বর্তমান রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অনেকটাই জোর করে বসে থাকা দল নিজেদের ছাত্র সংগঠন এর সন্ত্রাসী কার্যক্রমই বন্ধ করতে পারছে পারছে না, আর তারা করবে কিনা জঙ্গি দমন সহ নানান আন্তজাতিক সমস্যার সমাধান !! অন্তক্রন্দলে গত সাত বছরে ৫৪ জন নেতা কর্মী খুন হয়েছে যেখানে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি আর দখলবাজি ছিল নিত্য দিনের ব্যাপার । মূলত সুশাসন ও উন্নয়নের ধারা অবহত রাখতে হলে জনগণের অধিকার রক্ষায় সরকার, আইন, সভা , বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশনসহ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান গুলোকে সক্রিয় হতে হয় । কিন্তু বাংলাদেশ চলছে উল্টো রাস্তায় । রাষ্ট্রচার পরিনত হয়েছে ভ্রস্টাচারে । আইনের শাসন শুধু অনুগামী হয়ে পড়ছে ব্যক্তি বা দলের । সামান্য পিছনের দিকে তাকালে দেখা যাবে বিদেশি হত্যা, মুক্তমনার মত অনলাইন লেখক হত্যা এবং কর্তব্যরত পুলিশ হত্যায় এই দেশ যেন হতে যাচ্ছে এক মৃত্যু নগরীতে । হত্যা-সন্ত্রাস, গুম – অপহরন যাহাই হোক না কেন, মুখস্ত তোতা পাখির মত বলে দিচ্ছে “এটা প্রতিপক্ষের কাজ”।
সামপ্রতি কিছু হত্যা কাণ্ডের ঘটনায় শীর্ষ কর্মকর্তা ঘোষণা দিলেন, নিরাপত্তার স্বার্থে পুলিশ গুলি করবে । তাহলে কথা হচ্ছে ক্রসফায়ারের নামে এতদিন যা হল তাতে কি পুলিশ কি পাল্টা গুলি ছুড়েনি ? “পুলিশের বন্দুকযুদ্ধে কথিত সন্ত্রাসী পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি করে পুলিশও পাল্টা গুলি করতে বাধ্য হয় এতে ঐ সন্ত্রাসী নিহত হয়” পুলিশের এই ইউনিভার্সাল বক্তব্য এখন সবারই জানা।
পুলিশে দলীয়করণ করা এবং তাদেরকে প্রতিপক্ষের বিরুধে ব্যাবহার করা হচ্ছে । আর এতে পুলিশের পেশাদারিত্ব নেমে এসেছে শূনের কোঠায় । পুলিশ প্রজাত্রন্ত্রের বাহিনীর বদলে দলীয় বাহিনীতে পরিনত হয়েছে ।
আমরা কেউই চাই না বাংলাদেশের অবস্থা সিরিয়া , ইরাক, পাকিস্থান ও আফগানিস্থানের মত হোক । একটি আন্ত্রজাতিক মহল এইদেশে একটি অস্থিশিল পরিবেশ তৈরি করে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক স্বার্থ হাসিল করতে চায় । পশ্চিমাদের কাছে ৫ ই জানুয়ারির নির্বাচনের আগে সমীকরণ ছিল বাংলাদেশর সংঘাতকে থামিয়ে সাবাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনা । কিন্তু নির্বাচনে ভারতের একক সমর্থন এই কৌশলকে পাল্টে দেয় । এরই ফল হিসেবে শুরু হয় চোরাগুপ্তা হামলা, মুক্তমনা লেখকদের হত্যা ও সর্বশেষ বিদেশীদের হত্যা বাংলাদেশকে বড় আশংকার মধ্যে নিয়ে গেছে । জনগন বিশ্বাস করে এই নোংরা রাজনীতি খেলায় জঙ্গিবাদ ততদিনি টিকবে, যতদিন না সাভাবিক গনত্রান্তিক রাজনীতির ধারাবাহিকতায় ফিরে আসে ।
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৪:১৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





