সুন্দর গান ভালবাসি। শুনতে, গাইতে।
ভালবাসব না কেন? নিজের না বলা কথাগুলো এত সুন্দর করে বলে ফেলার ক্ষমতা থাকে গীতিকারের। গায়কের গলায় কি মারাত্মক ভাবে উঠে আসে লাল নীল গোলাপী অনুভূতিগুলো!
অনেকে কাজ করতে করতে গান শুনে। পড়াশোনা করতে করতেও! আমি এই ব্যপারটা কখনই পারি না। গান শুনব তো সব কাজ বন্ধ। শুধু গানের কথা শোনার পালা। শুধু গানের বাঁকে হারিয়ে যাওয়ার পালা। শুধু গান চেটেপুটে, চিবিয়ে, গিলে, আলতো করে ছুঁয়ে খাওয়ার পালা! পারকাশন ইনস্ট্রুমেন্ট আমাকে বিশেষ ভাবে টানে। হাবিবের গানগুলো ইদানিং খুব জালাচ্ছে তাই। পুরোপুরি হাবুডুবু খেতে খেতে কারুকাজের নৈপুণ্য দেখি। কোথাকার সূতো কোথায় গিয়ে মারাত্মক শিল্পের টুকরো সৃষ্টি করেছে তাই দেখি, শুনি। হারিয়ে যাই!
ভাল গান আমার কাছে কখনও পুরানো হয় না। শুনতে থাকি তো শুনতে থাকি। আশে পাশের সবাই বিরক্ত হয়ে যায়... এক গান কত শুন? আর আমি অস্থিরতায় ছটফট করি। বিশেষ কিছু লাইন মাথায় ঘুরপাক খায় সারাদিন। বিষন্ন গান শুনে মারাত্মক বিষন্ন হয়ে যাই। হালকা গান শুনে অকারণে ভাল লাগায় মন ভরে যায়।
আমার গভীর সন্দেহ আছে গানের চেয়ে চরম শক্তিশালী আর কিছু আছে কি না তাই নিয়ে! নিজের সবটুকু কথা এভাবে প্রকাশ করার, বিকাশ করার আর কোন উপায় কি আছে? বিশ্বাস করি না!
গান মনের আয়না। ভিতরের ভাবনার শৈল্পিক প্রকাশ। যে যাতে বিশ্বাসী, তার ভাবনার, বিশ্বাসের প্রকাশ হবে গানে, তাই তো স্বাভাবিক। যে প্রিয়ার কথা সারাক্ষণ ভাবে, তার গান হবে প্রিয়াকে নিয়ে, যে দেশের জন্য জীবন দিতে প্রস্তুত তার গান হবে দেশ নিয়ে, যে মানুষের জন্য সব কিছু করতে পারে, তার গান হবে মানুষের জন্য। আর যে স্রষ্টাকে ভীষন ভাবে ভালবাসে, প্রতি মুহুর্তে অনুভব করে স্রষ্টার অস্তিত্ব, তার গান হবে স্রষ্টাকে নিয়ে। এতে আশ্চর্যান্বিত হবার কি আছে আমি বুঝি না।
হ্যা, গায়ক আর গীতিকার সবটুকু অনুভূতি ঢেলে গানে ভালবাসার প্রকাশ ঘটান, আর যারা শুনবে, তাদের মধ্যে ঘটবে অনুভূতির বিকাশ। কোন ধরণের অনুভূতির বিকাশ ঘটে, তাই নিয়ে কি শঙ্কিত আমরা? তাই চালাই গানের বা গায়কের মুন্ডুপাত?
হবে হয় তো!
গত কয়েক দিন ধরে [link|http://www.outlandmoro.com/|AvDUj
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ১০:৫৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


