
''শেকল ভাঙার পদযাত্রার'' যাত্রা শুরু ২০২০ সাল থেকে। নারী বৈষম্য ধর্ষণের মত অপরাধগুলোর বিরুদ্ধে তারা এই পদযাত্রা করে থাকে। নানান দাবী নিয়ে তারা এই পদযাত্র করে থাকে। এর আগে চারটি পদযাত্রা হয়েছিল। গতকাল এই পদযাত্রার ৫ম পর্ব ছিল। গতকাল এই পদযাত্রার কয়েকটা দাবী ছিল। তাদের ভেতরে কয়েকটা ছিল নারীবিদ্বেষী প্রচারণা বন্ধ, সাক্ষ্য আইন ১৪৬(৩) পুনঃসংস্কার, মাদ্রাসার শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত, যৌন নিপীড়নবিরোধী সেল কার্যকর করা। এখন এই দাবীগুলো শুনেই গুপ্ত দলের একজনের মাথায় মাল উঠে গেল। সে ভেবেই নিল যে এই সব হচ্ছে তাদের নেতার বিরুদ্ধে। সে ফেসবুক লাইভে এসে এই পদযাত্রায় অংশ নেওয়া মানুষদের বিরুদ্ধে বিশেষ করে নারীদের বিরুদ্ধে যাচ্ছে-তাই গালীগালাজ শুরু। অথচ সেখানে তার নেতার বিরুদ্ধে কিছুই বলায় হয় নি। তার নেতা যদি নারীবিদ্বেষী প্রচারণা না করে থাকে, না বক্তব্য দিয়ে থাকে তবে তো তার চিন্তার কোন কারণ নেই। তার নেতা, তাদের দলের লোকজন যদি মাদ্রাসার শিশুদের বলৎকার না করে থাকে তবে এই যাত্রা তার নেতার বিরুদ্ধে হওয়ার কথা না। যদি তার নেতা বা নেতাকর্মী যদি যৌন নিপীড়ক না হয়ে থাকে কিংবা সমর্থক না হয়ে থাকে তাহলে তার মাথায় তো মাল ওঠার দরকার নেই। তাহলে সে কী মনে করে ধরে নিল যে এই যাত্রা তার নেতার বিরুদ্ধেই হচ্ছে!
এই যেমন ধরেন আপনি যদি এখন রাজাকার শুয়োরের বাচ্চা বলে গালী দেন এই ব্লগেরই কয়েকজন শরীর জ্বলে উঠবে। অথচ তারা কোনদিনই স্বীকার করবে না যে তারা রাজাকার কিংবা রাজাকারের সমর্থক। ভীড়ের ভেতরে আপনি চোর বলে গালি দিবেন দেখবেন যে আসলেই চোর তার মেজাজ গরম হয়ে উঠবে। যদি কাউকে ঘুষখোর বলে গালি দেন কেবল যারা ঘুষ খোর বা যাদের বাপ ঘুষ খায় তারাই রেগে উঠবে।
ঘটনার বিস্তারিত আরো জানতে পারবেন এই ফেসবুক পোস্ট থেকে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।
