

পাহাড়ী-বাঙালী কাউকেই আইন শৃংখলা রক্ষার নামে বিচার বহির্ভূত নির্যাতন যেমন কাম্য নয় তেমন সরকারের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রাম ব্যাপারটাও মেনে নেওয়া যায় না।
ছবি দুটি বিচ্ছিন্নতাবাদী পাহাড়ীদের একটি পেইজ CHT-jummaland থেকে নেয়া।
তাঁদের কিছু উদ্ধৃতি ---
কথায় আছে সোজা আঙ্গুলে ঘি উঠেনা বাঁকা আঙ্গুলই প্রয়োগ করতে হয় ,তদ্রুপ কাওকে ভালবেসে কেউ অধিকার দেয়না, অধিকার আদায় করে নিতে হয় । -এম এন লারমা
সাইজে কম হতে পারি, সংখ্যায় কম হতে পারি কিন্তু বুলেট ছোট নয় আর ট্রেনিং নিতান্তই কম নয় ! এমনকি পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনাবাহিনী বা সরকারী বাহিনীকে কুপোকাত করতে বুলেট দরকার হয়না, এক একটা পাত্থরই যথেষ্ট ! -জুম্ম সেনা
তোমাদের চোখে সন্ত্রাসী, দেশদ্রোহী, বিচ্ছিন্নতাবাদী হলেও অধিকারকামী জুম্ম জনতার কাছে আমরা বীর সৈনিক । অধিকার আদায় না হওয়া পর্যন্ত শাসকগোষ্ঠির বিরুদ্ধে স্বশস্ত্র সংগ্রাম করে যাবো, বাংলাদেশ সরকারের পালিত জলপায়ীরা যদি পাহাড়ে অস্ত্র উদ্ধারের অভিযানের নামে পাহাড়িদের উপর জুলুম, নির্যাতন, নিপীড়ন চালায় তাহলে বাংলাদেশ সরকার এবং তার পালিত জলপায়ী বাহিনীকে সমুচিত জবাব দেওয়া হবে । শাসকগোষ্ঠি মনে রেখো অস্ত্র যখন হাতে নিয়েছি, নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার আগে অস্ত্র ত্যাগ করবো না ।
হয় জুম্ম জাতির জন্য মরন,
না হয় জুম্ম জাতির অধিকার প্রতিষ্ঠা করা ।
এই হচ্ছে আমাদের পন ।
জয় জুম্মল্যান্ড, জয় জুম্ম জনতা ।।
ভাবছি এভাবে যদি দাড়ি-টুপি ওয়ালারা অস্ত্রহাতে মাদ্রাসার সামনে পোজ তুলে ছবি দিত আর এভাবে উদ্ধৃতি দিয়ে যুদ্ধের ঘোষনা দিত তাহলে হয়ত ঐ এলাকাতে ম্যাসাকার চলত। সারা দুনিয়ার পত্র-পত্রিকায় ছবিগুলো আসত। বাংলার আকাশে ড্রোন উড়ত। ছবিতে চিহ্নিত মানুষদের লাশ বন্দুকযুদ্ধ বা গণপিটুনিতে নিহত অবস্থায় রাস্তা-ঘাটে পাওয়া যেত। সর্বোপরি অন্য মুসলিমদের পথে চলাচল মোটামুটি অসম্ভব হয়ে যেত।
কেউ কী আমাকে বলে দেবে এ দেশে আসলে সংখ্যালঘু কারা?
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই মার্চ, ২০১৫ সকাল ১০:৫৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




