হযরত ফাতিমা (রাঃ) এর ইন্তেকালের পর তাঁর লাশের খাটিয়া বহন করার মানুষ মাত্র তিনজন। হযরত আলী (রাঃ), শিশু হাসান ও হোসাইন (রাঃ)।
হযরত আলী ভাবছিলেন যে, খাটিয়া বহন করার জন্য মানুষ আরও একজন প্রয়োজন তবেই চার কোনায় চারজন কাঁধে নিতে পারবেন। এমন সময় হযরত আবু যর গিফারী (রাঃ) এলেন ও খাটিয়ার এক কোনা বহন করলেন।
হযরত আলী প্রশ্ন করলেন, আমি তো কাউকে জানাইনি, আপনি জানলেন কিভাবে?
হযরত আবু যর গিফারী (রাঃ) বললেন, আমি আল্লাহর রাসূল (সাঃ) কে স্বপ্নে দেখেছি। তিনি বললেন, হে আবু যর! আমার ফাতিমার লাশ বহন করার লোকের অভাব। তুমি গিয়ে একটু ধর।
হযরত আবু যর গিফারী (রাঃ) কবরের কাছে গিয়ে বললেন, হে কবর! আজ তোমার মধ্যে কে আসছে জানো?
দোজাহানের বাদশাহের মেয়ে, হযরত আলীর স্ত্রী, হাসান হোসাইনের মা, জান্নাতের সর্দারনী! খবরদার বেয়াদবি করোনা।
আল্লাহ্ কবরের জবান খুলে দিলেন। কবর বলল, আমি দোজাহানের বাদশাহের মেয়েকে চিনিনা, হযরত আলীর স্ত্রীকে চিনিনা, হাসান হোসাইনের মাকে চিনিনা, জান্নাতের সর্দারনীকে চিনিনা, আমি শুধু চিনি ঈমান আর আমল!!
একটু চিন্তা করেন যদি নবী (সাঃ) এর আদরের মেয়ে যাকে জান্নাতের সর্দারনী বলা হয়েছে, তার জন্য কবর এমন হয় তা হলে আমরা কিসের আশায় কী চিন্তা করে আল্লাহর হুকুম থেকে এতো গাফেল (ভুলে) আছি।
আল্লাহ আমাদের ঈমান ও নেক আমল নিয়ে কবরে যাবার তওফীক দান করুন। আমিন!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।
