টিকা দান কর্মসূচী আবার শুরু হয়েছে,
মায়েরা আপনার শিশুকে কেন্দ্রে নিয়ে টিকা দিন
এবং সকল টিকা প্রদানের তথ্য সংরক্ষন করুন, যা আপনার সন্তানের
ভবিষ্যৎ জীবন যাপনে কাজে লাগবে ।
(বাবারা এ ব্যাপারে সচেতন হোন এবং শিশুর মাকে সহায়তা দিন )

(স্বাস্হ্য অধিদপ্তর তথ্যসূত্র বলছে: বিগত ১৫ই মার্চ থেকে হামের উপর্সগ বা হামের প্রাদুর্ভাবে , এ পর্যন্ত মৃত্যু দেশে প্রাণ হারাল ৪৫১ জন (২০.০৫.২০২৬ ইং) শিশু মারা গেছে)
বাংলাদেশে সম্প্রতি শিশুদের মধ্যে হামের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এখন নয় মাসের বদলে ছয় মাস বয়সী শিশুদের হামের টিকার প্রথম ডোজ দেবে।আগে সম্প্রসারিত টিকাদান বা ই,পি,আই টিকাদান কর্মসূচি অনুযায়ী
শিশুকে নয় মাস এবং ১৫ মাস বয়সে হামের টিকা দেয়া হয়।
চিকিৎসকদের মতে, নয় মাস বয়সের আগেও শিশুরা হামে আক্রান্ত হতে পারে।
বিশেষ করে যদি সে ঝুঁকিপূর্ণ কোনো গ্রুপের মধ্যে পড়ে।
মেডিসিন বিশেষজ্ঞরা বলেন, যেসব শিশু এখনো টিকা নেয়নি, বিশেষ করে ১৫ মাসের কম বয়সী বা যারা এক বা দুই
ডোজের কোনোটি নেয়নি, তাদের মধ্যে সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি থাকে। অপুষ্টিতে ভোগা শিশু কিংবা যাদের রোগ প্রতিরোধ
ক্ষমতা কম, তাদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়।
বুকের দুধ পান করার মাধ্যমে শিশুর শরীরে মায়ের কাছ থেকে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়। তবে এই সুরক্ষা সব শিশুর ক্ষেত্রে সমানভাবে কার্যকর হয় না।যেসব শিশুরা এক্সক্লুসিভ ব্রেস্টফিডিং পায় না, বা যাদের পুষ্টিহীনতা রয়েছে, তাদের ইমিউনিটি
তুলনামূলকভাবে দুর্বল থাকে। ফলে তাদের সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

নূতন সরকার বিশেষ ব্যবস্হায় রবিবার (৫ই এপ্রিল -২০২৬ইং) থেকে টিকাদান কর্মসূচী আবার শুরু করেছে, টিকার স্বল্পতা থাকার কারনে অবহেলা না করে যদি আপনার শিশুর টিকা বাকী থাকে তবে অবশ্যই টিকা কেন্দ্রে নিয়ে যাবেন ।
এবার ৬মাস থেকেই টিকা প্রদান করবে , ৯ মাসের জন্য অপেক্ষা করতে হবেনা , কারন ভ্যারিয়েন্ট জীবানু এখন
৬ মাসেই আক্রমন করছে । সে কারনে আক্রান্তর হার বেশি এবং হাসপাতাল সমূহ রোগীর প্রচুর ভীড় থাকায়, বেড
সংকুলান হচ্ছেনা ।
শিশুদের জন্মগত ইমিউন সিস্টেম ও মায়ের মাধ্যমে প্রাপ্ত প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশিরভাগ জীবাণুর সঙ্গে লড়াই করতে পারলেও, কিছু কিছু গুরুতর রোগ আছে যার থেকে তারা সুরক্ষিত থাকে না। তাই তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করার জন্য ভ্যাকসিন প্রয়োজন। শিশুদের জন্য টিকা সম্পূর্ণ নিরাপদ।

টিকার সময়সূচী :-
টিকার সময়সূচি অনুযায়ী দেওয়া হয়। এ সময়সূচি শিশুদের জন্য যেসব টিকা সুপারিশ করা হয় তা তালিকাভুক্ত থাকে।
কোন্ টিকা, কত ডোজ এবং কোন্ বয়সে দিতে হবে তা নির্দিষ্ট সিডিউল করা থাকে।
সরকার ই.পি.আই কার্যক্রম এর মাধ্যমে অতি জরুরী ১০টি রোগের অর্থাৎ যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, ধনুস্টংকার, হুপিংকাশি, পোলিও, হেপাটাইটিস বি, পিসিভি, হিমোফাইলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা, এমআর ভ্যাকসিন দিচ্ছে। ইপিআই ভ্যাকসিন দিলে যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, ধনুস্টংকার, হুপিং কাশি, পোলিও, হেপাটাইটিস বি জন্ডিস, হাম, নিউমোকক্কাসজনিত নিউমোনিয়া, হাম ও রুবেলা থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে।
জন্মরে পর থেকে প্রথম ১৪ দিনের মধ্যে বিসিজি ও পোলিও জিরো বা প্রথম ভ্যাকসিন দেওয়া যায়।
এরপর বাচ্চার বয়স ৬ সপ্তাহ বা ৪২ দিন থেকে বাকি টিকা দেওয়া শুরু হয়।
এরপর একে একে এ টিকাগুলো শেষ করতে ১৫-১৬ মাসের মধ্যে ৫ বার টিকা কেন্দ্রে যেতে হয়।
কিশোরী বয়সের মেয়েদের ১৫ বছর বয়স থেকে ই.পি.আই কেন্দ্র থেকে ধনুস্টংকারের আবার একটি ডোজ দেওয়া হয়।
সারা দেশে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার কেন্দ্রে টিকা দেওয়া হয়।
তবে ই.পি.আই-এর বাইরেও বেশ কিছু প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিন আছে।
বিশেষ প্রয়োজনে কোনো ভ্যাকসিন একটু দেরিতে দেওয়া যায়, কিন্তু আগে দিয়ে দেওয়া যায় না।
পৃথিবীর মধ্যে বাংলাদেশে ই,পি,আই টিকাদান কর্মসূচি সাফল্যজনকভাবে পালন করে শিশুমৃত্যুর হার অনেক
কমিয়ে আনতে পেরেছে।এজন্য বিশ্বের দরবারে ইপিআই টিকাদান কর্মসূচি আজও প্রশংসিত।

হাম হলে কীভাবে বুঝবেন? নয় মাসের পূর্বে ছয় মাস হলেই সর্তক হোন !
চিকিৎসকদের মতে, হাম নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া। র্যাশ ওঠার জন্য অপেক্ষা করলে
অনেক দেরি হয়ে যায়।বর্তমান প্রেক্ষাপটে, যখনই কোনো শিশুর মধ্যে জ্বর-কাশি-সর্দির মতো উপসর্গ দেখা যাবে,
তখনই তাকে আলাদা রাখতে হবে। পাশাপাশি গলা ব্যাথা থাকতে পারে, থাকতে পারে শুকনো কাশি,
কঞ্জাংক্টিভাইটিস মানে চোখ লাল হওয়া, চোখ থেকে পানি পড়ার মত উপসর্গ।
এই লক্ষণগুলো অনেক সময় সাধারণ ঠাণ্ডা-জ্বর ভেবে অবহেলা করা হয়। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমানে যদি
এসব উপসর্গ দেখা যায়, বিশেষ করে স্কুলগামী শিশুদের ক্ষেত্রে, তাহলে তাকে বাড়িতে রাখা
এবং অন্যদের থেকে আলাদা করা জরুরী।
হাম কীভাবে ছড়ায়?
হাম একটি ভাইরাসজনিত রোগ, যা মিজলস ভাইরাসের মাধ্যমে অত্যন্ত দ্রুত ছড়ায়।
একজন আক্রান্ত ব্যক্তি তার আশেপাশের ১২ থেকে ১৮ জনকে সংক্রমিত করতে পারে।
এটি মূলত হাঁচি-কাশির মাধ্যমে, অর্থাৎ রেসপিরেটরি ড্রপলেট দিয়ে ছড়ায়।
EXPANDED PROGRAM ON IMMUNIZATION (ই.পি.আই ) :
The Expanded Programme on Immunization (EPI) vaccines is provided by the Government of Bangladesh. We at the RCMCH also maintain the cold chain and delivery of the vaccines.
GOVT SERVICE AVAILABLE
The following EPI vaccines are available for age groups for 0-2 years.
- BCG
- Pentavalent
- Inactivated Poliomyelitis Vaccine (IPV)
- Pneumococcal conjugate vaccine (PCV)
- Measles and Rubella Vaccine
- Tetanus toxoid available for women within the age group 15-49 years
নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচী :

টিকাদান কর্মসূচি কার্যকরী ও সফল করতে হলে , শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একটি সমন্বিত সরবরাহ শৃঙ্খল এবং লজিস্টিকস
সিস্টেমের উপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে। এই সিস্টেমগুলো টিকার কার্যকর সংরক্ষণ, বিতরণ, পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনাকে
সক্ষম করে,কোল্ড চেইনে কঠোর তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করতে হয়।স্থিতিস্থাপক ও দক্ষ সিস্টেম কর্মক্ষমতা বাড়াতে
লজিস্টিকস ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমকে কাজে লাগায়।
চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো উৎপাদন থেকে শুরু করে পরিষেবা প্রদান পর্যন্ত মানসম্মত টিকার নিরবচ্ছিন্ন প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা,
যাতে টিকার অপ্রাপ্যতার কারণে টিকাদানের চলমান সুযোগ হাতছাড়া না হয়।
টিকাদান সরবরাহ শৃঙ্খল বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জাম, তথ্য ও নির্দেশিকা সর্ম্পকে জানুন।

টিকার বর্তমান মজুদ সর্ম্পকে অনুসন্ধানী রিপোর্ট বলছে আশংকার কথা ।
আসুন দেখি, এ আবার কেমন কথা ???
১) হাম-রুবেলা ডোজ (ভায়াল ) : প্রতি মাসে আবশ্যক : ২লাখ ১৫ হাজার (৩০শে মার্চ পর্যন্ত) > এক ডোজও নাই ।
২) ওপিভি ডোজ : প্রতি মাসে আবশ্যক : ১ লাখ ২৫ হাজার...........৩০শে মার্চ পর্যন্ত) > ৪ হাজার ৪২০ ডোজ ছিল ।
৩) টি ডি টিকা : প্রতি মাসে আবশ্যক : ১ লাখ ২০ হাজার ৪০ ...(৩০শে মার্চ পর্যন্ত) > ২০ হাজার ৬৭ যা ৫ দিন যাবে ।
৪) বি.সি,জি : প্রতি মাসে আবশ্যক : ১ লাখ ৩৮ হাজার ৩০৯ (৩০শে মার্চ পর্যন্ত) > ৫৫ হাজার ৩২৪ যা ১২ দিন যাবে ।
৫) প্যান্টাভ্যালেন্ট: প্রতিমাসে আবশ্যক : ১০লাখ ২০ হাজার (৩০শে মার্চ )> ৪লাখ ৩৯ হাজার ৮২৪ যা১৩দিন যাবে ।
৬) আইপিভি : প্রতি মাসে আবশ্যক : ৪ হাজার (৩০শে মার্চ পর্যন্ত) > ১২ হাজার ৮৪৩ যা ১০২ দিন যাবে ।
৭) পি সি ভি : প্রতি মাসে আবশ্যক : ২ লাখ ৬০ হাজার .......(৩০শে মার্চ পর্যন্ত) > কোন মজুদ নাই ।
৮) এইচপিভি ও টিসিভি টিকার মজুদ অনেক আছে ।
বাংলাদেশে সারা বৎসর টিকা কার্যক্রম চালু রাখার জন্য ১৫০০ কোটি টাকার আবশ্যক হয় । বর্তমানে সরকার জরুরী
ভিত্তিতে ৬০৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে, এই কার্যক্রম সচল ও সাবলীল রাখার জন্য প্রদর্শিত সাপ্লাই চেইন প্রক্রিয়া
অনুসরন করতে হয় বিধায় সংশ্লিষ্ট সকলকে সচেতন থাকতে হবে ।

.............................................................এই ফ্লো-চার্ট টি দেখুন .............................................
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলে টিকাদান কর্মসূচির বাস্তবায়ন শক্তিশালী এবং নতুন ও স্বল্প-ব্যবহৃত টিকাগুলোর নিরাপদ
ও কার্যকর প্রবর্তন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে টিকাদান ও টিকা বিষয়ক অগ্রাধিকারমূলক গবেষণা ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করার
উদ্দেশ্যে হাতে নেওয়া হয়েছিল। সামগ্রিক পদ্ধতিটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গবেষণা অগ্রাধিকার নির্ধারণ প্রক্রিয়ার নির্দেশিকা
অনুসরণ করেছে,যার মধ্যে পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন, প্রকাশ এবং মূল্যায়ন (PIPE) পদ্ধতি অন্তর্ভুক্ত ছিল।
শিশু স্বাস্থ্য ও পুষ্টি গবেষণা উদ্যোগ (CHNRI) অগ্রাধিকার নির্ধারণ পদ্ধতির কার্যক্রমটি গ্রহণ করা হয়েছে।
ফিরে দেখা ( ০৫.০৪.২৬ ইং ) :
১) দেশে প্রতি ১০ লাখ মানুষে হামের সংক্রমণ ১৬.৮%, সংক্রমণ হার সবচেয়ে বেশি দেখা যাচ্ছে দক্ষিণের জেলা বরগুনায়।
২) রবিবার থেকে ১৮ জেলার ৩০ উপজেলায় শিশুদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে হাম–রুবেলার টিকা দেওয়া হবে।
এসব উপজেলায় হামের উচ্চ সংক্রমণ হার দেখা যাচ্ছে।উপজেলার ৬ মাস বয়স থেকে ৫ বছর বয়সী ১২ লাখ
৩ হাজার ২৬৭টি শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা হয়েছে।
৩) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৫৪ জন এবং সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৯৭৪ জন।
বিগত ১৫ মার্চ থেকে রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত সারা দেশে নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯২৯ জন
এবং সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৪৭০ জন।
৪) দেশে সম্প্রতি হামের সংক্রমণ বাড়তে থাকায় বিশেষ ব্যবস্থায় এখন ছয় মাসের শিশুকে হামের টিকা দেওয়ার
নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
** ১৩ই এপ্রিল থেকে বড় বড় সিটি করপোরেশনে টিকাদান কর্মসূচী শুরু হতে যাচ্ছে ।
*** জুনের প্রথম সপ্তাহ থেকে এক মাসব্যাপী এই কর্মসূচির মাধ্যমে প্রায় ২ কোটি শিশুকে টিকার আওতায় আনার
লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
৫) ১৯.০৪.২৬ ইং : হাম নিয়ে ‘জরুরি পরিস্থিতি' ঘোষণার আহ্বান দেশে চলমান হামের পরিস্থিতিকে 'মহামারি' হিসেবে ঘোষণা
করে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছে চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস প্ল্যাটফর্ম ফর পিপলস হেলথ (ডিপিপিএইচ)।
শনিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে (ডিআরইউ) 'হামে শিশুমৃত্যু : জরুরি জনস্বাস্থ্য
পরিস্থিতিতে করণীয়' শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান ডিপিপিএইচের সঙ্গে যুক্ত জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও চিকিৎসকেরা।
দেশে আগে হামে আক্রান্তদের মধ্যে প্রতি হাজারে তিনজনের মৃত্যু হতো। এবার তা ১০ জনে পৌঁছেছে।
বিগত শুক্রবার (১৮.০৪.২৬ইং) পর্যন্ত সময়ে হামে আক্রান্ত হয়ে এবং হামের উপসর্গ নিয়ে ২৪৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে৷

হামে শিশুমৃত্যুর দায়ে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও স্বাস্থ্য উপদেষ্টার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ
করে বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী। এ সময় শিশুদের প্রতীকী লাশ কোলে নিয়ে প্রতিবাদ জানান নেতা-কর্মীরা।
রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। ৬ মে ২০২৬ছবি: প্রথম আলো,
এখন ইউনেসেফ বলছে তারা হামের টিকার জন্য লিখিত ভাবে ৫ বার এই বিষয়ে স্বাস্হ্য উপদেষ্টাকে সতর্ক করেছিলো ।
আবারও ফিরে দেখা ( ২১.০৫.২০২৬ ইং) :

...............টিকার ঘাটতি নিয়ে ইউনুস সরকারকে সতর্ক করে ইউনিসেফ অন্তত পাঁচটি চিঠি পাঠিয়েছে।
এ বিষয়ে চলমান আরও কিছু জানতে চাইলে আমার পূর্বের লিংকটি দেখুন ।
https://www.somewhereinblog.net/blog/swapnersankhachill/30390311

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

.jpg)