somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বৃষ্টিস্নাত চা এবং তুমি

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:১৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



চোখ খোলার পর যে দৃশ্য আগে দেখলাম তা অনেকটা এমন, আমি শুয়ে আছি মেঝেতে পাশে এক মধ্য বয়সী লোক হা করে ঘুমোচ্ছে ।সম্ভবত অঘোরে ঘুমুচ্ছে বলেই মুখটা বোয়াল মাছের মত দেখাচ্ছে । অদ্ভুত কোন কারনে তার পাশে বসা মহিলা ঠিক তার মুখের মধ্যে হাত পাখা দিয়ে বাতাস করে যাচ্ছে ।সাথে ৩-৪ বয়সী মেয়ে থালা বাসন খেলছে ।নিম্মবিত্ত মানুষ হওয়ার এই একটা সুবিধা যে কোন স্থানকে তারা নিজেদের মত করে নিতে পারে ।নাক সিটকায় না ।আসপাশ দেখে যা বুঝলাম তাতে আমি কোন হসপিটালের বারান্দায় আছি ।
ভাইজান ও ভাইজান চেতন আইছে আফনার ?
জ্বী মনেতো হয়, পেছন ফিরে দেখি এক তরুণী ।তার দুই পা ই প্লাস্টার করা ।
জিজ্ঞেস করলাম আপনার পায়ে কি হয়েছে, উত্তরে মেয়েটা যে হাসি দিল তাতে মনে হলো আমি তাকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়েছি !
মেয়েটার সাথে থাকা ছোট একটা ছেলে বলল , এরে এর দামান পিটাইয়া পা ভাইঙ্গা দিসে ।
কি সাংঘাতিক ! আর এই মেয়ে হাসছে ?
মেয়েটা বললো স্বামীর হাতে মাইর খাওয়ান ভালা , তেলের মত বেহেস্তে যাওন যায় ।আফনার মাতার কি খবর ?
মেয়েটা বলায় মাথায় হাত দিলাম ,এতক্ষন টেরই পাইনি ।
মাথার পুরোটা ব্যান্ডেজ এ মোরা , মেয়েটা মনে করিয়ে দেয়ার কারণে কিনা জানি না মাথায় প্রচন্ড ব্যাথা শুরু হল সাথে মনে হচ্ছে মাথার মধ্যে কেউ ইট ভাঙার মেশিন সেট করে দিয়েছে ।
মেয়েটার কাছ থেকে যতটুকু জানতে পারলাম , আমাকে রক্তাক্ত অবস্থায় ধরাধরি করে ২ জন রিক্সাওয়ালা এখানে রেখে গিয়েছে ,দায়বদ্ধতা নাকি সবার চাপে এখানে রেখে গেছে কিনা জানি না, কারণ তার আগেই আমি জ্ঞান হারাই, শুধু মনে আছে তাদের মারামারি ঠেকাতে গিয়ে বাঁশের বারিটা আমি খাই ।
প্যান্টের পকেটে হাত ঢুকালাম মোবাইল ,মানিব্যাগ কিছুই নাই । অপর পকেটে মিতুর দেয়া চিঠি খানা আছে ।
ভদ্রতা করে চিঠিটা রেখে গেছে , ভদ্রতা এখনো উঠে যায় নাই । গতকাল মিতু নিজে মেসে এসে চিঠিটা টেবিলে রেখে গেছে । বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ কোন বিষয় জানানোর মিতুর বিশেষ নিয়ম এইটা ।
মিতুর সাথে পরিচয় ২ বছর আগে ।কোন এক সন্ধ্যায় আমি টিএসসি তে এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে কবি মহাদেব সাহার একটি কবিতা আবৃতি করেছিলাম :

"তোমাদের কথায় কথায় এতো ব্যাকারণ
তোমাদের উঠতে বসতে এতো অভিধান,
কিন্তু চঞ্চল ঝর্ণার কোনো ব্যাকরণ নেই
আকাশের কোনো অভিধান নেই, সমুদ্রের নেই।
ভালোবাসা ব্যাকরণ মানে না কখনো
হৃদয়ের চেয়ে বড়ো কোনো সংবিধান নেই
হৃদয় যা পারে তা জাতিসঙ্ঘ পারে না"

আবৃতি শেষে যখন নিচে এসে দাঁড়ালাম, মিতু আমার সামনে এসে এক পলকের ও অল্প সময়ের মধ্যে শুধু বললো "আপনি খুব ভালো আবৃতি করেন "
তারপর মিশে গেল জনঅরণ্যে । আমি শুধু তাকিয়ে রইলাম ।সবুজ শাড়িতে শ্যামা বরণ মিতুকে মনে হচ্ছিলো যেন ধরিত্রী তার নিজ হাতে তার মৃত্তিকা আর সবুজ রং দিয়ে সহস্র বছর সময় নিয়ে তাকে গড়ে তুলেছে ।
তাকিয়ে তার চলে যাওয়া দেখা ছাড়া যেন আর কোন কিছু করার ক্ষমতা প্রকৃতি আমাকে দেয়নি ।
তার প্রায় ২ মাস পরে একদিন মোবাইল -এ অপরিচিত নম্বর থেকে কল । ফোন ধরতেই ওপাশ থেকে প্রায় ধমকের সুরে " ফোন ধরতে এত সময় লাগে ?"
আমি ভয় এবং সংশয় নিয়ে জিজ্ঞেস করলাম "কে "?
আমি মিতু
জ্বী কোন মিতু?
কতগুলো মিতু আপনার কবিতা আবৃতির প্রশংসা করে ?
অল্প সময়ের জন্য বুকটা ধক করে উঠলো, ধরিত্রী আজ যেন নিজে আমার কাছে ধরা দিয়েছে ।
জিজ্ঞেস করলাম, আপনি আমার নম্বর পেলেন কোথায়?
গোয়েন্দাদের মত এত প্রশ্ন করেন কেন?কোথায় পেয়েছি আপনার জানা লাগবে না ।আপনি চট জলদি রেডি হয়ে কাঁটাবনে চলে আসুন তো ।
আমি বললাম, কেন?
উফফ প্রশ্ন করা কি আপনার রোগ নাকি ? আসতে বলেছি তাই আসবেন ।আমি একটি বিড়ালের বাচ্চা কিনবো আর সেটা আপনি সিলেক্ট করে দিবেন ।ঠিক দুটোর সময় থাকবেন ।
এখন রাখি বাই।
মিতুর সাথে পথ চলার শুরুটা এভাবেই ।বড়োলোক পিতার একমাত্র মেয়ে ।প্রথম দিকে ভেবেছিলাম আবেগ অথবা খামখেয়ালি থেকেই হয়তো আমাকে ভালোবেসে ফেলেছে । আমার মত ছা পোষা একজন বাংলা লেকচারারকে বড়জোর সে মায়া করতে পারে । কিন্তু মিতুর সাথে পরিচয়ের দেড় বছর পরে একদিন সন্ধ্যায় মিতু আমার সাথে এক ভয়ংকর কান্ড করে বসে।
মিতুর চিঠিটা বের করে পড়া শুরু করলাম পরিচিত গোছানো হাতের লেখা ।যদিও তার লেখায় রোমান্টিকতার বালাই থাকে না । তার চিঠি হয় টেলিগ্রামের মত ।

" ১৭ই মার্চ, ২০১৫
মঙ্গলবার
বিয়ে ।ব্যাবসায়ী সেই সুদর্শন ছেলের সাথে ।
পুনশ্চ ১ : রাত ৮ টায় মগবাজার কাজী অফিসের গলিতে থাকবে ।
পুনশ্চ ২ : দেরি হলে আসার দরকার নাই ।"

৮ টা মানে ৮ টা । এখুনি বের হয়ে যেতে হবে । এপ্রোন পড়া লোকজন খুঁজতে লাগলাম ।না বলে গেলে অভদ্রতা দেখায়। কিন্তু কাউকে তেমন দেখছি না, শুধু একটা মেয়েকে দেখছি কাটা চামচ দিয়ে মিষ্টি খাবার মত রোগীদের সুই ফুটিয়ে যাচ্ছে । দেখার মত দৃশ্য । এই হসপিটালে মনে হয় সাদা এপ্রোন পড়তে হয় না , তাকে কয়েকবার ডাকার পর বেশ বিরক্তি নিয়ে আমার দিকে তাকালো , হাসি হাসি মুখ নিয়ে বললাম "চলে যেতে চাচ্ছি"
মহাজাগতিক সকল কষ্ট নিয়ে মেয়েটা আমাকে বললো " আপনাকে কে আটকিয়ে রেখেছে ? যেতে চাইলে যান" কয়টা বাজে জিজ্ঞেস করার আর সাহস হলো না , পাশ থেকে জানলাম এখন বাজে ৬:৫৩ আমি আছি শাহবাগের আসেপাশের এক হসপিটালে ।
বাইরে বেরোতেই দেখি গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি । আপাতত আমার ছাতার কাজ মাথার ব্যান্ডেজ ই করবে বলে মনে হচ্ছে । তবে বৃষ্টির কারণে সময়মতো পৌঁছাতে পারবো কিনা জানি না , সবটুকু শক্তি নিয়ে হাঁটা শুরু করলাম নাটোরের বনলতার খোঁজে ।

হাঁকডাক নিয়ে বৃষ্টি নামা শুরু করলো।৮টার আগেই মগবাজার কাজী অফিসের গলিতে আসলাম। কিন্তু ভিজে কিসমিসের মত চুপসে গেছি । শরীর কাঁপুনিতে মনে হচ্ছে জ্বর তার আত্মীয় স্বজন সমেত আমার সাথে থাকতে আসছে । কাজী অফিসের পাশেই একটা ছোট্ট চায়ের দোকান সেখানে দাঁড়িয়ে আছি ।চায়ের দোকানের যেখানটাতে দাঁড়িয়ে আছি তার উপরের তেরপলের ফুটো থেকে বামকাঁধে অনবরত বৃষ্টির পানি গড়িয়ে কাঁধে পরে যাচ্ছে , দেড় বছর আগে এমনি এক সময় এই গলির ৮ নম্বর বাসায় মিতু আমার সাথে সেই ভয়ংকর দুঃসাহসিক কাজটা করে বসে ।
সেদিন সন্ধ্যায় আমি আর মিতু পলাশীর মোড়ে চা খেয়ে ফুলার রোড ধরে হাটছিলাম ,ওর পরনে ছিল রানী গোলাপি শাড়ীর মধ্যে নীল আঁচল।হাত ভর্তি নীল চুড়ি। আড় চোখে বার বার দেখছিলাম ওকে ।
এমন চোরের মত দেখছো কেন আমাকে?
আমি বললাম, কই নাতো, আমি তোমার শাড়ি দেখছিলাম ।শাড়িটা সুন্দর ।
শাড়ি দেখার কি আছে ? আমাকে দেখো ,বলতে বলতে মিতু হঠাৎ গম্ভীর হয়ে দাঁড়িয়ে গেল ।
রাফাত শোনো !
হ্যা বলো।
আমি তোমাকে বিয়ে করবো ।
আমি হতভম্ব হয়ে মিতুর দিকে তাকিয়ে রইলাম ।
মিতু বললো , হাবার মত তাকিয়ে আছো কেন? কিছু বলো ।
আমি বললাম, আচ্ছা করবো ।
মিতু বললো, আচ্ছা করবো মানে? কখন করবো জানবে না??
না ।
না কেন ?
আমি বললাম " বলো না তোমাকে পেলে কোন মূর্খ অন্য কিছু চায়,
কে আর তোমার বুকে স্থান পেলে অন্যখানে যায়!"
মগবাজারের ৮ নম্বর বাসায় আমরা দুজন বসে আছি । মিতুর বান্ধবী মেশকাতের হাজবেন্ড গিয়েছে কাজী ডাকার জন্য । মেশকাত আমাদের দুজনকে বোঝানোর চেষ্টায় ব্যস্ত আমরা বুঝে সিদ্ধান্ত নিয়েছি কিনা । এমন সময় মেশকাতের হাজবেন্ড একজন সাক্ষীসহ কাজী নিয়ে উপস্থিত ।
কাজী জুবায়ের আহমেদ ওরফে জুবু মোল্লা নামে তিনি এলাকায় সুপরিচিত । জীবনে কতগুলো বিয়ে পড়িয়েছেন এই গল্প জুড়ে বসেছেন ।মিতুর ধমক খেয়ে কাজী জুবু মোল্লা বিয়ে পড়াতে শুরু করলেন ।
তিনবার কবুল বলতে গিয়ে আমাকে পর পর তিন গ্লাস পানি খেতে হলো ।রাত ৯ টা নাগাদ আমাদের বিয়ে সম্পূর্ণ । ১০টার সময় আমরা মেশকাতের বাসা থেকে বের হয়ে যে যার বাসায় চলে গেলাম ।তারপর কেটে গেছে দেড় বছর ।সেই দিনের সেই গুটি কয়েক ব্যক্তি ছাড়া আমাদের বিয়ের ব্যাপারটা আর কেউ জানে না ।
পেছন থেকে রাফাত ডাক শুনতেই আমার চিন্তার ছেদ ঘটলো ।পেছন ফিরে দেখি মেশকাত ছাতা হাতে দাঁড়িয়ে আছে । মিতু কোথায় জিজ্ঞেস করতেই আমার হাতে একটা খাম দিয়ে চলে গেল ।
খামটা খুলে দেখতে ইচ্ছে করছে না ওতে কি আছে ।হয়তো টেলিগ্রাম টাইপের কিছু ছোট্ট কথা অথবা এমনো হতে পারে এবার সে অনেক সময় নিয়ে আমাকে কিছু লিখেছে আবার অন্য কিছুও থাকতে পারে । এই রহস্যটা পুষে রাখতে চাচ্ছি । শুধু জানি মিতু আসবে না ।
বৃষ্টির ঝাপ্টা আরো বেড়ে গেছে। চা ওয়ালাও এখন আমার সাথে ভিজে যাচ্ছে ।এই লোকের চা জঘন্য হয় ,পাতি জাল দিতে দিতে তেঁতো করে ফেলে ।চা ওয়ালাকে বললাম পকেটে টাকা নেই এক কাপ চা খাওয়ানো যাবে কিনা ।
চা ওয়ালা আমার দিকে কিছুক্ষন তাকিয়ে মনে হয় লাভ ক্ষতির হিসেব করলো তারপর এক কাপ চা আমার দিকে বাড়িয়ে দিলো । প্রচন্ড জ্বরের কারণে কিনা জানি না, এমন অমৃত স্বাদের চা আগে খাইনি । প্রকৃতি শুন্যস্থান পছন্দ করে না ,হয়তো হারিয়ে যাওয়া প্রাপ্তিটুকু দু'হাতে চায়ের কাপে ভালোবাসা হয়ে ঢেলে দিয়েছে ।

সর্বশেষ এডিট : ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১০:২৯
৭টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

শাপলা বা শালুকের পরিচিতি, পুষ্টিগুন ও মানব শরীরের উপকারীতা।

লিখেছেন রবিন.হুড, ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:০৬


শাপলা অতি পরিচিত একটি নাম তাই না! এটি আসলে একটি জলজ উদ্ভিদ। যাকে আমাদের দেশের জাতীয় ফুল বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে। এটি শ্রীলংকারও জাতীয় ফুল তবে নীল শাপলা সেখানকার জাতীয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

ট্রেন টু কক্সবাজার: টিকিট পেলাম না, পেলাম বিকল্প পথের সন্ধান

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:০৭

কক্সবাজার যাওয়ার ইচ্ছে ছিল অনেক দিনের। তবে এবার লক্ষ্য ছিল একটু আলাদা—বাসে নয়, বিমানে নয়; ট্রেনের জানালায় চোখ রেখে সমুদ্রের শহরের পথে যাত্রা। কিন্তু সেই সহজ পরিকল্পনার প্রথম বাধাই হয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

জিন্নাহ কি বাঙালি মুসলমানের শত্রু?

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:২৪


মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ পাকিস্তানের স্বপ্নদ্রষ্টা বা পাকিস্তানের জাতির জনক। একজন বাংলাদেশী হয়ে পাকিস্তানের জাতির জনককে নিয়ে আলোচনা করলে কি গুনাহ হতে পারে কিংবা বড় ক্ষতি হতে পারে? বাংলাদেশে জিন্নাহর... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্রেফ 'জিন্নাহকে স্মরণ আর বঙ্গবন্ধুকে গালি' রাজাকারি মানসিকতারই উদাহরণ

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩৪



ভারতীয় উপমহাদেশের জাতিসত্তাদের স্বাধীনতা আন্দোলনের অত্যন্ত প্রভাবশালী একজন নেতা হিসেবে মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর প্রতি কেউ 'যৌক্তিক' বা তাঁর 'প্রাপ্য' সম্মানটুকু জানাতেই পারেন; তাতে কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু, যখন সেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

এগারটি বছর পার হয়ে গেল…. কিছু পরিসংখ্যান নিয়ে একাদশতম বর্ষপূর্তি পোস্ট

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:৪১



পূর্বের বর্ষপূর্তি পোস্টের লিঙ্কঃ দশম বর্ষপূর্তি পোস্ট

সামহোয়্যরইনব্লগে গত ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখ রাত ১১টা ২৬ মিনিটে প্রকাশিত হয় আমার প্রথম কবিতা, বক্ষমাঝে থাকবে তুমি। বলা যায় খুব দ্রুতই, মাত্র তৃতীয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×