
মজলুম জননেতা মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর ৩৯তম প্রয়াণ দিবসে সামু কর্তৃপক্ষের ভূমিকা সত্যিই নিন্দনীয়। বেশ কিছু ব্লগার স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম স্বপ্নদ্রষ্টা মজলুম জননেতা মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর ৩৯তম ওফাত দিবস উপলক্ষে কিছু লেখা পোস্ট করেছে। আমি নিজেও একটু চেষ্টা করেছিলাম মজলুম জননেতা মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীকে নিয়ে যা সামু’তে পোস্ট করা হয়েছিল। কিন্তু এই মহান নেতার ব্যাপারে সামু’র কোন রকমের পদক্ষেপ নিতে দেখলাম না যা খুবই দুঃখজনক। মুসলিম লীগ দলের সদস্য হয়েও সরকারের সমালোচনা করায় মুসলিম লীগের ক্ষমতাসীন সদস্যরা মওলানা ভাসানীর ওপর অখুশী হয় এবং তার নির্বাচনে ত্রুটি ছিল এই অজুহাত দেখিয়ে আদালতে মামলা দায়ের করে এবং মওলানা ভাসানীকে নানাভাবে হয়রানি করতে থাকে। পরিশেষে মওলানা ভাসানী ব্যবস্থাপক সভার সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করেন। আমি সামু'র সব ভাল উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে আসছি কিন্তু আজকের এই দিনে মজলুম জননেতা মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীকে নিয়ে কোন ফিচার তো করে নাই এমন কি তাঁকে নিয়ে আমরা যে কতিপয় ব্লগার কিছু লেখা পোস্ট করলাম তাও সামু কর্তৃপক্ষ নির্বাচিত পোস্ট হিসেবে মূল্যায়ন করেনি। তাই অন্তত আজকে আমি সামু'র এই অবহেলা কে ঘৃণা ভরে ধিৎকার জানাচ্ছি। মজলুম জননেতা মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী যেমন ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগের সদস্য হয়েও সরকারের সমালোচনা করে নানা হয়রানির শিকার হয়েছিলেন, আমিও তেমনি সামু’র শুভাকাঙ্ক্ষী ও সদস্য হয়েও কর্তৃপক্ষের নিন্দনীয় ভূমিকার জন্য আবারও ঘৃণা ভরে ধিৎকার জানাচ্ছি, হয়ত ভাসানীর সাহেবের মত আমিও সামু কর্তৃপক্ষের হয়রানির শিকার হতে পারি!! তবে আমি কিন্তু সামু থেকে পদত্যাগ করছি না। বিশেষ দিনে, বিশেষ ব্যাক্তিদের নিয়ে বিশেষ কিছু পদক্ষেপ নিবে সামু এই প্রত্যাশা করাটা নিশ্চয় কোন নীতি বহির্ভূত কাজ হবে না বলে আমার বিশ্বাস।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই নভেম্বর, ২০১৫ ভোর ৬:০৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




