
ক্রিং ক্রিং ক্রিং শব্দে
অরুনিমাদের বাড়ির ল্যান্ডফোনটা বেজে ওঠে।
হ্যালো!
বল---
অরুনিমা?
হুম,বল কী বলবে।
কী করছো?
এই শুয়ে আছি;তুমি?
বন্ধুদের সাথে ক্রিকেট খেলছি।
তাহলে ক্রিকেটই খেল তুমি,
আমি রাখি।
ফোনটা কেটে দেয় অরুনিমা।
অর্ক ভাবে---
মেয়েটা বুঝবে কবে?
আরো ভাবে---
যেদিন বুঝবে,তাকেই খালি খুঁজবে।
অন্যদিকে অরুনিমাও ভাবে---
ছেলেটা সেই কাঙ্খিত কথাগুলো বলবে কবে?
অবাক হয়ে যায় এই ভেবে---
সে এখন খালি ওই ছেলেটার কথাই শুধু ভাবে,
কি যে হল তার!
অর্ক ফোন করে অবার;
ভাবে বলবেই মনের কোনে জমা হয়ে থাকা কথাগুলো এবার,
কিন্তু বলা হয়ে ওঠে না।
দেখতে দেখতে এসে যায় ১৪ই ফেব্রুয়ারী---
ভালোবাসার দিন,
অরুনিমার কাছে একটা বিশেষ দিন।
অর্ক মনে সাহস এনে বলেই ফেলে কথাটা;
অরুনিমা মুচকি হেসে বলে---
আমি আগেই জানতাম,
এই কথাটা বলতে একটা বছর লাগলো তোমার?
মন-খারাপ করে না বুঝি আমার।
এক আশ্চর্য ভালোলাগা ছেয়ে যায়
দুজনেরই মধ্যে।
দুটি হৃদয় চিরকালের জন্য এক হয়ে যায়।
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই মার্চ, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:০৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



