somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মায়েরা ,আপনার শিশুকে টিকা দিন

০৫ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১:১১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


টিকা দান কর্মসূচী আবার শুরু হয়েছে,
মায়েরা আপনার শিশুকে কেন্দ্রে নিয়ে টিকা দিন
এবং সকল টিকা প্রদানের তথ্য সংরক্ষন করুন, যা আপনার সন্তানের
ভবিষ্যৎ জীবন যাপনে কাজে লাগবে ।



( স্বাস্হ্য দপ্তরের তথ্যসূত্র বলছে : বিগত ২০দিনে হামের প্রাদুর্ভাবে ৯৪জন শিশু মারা গেছে )

বাংলাদেশে সম্প্রতি শিশুদের মধ্যে হামের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এখন নয় মাসের বদলে ছয় মাস বয়সী শিশুদের হামের টিকার প্রথম ডোজ দেবে।আগে সম্প্রসারিত টিকাদান বা ই,পি,আই টিকাদান কর্মসূচি অনুযায়ী
শিশুকে নয় মাস এবং ১৫ মাস বয়সে হামের টিকা দেয়া হয়।
চিকিৎসকদের মতে, নয় মাস বয়সের আগেও শিশুরা হামে আক্রান্ত হতে পারে।
বিশেষ করে যদি সে ঝুঁকিপূর্ণ কোনো গ্রুপের মধ্যে পড়ে।
মেডিসিন বিশেষজ্ঞরা বলেন, যেসব শিশু এখনো টিকা নেয়নি, বিশেষ করে ১৫ মাসের কম বয়সী বা যারা এক বা দুই
ডোজের কোনোটি নেয়নি, তাদের মধ্যে সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি থাকে। অপুষ্টিতে ভোগা শিশু কিংবা যাদের রোগ প্রতিরোধ
ক্ষমতা কম, তাদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়।
বুকের দুধ পান করার মাধ্যমে শিশুর শরীরে মায়ের কাছ থেকে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়। তবে এই সুরক্ষা সব শিশুর ক্ষেত্রে সমানভাবে কার্যকর হয় না।যেসব শিশুরা এক্সক্লুসিভ ব্রেস্টফিডিং পায় না, বা যাদের পুষ্টিহীনতা রয়েছে, তাদের ইমিউনিটি
তুলনামূলকভাবে দুর্বল থাকে। ফলে তাদের সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

নূতন সরকার বিশেষ ব্যবস্হায় রবিবার (৫ই এপ্রিল -২০২৬ইং) থেকে টিকাদান কর্মসূচী আবার শুরু করেছে, টিকার স্বল্পতা থাকার কারনে অবহেলা না করে যদি আপনার শিশুর টিকা বাকী থাকে তবে অবশ্যই টিকা কেন্দ্রে নিয়ে যাবেন ।
এবার ৬মাস থেকেই টিকা প্রদান করবে , ৯ মাসের জন্য অপেক্ষা করতে হবেনা , কারন ভ্যারিয়েন্ট জীবানু এখন
৬ মাসেই আক্রমন করছে । সে কারনে আক্রান্তর হার বেশি এবং হাসপাতাল সমূহ রোগীর প্রচুর ভীড় থাকায়, বেড
সংকুলান হচ্ছেনা ।

শিশুদের জন্মগত ইমিউন সিস্টেম ও মায়ের মাধ্যমে প্রাপ্ত প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশিরভাগ জীবাণুর সঙ্গে লড়াই করতে পারলেও, কিছু কিছু গুরুতর রোগ আছে যার থেকে তারা সুরক্ষিত থাকে না। তাই তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করার জন্য ভ্যাকসিন প্রয়োজন। শিশুদের জন্য টিকা সম্পূর্ণ নিরাপদ।



টিকার সময়সূচী :-

টিকার সময়সূচি অনুযায়ী দেওয়া হয়। এ সময়সূচি শিশুদের জন্য যেসব টিকা সুপারিশ করা হয় তা তালিকাভুক্ত থাকে।
কোন্ টিকা, কত ডোজ এবং কোন্ বয়সে দিতে হবে তা নির্দিষ্ট সিডিউল করা থাকে।
সরকার ই.পি.আই কার্যক্রম এর মাধ্যমে অতি জরুরী ১০টি রোগের অর্থাৎ যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, ধনুস্টংকার, হুপিংকাশি, পোলিও, হেপাটাইটিস বি, পিসিভি, হিমোফাইলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা, এমআর ভ্যাকসিন দিচ্ছে। ইপিআই ভ্যাকসিন দিলে যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, ধনুস্টংকার, হুপিং কাশি, পোলিও, হেপাটাইটিস বি জন্ডিস, হাম, নিউমোকক্কাসজনিত নিউমোনিয়া, হাম ও রুবেলা থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে।
জন্মরে পর থেকে প্রথম ১৪ দিনের মধ্যে বিসিজি ও পোলিও জিরো বা প্রথম ভ্যাকসিন দেওয়া যায়।
এরপর বাচ্চার বয়স ৬ সপ্তাহ বা ৪২ দিন থেকে বাকি টিকা দেওয়া শুরু হয়।
এরপর একে একে এ টিকাগুলো শেষ করতে ১৫-১৬ মাসের মধ্যে ৫ বার টিকা কেন্দ্রে যেতে হয়।
কিশোরী বয়সের মেয়েদের ১৫ বছর বয়স থেকে ই.পি.আই কেন্দ্র থেকে ধনুস্টংকারের আবার একটি ডোজ দেওয়া হয়।
সারা দেশে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার কেন্দ্রে টিকা দেওয়া হয়।
তবে ই.পি.আই-এর বাইরেও বেশ কিছু প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিন আছে।
বিশেষ প্রয়োজনে কোনো ভ্যাকসিন একটু দেরিতে দেওয়া যায়, কিন্তু আগে দিয়ে দেওয়া যায় না।
পৃথিবীর মধ্যে বাংলাদেশে ইপিআই টিকাদান কর্মসূচি সাফল্যজনকভাবে পালন করে শিশুমৃত্যুর হার অনেক
কমিয়ে আনতে পেরেছে।এজন্য বিশ্বের দরবারে ইপিআই টিকাদান কর্মসূচি আজও প্রশংসিত।



হাম হলে কীভাবে বুঝবেন? নয় মাসের পূর্বে ছয় মাস হলেই সর্তক হোন !
চিকিৎসকদের মতে, হাম নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া। র‍্যাশ ওঠার জন্য অপেক্ষা করলে
অনেক দেরি হয়ে যায়।বর্তমান প্রেক্ষাপটে, যখনই কোনো শিশুর মধ্যে জ্বর-কাশি-সর্দির মতো উপসর্গ দেখা যাবে,
তখনই তাকে আলাদা রাখতে হবে। পাশাপাশি গলা ব্যাথা থাকতে পারে, থাকতে পারে শুকনো কাশি,
কঞ্জাংক্টিভাইটিস মানে চোখ লাল হওয়া, চোখ থেকে পানি পরাড় মত উপসর্গ।
এই লক্ষণগুলো অনেক সময় সাধারণ ঠাণ্ডা-জ্বর ভেবে অবহেলা করা হয়। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমানে যদি
এসব উপসর্গ দেখা যায়, বিশেষ করে স্কুলগামী শিশুদের ক্ষেত্রে, তাহলে তাকে বাড়িতে রাখা
এবং অন্যদের থেকে আলাদা করা জরুরী।
হাম কীভাবে ছড়ায়?
হাম একটি ভাইরাসজনিত রোগ, যা মিজলস ভাইরাসের মাধ্যমে অত্যন্ত দ্রুত ছড়ায়।
একজন আক্রান্ত ব্যক্তি তার আশেপাশের ১২ থেকে ১৮ জনকে সংক্রমিত করতে পারে।
এটি মূলত হাঁচি-কাশির মাধ্যমে, অর্থাৎ রেসপিরেটরি ড্রপলেট দিয়ে ছড়ায়।

EXPANDED PROGRAM ON IMMUNIZATION (ই.পি.আই ) :

The Expanded Programme on Immunization (EPI) vaccines is provided by the Government of Bangladesh. We at the RCMCH also maintain the cold chain and delivery of the vaccines.
GOVT SERVICE AVAILABLE
The following EPI vaccines are available for age groups for 0-2 years.
- BCG
- Pentavalent
- Inactivated Poliomyelitis Vaccine (IPV)
- Pneumococcal conjugate vaccine (PCV)
- Measles and Rubella Vaccine
- Tetanus toxoid available for women within the age group 15-49 years


নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচী :



টিকাদান কর্মসূচি কার্যকরী ও সফল করতে হলে , শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একটি সমন্বিত সরবরাহ শৃঙ্খল এবং লজিস্টিকস
সিস্টেমের উপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে। এই সিস্টেমগুলো টিকার কার্যকর সংরক্ষণ, বিতরণ, পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনাকে সক্ষম করে,
কোল্ড চেইনে কঠোর তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করতে হয়।স্থিতিস্থাপক ও দক্ষ সিস্টেম কর্মক্ষমতা বাড়াতে লজিস্টিকস ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমকে কাজে লাগায়।
চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো উৎপাদন থেকে শুরু করে পরিষেবা প্রদান পর্যন্ত মানসম্মত টিকার নিরবচ্ছিন্ন প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা,
যাতে টিকার অপ্রাপ্যতার কারণে টিকাদানের চলমান সুযোগ হাতছাড়া না হয়।
টিকাদান সরবরাহ শৃঙ্খল বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জাম, তথ্য ও নির্দেশিকা সর্ম্পকে জানুন।



টিকার বর্তমান মজুদ সর্ম্পকে অনুসন্ধানী রিপোর্ট বলছে আশংকার কথা ।
আসুন দেখি, এ আবার কেমন কথা ???

১) হাম-রুবেলা ডোজ (ভায়াল ) : প্রতি মাসে আবশ্যক : ২লাখ ১৫ হাজার (৩০শে মার্চ পর্যন্ত) > এক ডোজও নাই ।
২) ওপিভি ডোজ : প্রতি মাসে আবশ্যক : ১ লাখ ২৫ হাজার...........৩০শে মার্চ পর্যন্ত) > ৪ হাজার ৪২০ ডোজ ছিল ।
৩) টি ডি টিকা : প্রতি মাসে আবশ্যক : ১ লাখ ২০ হাজার ৪০ ...(৩০শে মার্চ পর্যন্ত) > ২০ হাজার ৬৭ যা ৫ দিন যাবে ।
৪) বি সি জি : প্রতি মাসে আবশ্যক : ১ লাখ ৩৮ হাজার ৩০৯ (৩০শে মার্চ পর্যন্ত) > ৫৫ হাজার ৩২৪ যা ১২ দিন যাবে ।
৫) প্যান্টাভ্যালেন্ট: প্রতিমাসে আবশ্যক : ১০লাখ ২০ হাজার (৩০শে মার্চ )> ৪লাখ ৩৯ হাজার ৮২৪ যা১৩দিন যাবে ।
৬) আইপিভি : প্রতি মাসে আবশ্যক : ৪ হাজার (৩০শে মার্চ পর্যন্ত) > ১২ হাজার ৮৪৩ যা ১০২ দিন যাবে ।
৭) পি সি ভি : প্রতি মাসে আবশ্যক : ২ লাখ ৬০ হাজার .......(৩০শে মার্চ পর্যন্ত) > কোন মজুদ নাই ।
৮) এইচপিভি ও টিসিভি টিকার মজুদ অনেক আছে ।

বাংলাদেশে সারা বৎসর টিকা কার্যক্রম চালু রাখার জন্য ১৫০০ কোটি টাকার আবশ্যক হয় । বর্তমানে সরকার জরুরী
ভিত্তিতে ৬০৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে, এই কার্যক্রম সচল ও সাবলীল রাখার জন্য প্রদর্শিত সাপ্লাই চেইন প্রক্রিয়া
অনুসরন করতে হয় বিধায় সংশ্লিষ্ট সকলকে সচেতন থাকতে হবে ।


.............................................................এই ফ্লো-চার্ট টি দেখুন .............................................

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলে টিকাদান কর্মসূচির বাস্তবায়ন শক্তিশালী এবং নতুন ও স্বল্প-ব্যবহৃত টিকাগুলোর নিরাপদ
ও কার্যকর প্রবর্তন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে টিকাদান ও টিকা বিষয়ক অগ্রাধিকারমূলক গবেষণা ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করার
উদ্দেশ্যে হাতে নেওয়া হয়েছিল। সামগ্রিক পদ্ধতিটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গবেষণা অগ্রাধিকার নির্ধারণ প্রক্রিয়ার নির্দেশিকা
অনুসরণ করেছে,যার মধ্যে পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন, প্রকাশ এবং মূল্যায়ন (PIPE) পদ্ধতি অন্তর্ভুক্ত ছিল।
শিশু স্বাস্থ্য ও পুষ্টি গবেষণা উদ্যোগ (CHNRI) অগ্রাধিকার নির্ধারণ পদ্ধতির কার্যক্রমটি গ্রহণ করা হয়েছে।


এ বিষয়ে চলমান আরও কিছু জানতে চাইলে আমার পূর্বের লিংকটি দেখুন ।
https://www.somewhereinblog.net/blog/swapnersankhachill/30390311
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১:১১
৩টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বিএনপি কেন “গুম সংক্রান্ত অধ্যাদেশ” বাতিল করতে চায় ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৫:৫৮


"গুম প্রতিরোধ অধ্যাদেশ বাতিলের বিরোধিতা করলাম। এই অধ্যাদেশ বাতিলের সিদ্ধান্ত আমাদের এমন ধারণা দেয় যে বিএনপি গুমের মতো নিকৃষ্ট অপরাধের বিলোপ করতে উৎসাহী নয়। তারা কেন এটা বাতিল করতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

নিখোঁজ সংবাদ

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১১:৫২



কাজকর্ম, রোজা, ঈদ, ছুটি, গ্রামের বাড়ি - সকল কিছুর পরেও আমি মাঝে মাঝেই ব্লগ পড়ি, পড়ার মতো যা লেখা ব্লগে প্রকাশিত হচ্ছে কম বেশি পড়ি। এখন তেমন হয়তো আর... ...বাকিটুকু পড়ুন

রোগাক্রান্ত সাস্থ্য ব্যাবস্থাপনা

লিখেছেন মোঃ খালিদ সাইফুল্লাহ্‌, ০৫ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১২:১৪

বাংলাদেশে স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ কম—এটা সত্য, কিন্তু শুধু বাজেট বাড়ালেই সমস্যা পুরোপুরি সমাধান হবে না। বরং ব্যবস্থাপনা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা—এই তিনটি জায়গায় শক্তিশালী সংস্কার সবচেয়ে বেশি কার্যকর হতে পারে। নিচে বাস্তবভিত্তিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভঙ্গুর ভবিষ্যৎ এর ভয় কি আমাদের শিক্ষার্থীদের জীবন কেড়ে নিচ্ছে?

লিখেছেন শরৎ চৌধুরী, ০৫ ই এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:১২


আমরা প্রায়ই একটা কথা শুনি—
“ডিপ্রেশন ছিল”, “প্রেশার নিতে পারেনি”, “পারিবারিক সমস্যা ছিল”…


তারপর গল্পটা শেষ।

কিন্তু সত্যি কি এতটাই সহজ?

বাংলাদেশে ২০২৫ সালে অন্তত ৪০৩ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে। এর মধ্যে ৭৭... ...বাকিটুকু পড়ুন

মায়েরা ,আপনার শিশুকে টিকা দিন

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ০৫ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১:১১


টিকা দান কর্মসূচী আবার শুরু হয়েছে,
মায়েরা আপনার শিশুকে কেন্দ্রে নিয়ে টিকা দিন
এবং সকল টিকা প্রদানের তথ্য সংরক্ষন করুন, যা আপনার সন্তানের
ভবিষ্যৎ জীবন যাপনে কাজে লাগবে ।



(... ...বাকিটুকু পড়ুন

×