অপরাধী যে-ই হোক, তাকে বিচারের আওতায় আনা হোক...
সাংবাদিক হলেই কেউ আইনের ঊর্ধ্বে চলে যায় না।
সাংবাদিকতা একটি মহান পেশা- কিন্তু সেই পরিচয় ব্যবহার করে যদি কেউ রাজনৈতিক প্রোপাগান্ডা, মিথ্যাচার, অপপ্রচার, উস্কানি কিংবা স্বৈরাচারকে বৈধতা দেওয়ার কাজে জড়িত থাকে, তাহলে তারও জবাবদিহিতা থাকতে হবে।
গত দেড় দশকে দেশের গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ধ্বংসে কিছু তথাকথিত সাংবাদিক সক্রিয় ভূমিকা রেখেছে- এমন অভিযোগ এন্তার। শেখ হাসিনাকে স্বৈরাচার বানিয়েছে তেলবাজ সাংবাদিকরা। কেউ কেউ টকশো, কলাম, মিডিয়া প্রভাব এবং রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার ছত্রছায়ায় বিরোধী মত দমন, গুম-নির্যাতনকে জায়েজ করা এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার পরিবেশ তৈরিতে ভূমিকা রেখেছে- যা এখনো আমাদের অন্তরে দগদগে যন্ত্রণা।
এখন যদি সেই গোষ্ঠীর পক্ষ নিয়ে আবারও “সুবিচার” এর নামে চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে জনগণ স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন-
★আইনের বিচার কি সবার জন্য সমান হবে, নাকি পেশা ও প্রভাব দেখে আলাদা হবে?
আমরা কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রতিহিংসা চাই না।
কিন্তু যাদের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘন, অপপ্রচার, ক্ষমতার অপব্যবহার বা স্বৈরাচারকে সহযোগিতা করার অভিযোগ আছে- তাদের প্রত্যেকের নিরপেক্ষ তদন্ত হতে হবে। দোষী হলে বিচার হবে, নির্দোষ হলে মুক্ত হবে-
এটাই আইনের শাসন।
কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নয়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


