somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমি তারে পেয়েও হারাই রে!

১৫ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৩৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

অনেক বছর আগের একটা দিন মাঝে মাঝে খুব মনে পরে। আব্বু সকাল বেলা ঘুম থেকে তুলে স্কুলে নিয়ে গেলো। কোনো একটা অদ্ভুত কারনে আমি এর আগের কিছু মনে করতে পারি না। সেই যে শুরু আজও শেষ খুজে পেলাম না। মাঝে মাঝে ভাবি আদৌ কোনো শেষ আছে না শুধুই ছুটে চলা। চলতে চলতে ক্লান্ত হয়ে যাই, তবু চলা থামে না।

আমার জীবনটা এমন ছিলো না, স্কুলের শেষ বেন্ঞিটাতে বসে আমার জীবন ভালই কেটে যাচ্ছিল। তারপর সময় আসল স্কুলকে বিদায় জানানোর, চলে আসলাম কলেজ নামোক যায়গাটাতে, তারপর বিশ্ববিদ্যালয়ে। আমি খুব ভালো ভাবেই জানি আমার বিশ্ববিদ্যালয় জীবনটা আমি কিভাবে পার করেছি। পড়ালেখা বাদে আর যা যা করা সম্ভব ছিলো সবই বোধহয় করেছিলাম ঐ জীবনটাতে। যৌবন ছিলো, ছিলো খুজে দেখার ইচ্ছা, আর ছিলো রাসেল, হাসিব, ইমরুল, রেজা, জাফর, ডিউ, জামি, আদনান আরও অনেকেই।

আজকে আমার হাতে অফুরন্ত সময়, খুব পিছনে ফিরে যেতে ইচ্ছা হয়, না ভুল শোধরানোর জন্যে নয়, পুরোনো বন্ধুদের কাছে, পুরোনো জীবনটার কাছে। আমি হাজার বার ফিরে যেতে রাজি আছি, তবে একটিবারও শোধরাতে রাজি নাই। পুরো সময়টাই হয়তো নষ্ট করেছিলাম, তবুও মনে শান্তি ছিল। আজকে হয়তো পুরো সময়টাই কাজে লাগাই, তবুও ঐ জিনিস টা নাই। কোথায় যে খুজে পাবো কারো জানা নাই।

ইদানিং খুব ক্লান্ত লাগে। আর পারি না। এই ছুটে চলা আর ভালো লাগে না। আমি একবার রাস্তা হারিয়ে এক মারমা বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিলাম। পরদিন সকাল বেলা যখন চলে আশি তখন গৃহকর্তার হাতে একটা নোট ধরানোর চেষ্টা করলাম, সে আমার দিকে খুবই অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকলো কিছুক্ষন। শেষে আমার কাছে জানতে চাইলো সে ঐটা দিয়ে কি করবে, তারতো মাসের বাজার করা শেষ? আমি কোনো উত্তর খুজে পেলাম, তবে একটা জিনিস নিয়ে আসলাম, তা হচ্ছে জীবন, শিখে আসলাম কতো সহজেই জীবন কাটানো যায়। অথচ এই জীবনের জন্যই আমার কত আয়োজন। নিজেকে খুব ঘেন্না হয়, খুব।
৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাখি মন

লিখেছেন সামিয়া, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:১০



রাত গভীর হলে পাখিটা বারান্দায় এসে বসে। দূরের আকাশে তখনও কিছু আলো জ্বলজ্বল করে, কিন্তু পৃথিবীর কোলাহল ধীরে ধীরে স্তব্ধ হয়ে আসে। সেই নীরবতার মধ্যে বসে পাখিটার মনে হয়, মানুষ... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৃঙ্খল মুক্তি আমার

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

শৃঙ্খল মুক্তি আমার



ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র - ভ্রাম্যমান লাইব্রেরী ভাবনা

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:৪৬


শ্রদ্ধেয় আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যাররে হাতে গড়া প্রতিষ্ঠান বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র তার জন্মলগ্ন ১৯৭৮ সাল থেকে অনেকটা পথ পেরিয়ে এসেছে। আমার মনে পড়ে, আমি স্কুলে পড়াকালীন সময়ে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র থেকে স্কুল... ...বাকিটুকু পড়ুন

=একান্ত নিজস্ব জিনিসগুলো পর হয়ে যাচ্ছে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪৫



যে চোখ দিয়ে দেখেছি ধরার আলো, সে চোখও দিচ্ছে ফাঁকি,
যে চোখের আলোয় দেখেছি পুকুর নদী, শুকনো উঠোন;
বৃষ্টি ভেজা দিন, দেখেছি ময়না শালিক, ঘুঘু ডাকা দুপুর
সে চোখ পর হয়ে যাচ্ছে অল্প... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবিন খুদারা কেন বাংলাদেশে বিনিয়োগ করেন না ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:২৩


Robin Khuda ঢাকার ছেলে। স্কুল পড়েছেন এই দেশেই। তারপর অস্ট্রেলিয়া গেছেন, AirTrunk বানিয়েছেন, Blackstone তাকে ১৬ বিলিয়ন ডলারে কিনে নিয়েছে, আর এখন তিনি ভারতে ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×