নজরুল ইসলামের জন্য খাবার নিয়ে গিয়েছিলেন তাঁর স্ত্রী। সে খাবার আর খাওয়া হয়নি নজরুলের। খাবার পড়ে আছে খেতের পাশে।জমিতে ধানের চারা রোপণ শেষে খেতের পাশের একটি পুকুরে হাত-মুখ ধুতে যান। তখনই রাইফেল হাতে ছুটে আসেন ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) একদল সদস্য। রাইফেলের নল শ্রমিকদের দিকে তাক করা। এ দৃশ্য দেখে শ্রমিক ও তাঁদের স্ত্রীরা ভয়ে তটস্থ। নজরুল ইসলাম নামের একজন শ্রমিক ভয়ে ভয়ে বিএসএফের এভাবে আসার কারণ জিজ্ঞেস করেন। আর ঠিক তখনই বিএসএফ তাঁর বুক লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। মাটিতে লুটিয়ে পড়েন নজরুল। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। তারপর টেনে হিঁচড়ে ভারতে নিয়ে গেছে !!একজন বাংলাদেশী হিসেবে নিজের অহংকারে গিয়ে লাগে আরেকজন বাংলাদেশী ভাইয়ের এমন মৃত্যুতে । কিন্তু প্রজাতন্ত্রের অভিভাবক হিসেবে রাষ্ট্র তার নাগরিক কে হত্যার জন্য কোনও প্রতিবাদ ও করে না। কিন্তু অনেক আগেই বাংলাদেশ থেকে আলাদা হয়ে যাওয়া পাকিস্তান এর কোনও নাগরিক কে হত্যার কথা চিন্তা ই করতে পারে না ভারত, আর যদি করেই ফেলে এর যোগ্য জবাব পাকিস্তান দিতে ভুল করে না। ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে আমরা স্বাধীনতা পেয়ে প্রতিবেশী আরেক দেশের কাছে যখন আমরা পরাধীনের মত থাকি তখন বুঝি এমনতর স্বাধীনতা নিয়ে অহংকারের সুযোগ নেই । অনেক কিছু নিয়ে আন্দোলন করে কিন্তু এই নিয়ে আন্দোলন করে না বিম্পি, আম্লিগ, গণজাগরণ মঞ্চ অথবা হেফাজতিরা। ফেলানির কথা মনে আছে? সময় এর পরিক্রমায় আমরা সব ভুলে যাই। ক্ষমতার রাজনীতিতে শুধু ক্ষমতায় যাওয়া আর ক্ষমতার রক্ষার পথটুকু ই শুধু আমাদের আলোচ্য বিষয়। অন্য সব কিছু ই গৌণ । একদিন হয়তো এই রাষ্ট্রের স্বাধীনতাও গৌণ হয়ে যাবে ।
Email: [email protected]
Follow @AyuubPresents on Twitter
& Visit fb.com/ayubkhan999
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ বিকাল ৩:১৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




