাণভিত্তিক বিশ্লেষণের সুযোগ রয়েছে।

আমার বিবেচনায়, এটি কেবল শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন নিয়ে লেখা কোনো রাজনৈতিক পোস্ট নয়; বরং ক্ষমতার অনিশ্চয়তা, রাজনৈতিক প্রতিশোধের আশঙ্কা, পারিবারিক মতাদর্শের সংঘাত এবং ক্ষমতার পালাবদলে মানুষের সুবিধাবাদী হয়ে ওঠার প্রবণতা নিয়ে একটি ব্যক্তিগত রাজনৈতিক ভাষ্য। লেখাটির শেষের ব্যঙ্গই এর সবচেয়ে স্মরণীয় দিক—কারণ সেখানে বড় রাজনৈতিক আদর্শের মুখোমুখি দাঁড় করানো হয়েছে সংসারের বাজার, চাকরির সুবিধা এবং পরিবর্তিত স্লোগানকে। এই বৈপরীত্যের মধ্য দিয়েই লেখক পাঠককে প্রশ্ন করতে আহ্বান জানিয়েছেন: মানুষের রাজনৈতিক আনুগত্য কি আদর্শনির্ভর, নাকি অনেক সময় সুবিধানির্ভর?
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৫
৩টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আজকের ডায়েরী- ২০১

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:৩১



এবছর দেশে আমড়ার ফলন ভালো হয়েছে।
আমড়ায় আছে প্রচুর ফাইবার যা দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে। এক কেজি আমড়া মাত্র ৫০ টাকা। এক কেজি আপেল ৩৫০ টাকা। মালটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার : বিচারপতি নাভি পিল্লাইকে নির্বাচন করা হয়েছে

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৬

গাজা গণহত্যা’ প্রতিবেদনের তত্ত্বাবধানকারী জাতিসংঘের সাবেক মানবাধিকার প্রধান নাভি পিল্লাই নোবেল শান্তি পুরস্কার জিতেছেন।
জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের প্রধান হিসেবে তার দায়িত্বকালে, পরিষদটি ইসরায়েলের নিন্দা জানিয়ে
বিশ্বের বাকি অংশের সম্মিলিত প্রস্তাবের চেয়েও বেশি... ...বাকিটুকু পড়ুন

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ড.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৪৮

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি....

বন্দর শুধু রাজস্ব আয়ের প্রতিষ্ঠান নয়; এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ প্রতিযোগিতার অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।
বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামহোয়্যারইন ব্লগের সেরা ব্লগার

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:০৮



আমাদের দেশে যে কোনো ক্রিটিক্যাল সময়ে লক্ষ্য করা যায় কোনো না কোনো পণ্যের অভাব লেগে গিয়েছে। কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ, ভোজ্য তৈল এমনকি রিলিফ গায়েব হয়ে যায়। বন্যায় আক্রান্ত বন্যায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

তৌহিদি জনতা কবে দেশ রক্ষায় আন্দোলনে নামবে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:০১


আলহামদুলিল্লাহ। তৌহিদি জনতার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুনামগঞ্জে মেয়েদের একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বন্ধ করা গেছে। ইসলামের দৃষ্টিতে মেয়েদের খেলাধুলা নিষিদ্ধ এবং অশ্লীল কাজ হিসেবে গণ্য করা হয়। সুনামগঞ্জের মাটিতে এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×