আমি অনেক দিন ধরে চুল কাটছি না! হাতের পায়ের নখ কাটার কথা আমার মনে থাকে না, খোচা খোচা দাড়িই থাকে মুখ জুড়ে, একটু কুজো হয়ে ঝুকে ঝুকে ভারীপদের মতো থপ থপ করে হেটে যাই মেঠো পথে ধূলো উড়িয়ে,আমি কবি নই হতেও চাইনি কখনো,আমি কারো জন্য লিখনা,কেবল বোকা বাক্সের গানগুলো হরফের রুপদেই,আমার মনের রঙ রামধনুকের চেও দ্রুত বদলায়,অনেক সময় বসে বসে ভাবি কতোটা জোরে ছুটে আমার মন,পাচ মিনিটে দশ লাইনের কবিতা লিখে ফেলা,কিংবা স্মৃতির কাবাড় থেকে অবিকল নিঃশব্দে একটা একটা করে গোলাপ সাইজের বেলী ফুল গুলো খুজে আনা, কতোটা ছুটব আরো, একজনের কালো চোখের দীঘিতে সাতার কাটতে চেয়েছিলাম,কিন্তু বরাবরই একটা সাইনবোর্ড দেখে ফিরে এসেছিলাম - এখানে সাতার কাটা নিষিদ্ধ- তাই আজও সাতারটা অজানাই রয়েগেলো! মন খারাপ হতে হতে হয় না ইদানিং, ফট করে হেসে ফেলি,কারো সারল্যের কথা মনে পড়ে যায়, কাউকে রেগে গেলে টুকটুকে আপেলের মতো লাগতে পারে কিনা দুবার ভেবেনেই,বড্ড পরখ করার ইচ্ছে থাকলে সাহসে হয়না, আমার নিজেকে বড় পরিশুদ্ধ মনে হয় আজ কাল,বিশুদ্ধ বাতাস বুকে বয়, কাউকে নিজের সব কিছু দিয়ে হাসি মুখে মনের সুখে অনন্ত শেষ যাত্রায় হাটতে ইচ্ছে হয়, চল্লিশের পর টাক আর চালসে নিয়ে বাচার কোনো মানেই হয় না, আমরা মানুষ হয়ে জন্মাই না জন্মের পর একটু একটু করে মানুষ হই! আমি কারো আচলে নিজেকে বাধতে চাচ্ছি না,একদা চাইতাম এখন আচলের চেয়েও সুখের শেকল নিজে নিজে নিজের পায়ে পড়ি, অভিমানী ছেলেটা আর মেঘেদের দেখে উদাস হয়না, কারন তার ধারনা নীলমেঘ মাসে মেঘেদের ছায়ার নিচে কেউ আছে যে তার অবিকল, সে জানতো না এখন জানে, এখন আর কোনো ক্লেশ নেই আমার তাই মাথা ভর্তি কেশ, কাউকে আদর করে চিমটি কাটতে হবে খামচির ভয় দেখাতে হবে তাই আমার বেড়াল নখ, আর হাটার স্টাইল? ওটাতো জন্ম সূত্রে কপি পেস্ট :-)
জিন্নাহ কি বাঙালি মুসলমানের শত্রু?

মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ পাকিস্তানের স্বপ্নদ্রষ্টা বা পাকিস্তানের জাতির জনক। একজন বাংলাদেশী হয়ে পাকিস্তানের জাতির জনককে নিয়ে আলোচনা করলে কি গুনাহ হতে পারে কিংবা বড় ক্ষতি হতে পারে? বাংলাদেশে জিন্নাহর... ...বাকিটুকু পড়ুন
স্রেফ 'জিন্নাহকে স্মরণ আর বঙ্গবন্ধুকে গালি' রাজাকারি মানসিকতারই উদাহরণ

ভারতীয় উপমহাদেশের জাতিসত্তাদের স্বাধীনতা আন্দোলনের অত্যন্ত প্রভাবশালী একজন নেতা হিসেবে মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর প্রতি কেউ 'যৌক্তিক' বা তাঁর 'প্রাপ্য' সম্মানটুকু জানাতেই পারেন; তাতে কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু, যখন সেই... ...বাকিটুকু পড়ুন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জিন্নাহর ছবি প্রশ্ন জাগে, আমরা কোন দেশে বাস করি?
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জিন্নাহর ছবি প্রশ্ন জাগে, আমরা কোন দেশে বাস করি?
যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত, যে বাংলাদেশ রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীন হয়েছে সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসু... ...বাকিটুকু পড়ুন
এগারটি বছর পার হয়ে গেল…. কিছু পরিসংখ্যান নিয়ে একাদশতম বর্ষপূর্তি পোস্ট

পূর্বের বর্ষপূর্তি পোস্টের লিঙ্কঃ দশম বর্ষপূর্তি পোস্ট
সামহোয়্যরইনব্লগে গত ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখ রাত ১১টা ২৬ মিনিটে প্রকাশিত হয় আমার প্রথম কবিতা, বক্ষমাঝে থাকবে তুমি। বলা যায় খুব দ্রুতই, মাত্র তৃতীয়... ...বাকিটুকু পড়ুন
দুঃখ খচিত পতাকা আমার
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পবিত্র প্রাঙ্গণে
আজ হঠাৎ কার ছায়া নামে?
কার দুঃসাহসী কালো হাত
ইতিহাসের বুকের ওপর আঁকে পরাধীনতার নাম?
যে নাম একদিন ভাষার কণ্ঠ রুদ্ধ করতে চেয়েছিল,
যে শাসন একাত্তরে ছড়িয়েছিল মৃত্যুর অন্ধকার
আজ কেন তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।