গত কয়দিন ফেইসবুকে ঢুকলেই প্রধানমন্ত্রীর সমুদ্রে পা ডোবানো ছবি নজরে আসবে যার পক্ষ বিপক্ষের লিখে সবাই ফেইসবুকে সুনামি তুলে ফেলছে । কিন্তু আপনি কি জানেন, ঠাকুরগাঁওয়ে মসজিদের ভেতর কোরআন শিখতে আসা কিশোরীকে ইমাম কর্তৃক ধর্ষণ, সবুজবাগে মাদ্রাসাছাত্রকে বেঁধে মুখে স্কচটেপ দিয়ে ধর্ষণ করেছে শিক্ষক, আর বনানীতে দুটো মেয়েকে জন্মদিনের পার্টির নাম করে ধর্ষণ করা হলো । এই ব্যাপার গুলোতে সবাই নীরবতা পালন করছে । কারন আপনার মত সভ্য সুশীল শিক্ষিত সমাজ ভাবছে , ধর্মরক্ষাকর্তাদের বিরুদ্ধে কিছু বলা মানে ধর্মের বিরুদ্ধেই বলা । ধর্ষণ নিয়ে কেউ লেখা বা বলা অরুচিকর ! ধর্ষিতারা কেন ট্রেনের নিচে ঝাঁপিয়ে পড়তে পারলোনা ? অথবা তারা ধর্ষিত হয়েছে তাতে আমার কি ? কিন্তু আমি এর প্রতিবাদ না বলে থাকতে পারি না কারন আমার পিতা – মাতা শিখিয়েছে অন্যায় চুপচাপ সহ্য করাটা আরো বড় অন্যায় । প্রতিটি ধর্ষকের, অপরাধীর, সামাজিক, অর্থনৈতিক প্রভাব প্রতিপত্তিকে উপেক্ষা করে উপযুক্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই । অসভ্যের মতো চুপ করে বাঁচার চেয়ে, প্রতিবাদ করে আমি মরতেও রাজি।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই মে, ২০১৭ ভোর ৫:২২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।






