somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

জীবাণুদের সাথে যুদ্ধরত

২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ৭:৩৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

- নিউরোসাইন্স? কঠিন হবে কিন্তু। টু ডিফারেন্ট সাবজেক্ট এরিয়া ব্লেন্ডেড ইন টুগেদার। লটস টু কিপ ইন য়ুর হেড। কি কি করতে হচ্ছে এ বছর?
- এনাটমি, ফিজিওলি, বায়োকেমিস্ট্রি আর সাইকোলজি।
- আচ্ছা! ফিজিওলি কঠিন হবে। সাইকোলজি তো তুমি পছন্দ করবা। কিন্তু আমি সবচেয়ে পছন্দ করছিলাম এনাটমি। প্র্যাকটিকেলগুলা মজা ছিল। শুধু যাওয়ার আগে কিছু খেও না।
- কেন?
- বডি পার্টসগুলা কেমিকেলে ডুবানো থাকে, বিচ্ছিরি গন্ধ হয়ে যায়...
- বডি পার্টস???!!! রিয়েল, হিউম্যান বডি পার্টস?
- ইয়াপ।
- (আম্মাআআ)

*************

- আমার বোরহানী এত মজা হয় না ক্যান আন্টি? কি কি দ্যান?
- কোন দই দাও?
- আলদির দই।
- হ্যা, ওইটা আমিও দেই। গোল মরিচ গুঁড়া, জিরা গুঁড়া, কাচা মরিচ আর ধইন্যা পাতা বাটা, সরিষা বাটা...
- আচ্ছা! সরিষা বাটা দেই নি কখনও। ইহাই তীব্র স্বাদটার রহস্য! আমি তো রাঁধুনীর প্যাকেট মসলা ঢেলে দিয়েছিলাম।
- ওইটা দিলে তো কটা হয়ে যায়।
- হ্যা হয় তো! এইবার পুরা আন্টীয় রেসিপিতে কাজ চলবে!

*************

- আরে শোনই না, ও তো নাম বদলে ফেলেছে গত হপ্তায়। পুরা একশ সাতাশ ডলার দিয়ে। হি হি হি।
- কেন কেন?
- ওর পুরা নাম ছিল জান্নাতুল ফেরদৌস চৌধুরি। জান্নাতুল অজি উচ্চারণে হয়ে যায় জেনেটল... হি হি হি।
- (তাহরিমার টারিমা, সাদিকার স্যাডিকা, আসাদের অ্যাজাড...)

*************

- ওই কিউট পিচ্চিটা নাকি উইল স্মিথের নিজের ছেলে?
- হ্যা! দেখতেই হবে পারস্যুট অফ হ্যাপিনেস। কবে?
- পিচ্চিরা স্কুলে যাবা, আমরা যাবো মঙ্গলবার।
- উহু, আমরা ক্লাস ফাঁকি দিতো পারবো, নো প্রবস। ওরা যখন বাথরুমে রাত কাটায়, উইল স্মিথ হঠাৎ ছেলের দিকে তাকায় কাঁদে তখন তুমি তো কাঁদবা ফর শোর...
- হ্যা, কান্দা তো আমার খান্দানি রোগ!
- হি হি হি।

*******************
- একটু আগে কনফার্মেশন ইমেইল পেলাম। হয়ে গেছে।
- (ওহ আল্লাহ, শব্দরা সব কই?) হয়ে গেল? খুব লাফাচ্ছেন না? আমি তো দোআ করতেছিলাম আরেকটু পরে হয় যেন।
- আয় হায় বলে কি?! পিচ্চি, এখন থেকে উল্টা দোআ করবি, তাইলে লেগে যাবে। কিন্তু ক্যান?
- আমারে এক টাকা ষাট পয়সার গোলাব জাম খাওয়াবেটা কে শুনি?
- হা হা হা।
- (আর তীব্র বাতাসে স্পীড বোটে ছিটে আসা সামুদ্রিক লবণ পানি খাওয়ার সাথীটা হবে কে? দু'মাইল হেঁটে সাগর দর্শন আর টানা সাত ঘন্টা পানির দিকে তাকিয়ে রেকর্ড করার সঙ্গী হবে কে? যখন তখন গা ছেড়ে দিয়ে পড়ে গেলে ধরে উঠিয়ে দিবেটা কে শুনি?)

*************
- গলা ব্যাথা খুব। ঢোক গিলতে পারছি না। চোখ উঠেছে। সকালে চোখ খুলতে পারি নি। পেট ব্যাথা করছে।
- ইয়াক, তফাৎ যা, তফাৎ যা।

*************

প্রিয় আল্লাহ,
তোমাকে তো আঙ্গুল উঁচিয়ে দোষারোপ করা ছেড়ে দিয়েছি সেই কবে। দিতাম যখন, সেই সময়গুলোকে কি বোকা বোকা মনে হয়! কারণ জানি, ওদের হাতে আমাকে তুমি ছাড়তে না, যদি না আমাকে উঠে আসার ক্ষমতা দিতে। উঠে আসার কষ্টটুকু সহ্য করতে না পেরে কত কিই না বলেছি সেই পিচ্চি বয়সে! এখন তো জানি, সত্যিই জানি, তুমি জানো আমি জানি-- সব নি:স্ব হওয়ার পরেও তুমি, আগেও তুমি, আমাকে তীব্র ভালোবাসায় জড়িয়ে থাকো। স্তম্ভিত করে দিয়ে ধারালো কেঁচি দিয়ে কেঁটে আলাদা করে যেই শূণ্যতা তৈরি করে দাও, তখনও তুমি থাকো... সুঁই সূতা আর তালির কাপড় হাতে। নি:শর্ত, নির্ভাবনার অক্সিজেনের সাপ্লাইওয়ালা জানালা বন্ধের প্রসপেক্টে হঠাৎ কষ্ট হচ্ছে, খুব! আমাকে অক্সিজেন দাও, প্লীজ!
তোমার একনিষ্ঠ ভক্ত,
আস্তমেয়ে
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
১৮টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

গুম আর গুপ্ত

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:১৫


খোঁজ করলে দেখাি যাবে, কুকুর-বিড়াল পালকদের অনেক কাছের আত্মীয়-পরিজন অনেক কষ্টে জীবন কাটাচ্ছে। তাদের প্রতি কোনও দয়া-মায়া নেই; অথচ পশুদের জন্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

=পাতার ছাতা মাথায় দিয়ে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৯


মনে আছে ছেলেবেলায়
ঝুমঝুমিয়ে বৃষ্টি এলে,
পাতার ছাতা মাথায় দিয়ে
হাঁটতাম পথে এলেবেলে।

অতীত দিনের বৃষ্টির কথা
কার কার দেখি আছে মনে?
শুকনো উঠোন ভিজতো যখন
খেলতে কে বলো - আনমনে?

ঝুপুর ঝাপুর ডুব দিতে কী
পুকুর জলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

তালেবান ঢাকায়, রাষ্ট্র ঘুমায়

লিখেছেন মেহেদি হাসান শান্ত, ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৮:৩২

জুলাই অভ্যুত্থানের পরে বাংলাদেশে অনেক কিছু নতুন হইছে। নতুন সরকার, নতুন মুখ, নতুন বুলি। কিন্তু একটা জিনিস খুব চুপচাপ, খুব সাবধানে নতুন হইতেছে, যেইটা নিয়া কেউ গলা ফাটাইতেছে না। তালেবানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মুখোশ খুলে গেছে ও আয়না ভাঙ্গা শুরু হয়েছে!

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২৬ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৮:৫৬

মুখোশ খুলে গেছে ও আয়না ভাঙ্গা শুরু হয়েছে!

image upload problem

বাংলাদেশে একসময় খুব জনপ্রিয় একটা পরিচয়-“আমি সুশীল”, “আমি নিরপেক্ষ”, “আমি কোনো দলের না”। এই পরিচয় ছিল আরামদায়ক, নিরাপদ, সম্মানজনক। এর... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশের কৃষি আধুনিকায়ন রোডম্যাপ: একটি পূর্ণাঙ্গ নীতিপত্র রূপরেখা : পর্ব -১ ও ২

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ২৬ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১০:১১


প্রস্তাবিত রূপরেখা: কৃষিকে জীবিকানির্ভর খাত থেকে প্রযুক্তিনির্ভর, জলবায়ু-সহনশীল
ও বৈশ্বিক বাজারমুখী বাণিজ্যিক শিল্পে রূপান্তরের জাতীয় কৌশল প্রস্তাবনা ।

বাংলার মাঠে প্রথম আলোয়
যে ছবি আসে ভেসে
কাঁধে লাঙল, ঘামে ভেজা মুখ
কৃষক দাঁড়ায় হেসে।

সবুজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×