somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বাংলাদেশে ইসলামপন্থা বনাম গণতন্ত্র: মানুষ যখন নাগরিক থেকে অনুসারী হয়ে উঠছে!

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৪৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


কিছুদিন আগেও আমরা বলতাম, "দয়া করে ধর্মকে রাজনীতির সঙ্গে মেশাবেন না"। সরল এই কথাটির মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বোধ ছিল - ধর্মীয় বিশ্বাস আর রাজনীতি এক জিনিস নয়। গত দুই বছরে সেই বিভাজনটি ভয়াবহভাবে দুর্বল হয়েছে। ধর্মীয় উন্মাদনা, বিদ্বেষ ও বিভাজনকে উসকে দিয়ে মানুষের মধ্যে যে প্রবল ঘৃণা তৈরি করা হয়েছে, তার নজির বাংলাদেশে আগে দেখা যায়নি। আর এই ঘৃণা তৈরি হয়েছে পরিকল্পিত অপপ্রচার, মিথ্যা তথ্য এবং ক্রমাগত উসকানিমূলক প্রচারণার মাধ্যমে।

গণতন্ত্র ও ধর্মভিত্তিক রাজনীতি মৌলিকভাবে অসামঞ্জস্যপূর্ণ। এই বিরোধ শুধু সংখ্যালঘু, ভিন্নমতাবলম্বী, আদিবাসী বা ভিন্ন পরিচয়ের মানুষের অধিকারকে খর্ব করে না; তা প্রশাসন, দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, এমনকি স্কুল-কলেজ ও সামাজিক সংগঠনগুলোর স্বাধীনতার ওপরও হস্তক্ষেপ করে। আর, ধর্মের সাথে রাজনীতি মেলাতে গেলে সেটা শুধু রাজনীতির বিপদ তা নয়, সেটা ধর্মেরও বিপদ।

কিছুদিন আগে জামায়াতের ৭৫ বছর বয়সী একজন এমপি যখন এক তরুণীকে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে হোটেলে অনৈতিক কাজ করতে গিয়ে ধরা পড়লেন, তখন নিজের ভাবমূর্তি বাঁচাতে তিনি তার বৃদ্ধা স্ত্রীকে দিয়ে টিভি ক্যামেরার সামনে মিথ্যা গল্প বলালেন। একদিকে তিনি নিজের দীর্ঘদিনের সহধর্মিণীকে চরম অপমান করে অধর্ম করলেন, আবার নৈতিক স্খলনকে আড়াল করতে ধর্মীয় বহুবিবাহের বিধানকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করলেন। ধর্ম বেচারার কোনো দায়ই ছিল না, ওই বৃদ্ধের নৈতিক অবক্ষয়ের রক্ষাকবচ হতে। ধর্মকে না জড়ালে, ঐ ঘটনার বিচার সম্পূর্ণ ভিন্ন হতো।

এখানেই ইসলাম ও ইসলামপন্থার মধ্যে পার্থক্যটি তৈরি হয়। ইসলাম একটি ধর্ম এবং ধর্মীয় ঐতিহ্য। অপরদিকে, ইসলামপন্থা হলো ধর্মকে রাজনৈতিক ক্ষমতা হিসেবে ব্যবহার করার পন্থা। ইসলামপন্থা ধর্মীয় পরিচয়কে রাজনৈতিক মতাদর্শে রূপান্তর করে এবং আইন ও নিয়ম-নীতিকে ধর্মীয় ব্যাখ্যার অধীন করে। এটা ধর্মীয় বিশ্বাসের প্রকাশ নয়, রাজনীতিকে ধর্মের নামে কব্জা করার ফন্দি। এই ফন্দি যত শক্তিশালী হয়, মানুষের উপর তার নৃশংসতাও তত বাড়ে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর হিন্দুদের বাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও উপাসনালয়ে ব্যাপক হামলা হয়। ইউরোপীয় ইউনিয়নের আশ্রয়বিষয়ক সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, আইন ও সালিশ কেন্দ্র শুধু ২০২৪ সালের আগস্টেই ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ৮১টি সহিংসতার ঘটনা নথিভুক্ত করে। এর মধ্যে হিন্দুদের ১৬৮টি বাড়ি, ৯৬টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও ছয়টি উপাসনালয়ে হামলার তথ্য রয়েছে। আহমদিয়া সম্প্রদায়ের ১৫৬টি বাড়ি ও ছয়টি উপাসনালয় আক্রান্ত হয়। খ্রিস্টান ও আদিবাসী জনগোষ্ঠীর সম্পত্তি হামলার শিকার হয়।

২০২৫ সালের প্রথমার্ধেও সংখ্যালঘু নির্যাতনের বহু ঘটনা ঘটে। বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের হিসাবে, এ সময়ে ২৫৮টি ঘটনার মধ্যে ২৭টি হত্যা, ২০টি নারী নির্যাতন বা ধর্ষণ এবং ৫৯টি উপাসনালয়ে হামলার ঘটনা ছিল। একই হিসাবে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ওপর ১২টি হামলার কথাও বলা হয়েছে।

২০২৪-২৫ সালে মাজার ও দরগাহও হামলার শিকার হয়। ২০২৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত প্রায় ৮০টি মাজার আক্রান্ত হয়।

নারীর ক্ষেত্রেও একই ঘটনা। ২০২৫ সালের মে মাসে ইসলামপন্থিরা ঢাকায় নারী অধিকার ও নারী-পুরুষের সমতার পক্ষে প্রস্তাবিত সংস্কারের বিরুদ্ধে সমাবেশ করে। তারা বৈবাহিক ধর্ষণকে অপরাধ হিসেবে স্বীকৃতি, নারীর সমান অভিভাবকত্বের অধিকার, উত্তরাধিকার সংস্কার এবং সংসদে নারীর প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধির মতো প্রস্তাবের বিরোধিতা করে।

মানুষ যখন সামাজিকতা, সংস্কৃতি এবং পারস্পরিক যোগাযোগ থেকে সম্পর্কহীন হয়ে পড়ে, তখন সে সমাজবিচ্ছিন্ন ব্যক্তিতে পরিণত হয়। তখন সে সমাজের মধ্যে থেকেও একা। বাংলাদেশে গত কয়েক বছরে এই বিচ্ছিন্নতা প্রবল হয়েছে। একসময় মানুষের জীবনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ছিল, গান ছিল, টিভি নাটক ছিল, পাড়ায় পাড়ায় ক্লাব বা সংগঠন ছিল, মাঠে খেলাধুলা ছিল, বইমেলা ছিল, আড্ডা ছিল। এগুলোকে কেন্দ্র করে মানুষ যুক্ত থাকত এবং বৃহত্তর সামাজিক জগতের অংশ বলে নিজেকে অনুভব করত। সেই জায়গাটি যত সংকুচিত হয়েছে, মানুষের বিচ্ছিন্নতা তত বেড়েছে। সাংস্কৃতিক চর্চা নেই, মাঠ নেই, টিভি নাটক নেই; তার জায়গায় এসেছে স্মার্ট ফোন। ফলে মানুষ একই সমাজে বাস করেও বিচ্ছিন্ন, একা এবং নিজের ছোট পরিচয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ।

আওয়ামী লীগের বিগত ১৬ বছরের দুঃশাসন এই পরিস্থিতিকে একটি ভিন্ন মাত্রা দিয়েছে। নিজেদের অসাম্প্রদায়িক হিসেবে উপস্থাপন করেও আওয়ামী লীগ আইনের শাসন, আইনি সুরক্ষা ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস করেছে। দমন-পীড়ন, স্বেচ্ছাচারিতা, ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী হামলা, পুলিশের বলপ্রয়োগ ও হত্যাকাণ্ড, দুর্নীতি এবং মানুষের ভোটাধিকার হরণ রাষ্ট্রের প্রতি মানুষের আস্থা নষ্ট করে দিয়েছে। মানুষ অনুভব করেছে যে আওয়ামী শাসনে তারা অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়েছে।

কিন্তু রাজনৈতিক পরিচয় বা মতাদর্শের জায়গা শূন্য থাকে না। আওয়ামী লীগের কারণে রাজনীতির প্রতি মানুষের যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে, সেই শূন্যস্থান পূরণ করেছে ধর্মীয় পরিচয় ও ইসলামপন্থি রাজনীতি। যে আওয়ামী লীগ নিজেকে ধর্মনিরপেক্ষ রাজনৈতিক দল হিসেবে উপস্থাপন করেছিল, তার দীর্ঘ দুঃশাসন ও পতন বিরোধী শক্তি হিসেবে ইসলামপন্থি রাজনীতিকে শক্তিশালী করেছে। ইসলামপন্থিরা মানুষের ক্ষোভকে ধর্মীয় পরিচয়ের সাথে যুক্ত করেছে। আওয়ামী লীগ সরকারের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ "ইসলামের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র" হয়ে গেছে। রাজনৈতিক নিপীড়ন হয়ে উঠেছে "ইসলামবিরোধিতা"। আর, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হয়ে গেছে "ভারতের দোসর"।

হাসিনার শাসনে উপেক্ষিত ও অপমানিত মানুষের ক্ষোভকে ইসলামপন্থি প্রচারণা মুসলিম পরিচয়ের শ্রেষ্ঠত্ব, ভারতবিদ্বেষ এবং উগ্র ইসলামপন্থি রাজনৈতিক পরিচয়ের মধ্যে আবদ্ধ করেছে। বছরের পর বছর ধর্মীয় বক্তৃতা, ওয়াজ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক প্রচারণার মাধ্যমে এমন একটি কাল্পনিক বাস্তবতা তৈরি করা হয়েছে, যেখানে মানুষকে বোঝানো হয়েছে যে তার ধর্ম বিপন্ন, পরিচয় আক্রান্ত এবং তার চারপাশে শত্রু ও ষড়যন্ত্র লুকিয়ে আছে।

যে মানুষটি আগে নাটক দেখত, গান শুনত, মাঠে খেলত, বাউলগানের আসরে যেত, বই পড়ত বা বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিত, সে এখন ফেসবুকে বসে রিল দেখে রাজনীতি, আইন, সমাজ ও ইতিহাসের জ্ঞান অর্জন করে। ফলে, যে ব্যক্তি সমাজের বহুত্বের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ হারিয়েছে, সে সহজেই এমন প্রচারকের অনুসারী হয়ে ওঠে, যে তাকে একটি মাত্র পরিচয়, একটি মাত্র সত্য এবং একটি মাত্র শত্রু দিয়ে পুরো পৃথিবী ব্যাখ্যা করে দেয়। একটি মাত্র পরিচয় হল সে মুসলমান, একটি মাত্র সত্য হল তার ধর্মবিশ্বাস এবং একটি মাত্র শত্রু হল ভারত এবং যা কিছু ভারতের সাথে জুড়ে দেওয়া সম্ভব।

এটি শুধু অজ্ঞতার সমস্যা নয়, এটি বিচ্ছিন্ন মানুষের অসহায়ত্ব। মানুষের ধর্মবিশ্বাস দিয়েই পৃথিবীর সব সমস্যার সমাধান করে দেওয়া। বিচ্ছিন্ন মানুষটি হঠাৎ দেখে যে সে আর একা নয়, সে একটি বৃহৎ ধর্ম সম্প্রদায়ের অংশ, যার কাছে ফেসবুক প্রচারকই জ্ঞান ও সত্যের উৎস। বিচ্ছিন্ন মানুষকে সংগঠিত করা হলে তাকে আর যুক্তি দিয়ে বোঝানোর প্রয়োজন হয় না, জায়গা মত একটা বয়ান দিয়ে দিলেই চলে। সেটা সত্য না মিথ্যা, বাস্তব না কল্পনা, ভূতের গল্প না আকাশে হাতি ওড়ার গল্প - তা তখন গৌণ হয়ে যায়। এর অনুসারীরা এমন মানুষ যার কাছে সত্য ও মিথ্যা, বাস্তবতা ও কল্পনার পার্থক্য ভেঙে গেছে।

এই মানুষগুলো জটিলতা সহ্য করতে পারে না। তারা চায় একটি সহজ ব্যাখ্যা, একটি শত্রু, একটি পরিচয় এবং এমন একটি নিশ্চয়তা, যেটিকে তারা তাদের ধর্মবিশ্বাসের মতোই গভীরভাবে বিশ্বাস করতে পারে। সরলীকরণের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, এটি মানুষকে নিজের বিচারবুদ্ধি প্রয়োগ এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব থেকে মুক্তি দেয়। এখানে সবকিছু রেডিমেড পাওয়া যায়।

প্রপাগাণ্ডার শক্তি এখানেই। ইসলামপন্থিরা পার্থিব জীবনের জন্য রেডিমেড প্যাকেজ নিয়ে বসে আছে। আপনাকে চিন্তা করতে হবে না, জটিল প্রশ্নের উত্তরও খুঁজতে হবে না; পুরো কাজটিই তারা আপনার হয়ে করে দেবে। তাদের প্রচারণা আপনাকে সহজেই মুক্তির একটি নিশ্চিত পথ দেখিয়ে দেবে: ইসলামবিরোধীরাই সব সমস্যার উৎস, ইসলাম আক্রান্ত, আপনার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ইসলামের শত্রু, আর আপনার নেতা ইসলামের পক্ষে।

গণতন্ত্র এর বিপরীত। গণতন্ত্র মানুষকে কোনো সম্প্রদায়ের সদস্য হিসেবে না দেখে, নাগরিক হিসেবে দেখে। নাগরিকের পরিচয় বহুমাত্রিক, তার মতামত পরিবর্তনশীল আর বাস্তবতাও বহু জটিল। গণতন্ত্র জটিলতাকে মেনে নেয়; ভিন্নমত, বিতর্ক, প্রশ্ন ও অনিশ্চয়তার জন্য জায়গা রাখে। দুর্নীতি, বৈষম্য বা অর্থনৈতিক সংকটের মতো সমস্যাকে একটি মাত্র কারণ বা শত্রু দিয়ে ব্যাখ্যা করে না।

ইসপামপন্থিরা চায় অনুগত অনুসারী, গণতন্ত্রের দরকার দায়িত্বশীল নাগরিক। একটি সমাজ যখন নাগরিক হওয়ার বদলে শুধু কোনো ধর্ম সম্প্রদায়ের লোক হতে শুরু করে, তখন গণতন্ত্রের ভিতটাই দুর্বল হয়ে পড়ে।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:০৩
২টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

প্রবাদ প্রবচন ও আলী ভাইয়া, জী এস ভাইয়া, খায়রুলভাইয়া ও সত্যপথিকভাইয়াদের পোস্ট..... এই আমি অপ্সরা

লিখেছেন অপ্‌সরা, ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:২২


এই অপ্সরা শুধু একটা নিকই না। জীবনের একটা অংশের নাম। জীবনটা শুরু হয়েছিলো যবে থেকে তার পর ৫/৬ বছর থেকেই জীবনের নানা ক্ষনের নানা মানের উদ্দেশ্য বিধেয় ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

মানুষ গত কয়েক বছর ধরে অতিমাত্রায় স্বার্থপর হয়ে গেছে! আগেই কি ভালো ছিলাম?

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:৫৬



মানুষ গত কয়েক বছর ধরে অতিমাত্রায় আত্মকেন্দ্রিক বা স্বার্থপর হয়ে যাচ্ছে! আগে এমনটা দেখা গেলেও গত কয়েক বছর এটা অতি বেশিমাত্রায় দেখা যাচ্ছে। কেন??

দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা বেশি খারাপ... ...বাকিটুকু পড়ুন

Somewhereinblog.net: বাঁধ ভাঙ্গার আওয়াজ থেকে ডিজিটাল পাবলিশিং এ পরিনত করে সাবলম্বি করার লক্ষ্যে একটি খসড়া প্রস্তাবনা ।

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:১৯


একজন নিয়মিত ব্লগার হিসেবে প্রতিদিনই লক্ষ্য করি, Somewhereinblog.net (সামু) বাংলা সাহিত্য, অভিজ্ঞতা ও তথ্যভিত্তিক লেখার এক বিশাল আর্কাইভে পরিণত হয়েছে। কিন্তু একই সঙ্গে একটি কঠিন বাস্তবতাও সামনে এসেছে সোশ্যাল মিডিয়ার... ...বাকিটুকু পড়ুন

অটো কে বন্ধ করা যাবে না।

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:৫১




অনেক দিন আগের কথা। ২০১৫ সালের ঘটনা। তখন আমি মুন্সীগঞ্জ জেলার গজারিয়ায় থাকি এবং অনার্সে পড়াশোনা করি। পড়তাম পাশের উপজেলা সোনারগাঁওয়ের সোনারগাঁও সরকারি কলেজে। প্রতিদিন কলেজে যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম ছিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগ ডেভেলপমেন্টে করণীয় কি?

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১:৪৬



গত কয়েক বছর ধরে সামহোয়্যারইন ব্লগ সহ দেশের সকল পত্রিকা ও টিভি চ্যানলে রাজনৈতিক লেখা বেশি আসছে যা সকলের কাছে ভালো লাগার বিষয় না। রাজনীতি ভালো লাগবে শুধুমাত্র জেনজি’দের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×