somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ফেসবুক স্ট্যাটাস দেখেই বোঝা যাই মানসিক ভারসাম্য আছে কি না !

২৭ শে মে, ২০১৫ দুপুর ১২:২০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ফেসবুক স্টেটাস ঘাঁটলে আভাস পাওয়া যায় মানুষের চারিত্রিক বৈশিষ্টের। কেউ নিজের সম্পর্কে যখন ঢাক পেটাতে ব্যস্ত, তখন অন্য একদল অল্পেই সাংঘাতিক উত্তেজিত হয়ে আচমকা গাল পাড়েন। মনোবিদদের মতে, এর থেকে বোঝা যায় মানুষের ব্যক্তিত্বের বিকাশ।

ফেসবুক স্টেটাসের ভিত্তিতে ব্যক্তিত্ব জরিপ করতে সম্প্রতি ৫৫৫জন ইউজারের উপর অনলাইন সমীক্ষা চালায় লন্ডনের ব্রুনেল বিশ্ববিদ্যালয়। সমীক্ষায় মূলত ৫টি চারিত্রিক বৈশিষ্টের উপর জোর দেওয়া হয়। বৈশিষ্টগুলি হল বহির্মুখিতা, অকপটতা, সহমত পোষণের ক্ষমতা, বাতুলতা এবং নীতিপরায়ণতা তথা আত্মসমীক্ষা ও আত্মরতি। বিজ্ঞানীরা লক্ষ্য করেছেন, ফেসবুকে স্টেটাস আপডেট করার সময় অজান্তেই আমরা নিজেদের চারিত্রিক লক্ষ্মণগুলি ফুটিয়ে তুলি




দেখা গিয়েছে, স্বভাবত বাতুলেরা বন্ধুদের থেকে সব সময় বাহবা পাওয়ার চেষ্টা করে থাকেন। এই কারণে তাঁরা সর্বদা নিজেদের পোস্টে লাইকস পাওয়ার জন্য মুখিয়ে থাকেন। লাইকস ও কমেন্ট্স বেশি হলে তাঁদের আনন্দ উপছে পড়ে, কিন্তু তা না হলে মানসিক ভাবে তাঁরা ভেঙে পড়েন। তাঁদের মনে হয়, যথেষ্ট লাইকস ও কমেন্টস না হওয়ার অর্থ, সমাজ থেকে ব্রাত্য হয়ে পড়া। অন্য দিকে, গবেষকদের মতে বহির্মুখী মানুষ সামাজিক সংযোগের জন্য ফেসবুককে যথেচ্ছ ব্যবহার করেন। লাইকস নয়, এঁদের প্রধান উদ্দেশ্য মানুষের সঙ্গে যথা সম্ভব কথোপকথনে ব্যস্ত থাকা।

ব্রুনেল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক তারা মার্শাল জানিয়েছেন, 'ফেসবুক প্রোফাইল বিশ্লেষণ করে চারিত্রিক বৈশিষ্ট বিচার করার কথা নতুন নয়। জেনে নিতে হবে কোন ধরণের মানুষ নিজের প্রোফাইল ও স্টেটাসে কী রকম মন্তব্য করেন।' মার্শালের তত্ত্বের কিছু নমুনা দেখে নেওয়া যাক।

যিনি নিজেকে সবচেয়ে ভালোবাসেন: এই ধরণের মানুষ সর্বদা নিজের কীর্তি, নিজের দৈনিক কাজকর্ম, খাদ্যাভ্যাস, ব্যায়াম ইত্যাদি সম্পর্কে নিয়মিত পোস্ট করেন। এঁরা সব সময় নিজেদের পোস্টে বেশি লাইকস পেতে চান।

যিনি মুক্তচিন্তা ও সৃষ্টিশীল মনের: এই ধরণের মানুষ বেশির ভাগ সময় নিজেদের রাজনৈতিক বিশ্বাস ও বুদ্ধিদীপ্ত বিষয় সম্পর্কে ফেসবুকে আলোচনা করতে আগ্রহী হন। এঁরা লাইকস বা কমেন্টস নিয়ে বিশেষ মাথাব্যথা নেই। বরং তথ্য আদান-প্রদান করতেই তাঁরা বেশি পছন্দ করেন।

যিনি নীতিপরায়ণ: এঁরা বেশির ভাগ সময় নিজেদের সন্তান সম্পর্কে পোস্ট করেন। ফেসবুকে এই ধরণের মানুষ খুব কম পোস্ট করেন। আবার যখন কিছু পোস্ট করেন, তখন অন্যরা সে সম্পর্কে কী মন্তব্য করলেন তা খুঁটিয়ে লক্ষ্য করেন।

যিনি নিজের সম্পর্কে অনুচ্চ ধারণা পোষণ করেন: এঁরা হামেশাই নিজের প্রণয়ী সম্পর্কে পোস্ট করেন। গবেষকরা জানাচ্ছেন, আসলে তাঁর রোম্যান্টিক সম্পর্ক যে খুব মজবুত, তা প্রমাণ করতেই তিনি ব্যাগ্র। সাধারণত এই ধরণের পোস্টে লাইকস খুবই কম হয় এবং এই রকম মানুষকে বিশেষ কেউ পছন্দ করেন না।

তবে প্রোফাইল বা স্টেটাস বিচার করে যেমন ইউজারের চরিত্রের খুঁটিনাটি বোঝা যায়, তেমনই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়ায় সংশ্লিষ্ট মানুষটি সম্পর্কে তাঁর ফেসবুকের বন্ধুদের মতামত। গবেষকদের মতে, পরবর্তী পর্যায়ে স্টেটাস অনুযায়ী বন্ধুদের কমেন্টস পর্যালোচনা করলে চরিত্রের আরও নানা দিক ধরা পড়ে।

আমাদের ব্লগ - http://www.esobondhu.com । ফেসবুকে আমারা - view this link

পূর্বে প্রকাশিত - http://www.esobondhu.com
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে মে, ২০১৫ দুপুর ১:২৩
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একটি মুমূর্ষু কবিতা

লিখেছেন সালমান মাহফুজ, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:১১



আমি আর কবিতা লিখব না বলেও
লিখে ফেলি একটি মুমূর্ষু কবিতা–
জন্ম নেয়ার আগেই যারা অবিরাম
মৃত্যুযন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে, লাথি মারছে
পদ্যের চিরায়ত চোয়ালে !
পঙক্তিতে পঙক্তিতে পথ হেঁটে
প্রচণ্ড পিপাসায় আমি পান করি
কবিতার স্নিগ্ধ জল; আর... ...বাকিটুকু পড়ুন

সংখ্যা গরিষ্ঠ মুসলিম হিসেবে গর্ব করার কিছু নেই......

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আমরা যারা আপাত দৃষ্টিতে হায়েনা নই কিন্তু নিরবে স্বচক্ষে হিন্দুদের সর্বনাশ দেখে যাচ্ছি তারা সবচেয়ে বেশি দায়ী। অথচ বাংলার হিন্দু, বাংলার খ্রীষ্টান, বাংলার বৌদ্ধ, বাংলার মুসলমান, আমরা সবাই বাঙ্গালী-এই বৈষম্যহীনতা... ...বাকিটুকু পড়ুন

অল্প একটু পাশে থেকো

লিখেছেন রানার ব্লগ, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:১০



আমাকে খুব বেশি কিছু দিতে হবে না,
এক মুঠো আকাশও নয়,
আচেনা কোনো বিকেলও নয়।

শুধু কখনো কখনো
আমার নির্জন ঘরের দরজায়
টোকা দিয়ে দাঁড়িয়ো, যেন বুঝতে পারি
ফুরিয়ে যাবার বেলা এখনো আসেনি ।

আমাকে প্রতিদিন মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ এসেছে শরৎ

লিখেছেন ইসিয়াক, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:৩১



শরৎ-প্রাতে শিউলি ঝরা ক্ষণে
দিবাকর ছড়ায় হাসি।
দিঘির জলে রক্তিম পদ্ম
ফুটেছে রাশি রাশি।

ছাতিম গাছের নিভৃত নির্জনে
সবুজ পাতার ঘ্রাণ।
সুখ আহ্লাদে ডাকছে নিসর্গ
উচাটন মন প্রাণ। 

স্নিগ্ধ  বাতাস দোলা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাইনকা চিপা

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৬


এখন পর্যন্ত জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল সিদ্ধান্ত ছিল প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে ঢাকা ছেড়ে বাড়িতে চলে আসা। যে সময়ে শ্রেণীকক্ষে কোমলমতি শিশুদের পাঠদান করার কথা, সেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

×