আহত হলাম আরো একবার । জানি না কেন বার বার আমার পোষ্ট রিমুভ করে দিচ্ছে সামু। অথচ আমার লেখা সম্পুর্ন খন্ডনমূলক আছে এবং থাকবে কিন্তু চেয়ে নিকৃষ্ট আর আক্রমানত্মক লেখা এখনো শোভা পাচ্ছে সামুর ওয়ালে।
পাঠক এখন বলুন আমাদের সমাজ বলছে যে যুক্তির কথা যুক্তি দিয়ে খন্ডন করতে হবে কোন হিংস্র পথ অবলম্বন করা যাবে না। এখন বলুন আজকাল কিছু মানুষের ওয়ালে শোভা পাচ্ছে পুজা উপলক্ষে “ধর্ম যার যার উতসব সবার” আমি শুধু প্রশ্ন রেখেছিলাম যে আমার এলাকায় আজও দলিত শ্রেনীর হিন্দু ভাইয়েরা উচু শ্রেনীর মাড়োয়ারীদের পুজায় যায় না আবার উচু শ্রেনীর হিন্দু সমাজও তাদের পুজা মন্ডপে আসে না কারন তারা নিচু দলিত শ্রেনী। তাহলে বলুন যখন আমার সনাতন ভাইয়েদের মাঝেই উতসব সবার মাঝে নাই তাহলে কিভাবে হলো ধর্ম যার যার উতসব সবার..? সাথে প্রশ্ন রেখেছিলাম উতসবতো ঈদের নামাজো আছে তাহলে কেন তারা ঈদের নামাজে আসছে না, উতসবতো কুরবানীও আছে কিন্তু পশু কুরবানী দিতে গেলে খোদ তারাই আপত্তি করে, তাহলে কিভাবে প্রমান করা যায় “ধর্ম যার যার উতসব সবার.? সেই সাথে প্রশ্ন রেখেছিলাম যে, শুধুমাত্র পুজারই সময় কেন এই স্লগান ঈদ,ক্রিসমান এর সময় নেয় কেন...?
পাঠক এখন বলেন এই যুক্তি খন্ডন করা কি আমার অপরাধ হয়েছে..? যদি এটা অপরাধ হয়ে থাকে তাহলে শাস্তি মাথা পেতে নিবো, কিন্তু একটি পক্ষের পোষ্ট হাইলাইট করে প্রকাশ করা অপরদিকে তার যৌক্তিকভাবে খন্ডনে লেখা রিমুভ করে দেওয়ার মানে কি? প্লিজ অনুরোধ রইলো “সামু”র কাছে আপনারা আপনাদের অবস্থান পরিস্কার করুন, বাংলাভাষার বৃহত এই ব্লগ সাইট কি একটি নির্দিষ্ট গোষ্টির না জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকলের? আর যদি সকলের হয়ে থাকে তাহলে দ্বিমুখী আচরন কেন.?
আমার লেখার মধ্যে এমন কি ছিল যে আঘাত লেগেই যাচ্ছে বারবার.?
*
আমার লেখা যদি কাউকে পছন্দ না হয় তাহলে খন্ডন করুন, কিন্তু রিমুভ করে কিসের সমাধান হয়? যুক্তির সাথে মত প্রকাশ করাতো আপনাদেরই সূত্র ছিল আর এখনো আছে, তাহলে এই সূত্র আমার বেলা প্রযোজ্য নয় কেন?????
অতি বিনয়ের সাথে পাঠক আর সামুর কাছে উত্তর চাইলাম............

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


