সেদিন আমি হাসব।
আর তুমি কাঁদবে!
হ্যাঁ। সেদিন তোমার ক্রন্দিত মুখ এর অবয়ব আমার মনের ক্যানভাস এ ভেসে উঠবে।
জানো? কেনো যেনো আগের মতো সহানুভূতি জেগে উঠবেনা সেদিন তোমার প্রতি।
তখন আমি নিজের অজান্তেই হেঁসে উঠব। অট্টহাঁসিতে আমার চিরচেনা সেই বদ্ধঘর কম্পিত হবে। সে সময় আমার মাঝে এক ধরনের পৈশাচিক আনন্দ কাজ করবে। আশেপাশের সবাই সেদিন উদ্বিগ্ন হয়ে বলে উঠবে।
কি হলো হঠাৎ? এভাবে পাগলের মতো হাঁসছিস কেনো?
আমি কিছুই বলবনা। আমি শুধুই হেঁসে যাব সেদিন!
কেউ আবার মনে মনে বলে উঠবে আর ইয়্যু সাইকো?
আমি চিৎকার করে বলে উঠব। ইয়েস!আই এম সাইকো! এনি প্রবলেম? বলেই আবার আমি অট্টহাসিতে মেতে উঠব।
সে প্রচন্ড রকম ভয় অনুভব করবে। সে বলে উঠবে আমি তো তোমাকে এ প্রশ্ন করিনি। তুমি কি করে জানলে? তবে কি তুমি মানুষের মনের অভ্যন্তরের লুকোনো কথা বুঝে নিতে পারো?
আমি আবারোও হেঁসে উঠব। উত্তরটি তার অজানাই রয়ে যাবে।
আর তুমি?
তুমি শুধুই কেঁদে যাবে। তুমি বেঁচে থেকেও প্রতিনিয়ত মরবে সেদিন। যার যন্ত্রণা তুমি সহ্য করতে না পেরে কাঁদবে। একসময় তুমি তোমার বেঁচে থাকার সকল আশা আকাঙ্খা হারিয়ে ফেলবে।
ঠিক তখনই আমি আবার তোমায় বেঁচে থাকার ক্ষীণ আশার আলো দেখাবো।
তুমি একটু একটু করে আবার নিজ পায়ে উঠে দাড়াবে।
ঠিক তখনই।
হ্যাঁ। ঠিক তখনই আবার আমি তোমায় সেই জ্বালাময় বিভিষীকায় ঠুনকো বস্তুর মতো ছুড়ে ফেলে দিবো!
তুমি আবারোও কাঁদবে। তিলে তিলে তোমার হৃদয় জ্বলে ছাড়খার হয়ে যাবে ছেলেটির চিরাচরিত নিত্যসঙ্গী সেই নিকোটিনের মতো।
আর আমি?
আমি হাঁসবো সেদিন।
যেই হাঁসিতে থাকবেনা কোন মায়া!!
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে নভেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৩:১৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




