টিফিন বলতেই ক্লাসের ফাঁকে যাত্রাবিরতি।
শিক্ষক-শিক্ষিকা চা নাস্তা করেন।উচ্চবিত্ত, মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তানরা
কিছু ভোজন করেন।
অনেক ছাত্র-ছাত্রীরর প্রতিদিন দুই টাকা
নেওয়ার সামর্থ্য নেই।
আজ কাল দুই টাকায় কিছুই পাওয়া যায় না।
যাদের দুই টাকা নেওয়ার সামর্থ্য নেই তারা কেউ কেউ হয় শ্রেনীকক্ষে বসে বসে অন্যদের আনাগুনা দেখে,কেউ কেউ টিউবওয়েলে বার বার গিয়ে পানি খায়, আবার অনেকে
চানাচুর ওয়ালা, বাদাম ওয়ালা কিংবা দোকানের পাশে দাঁড়িয়ে অন্যের খাওয়া দেখে টুপ গিলে আক্ষেপ করে মা বাবাকে বকা দেয়।
সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত দীর্ঘ ক্ষন পেটে আহার না জুটা ছাত্র-ছাত্রী এর
সংখ্যা নেহাত কম নয়।
ইউরোপ সহ অন্যান্য দেশে বিদ্যালয় থেকে ছাত্র-ছাত্রীদের খাবার দেওয়া হয়
কিন্তু এটা এখানে চালু নেই।
উপবৃত্তির টাকা বাচ্চাদের দেওয়া হলে তার পরিবার ব্যবহার করে।
বরং এটা স্কুলে খাওয়ানোর কাজে ব্যবহার করতে দিলে সেখানেও নয় ছয়ের
সুযোগ আরো বেশি হবে।
শিক্ষকরা বড় মাপের কসাই।
ওরা কতভাবে শিক্ষা নিয়ে ব্যবসা করা যায় সেই
চিন্তায় ব্যস্ত।
সবার আগে আমাদের মানবিক হওয়া দরকার।
আমাদের মানুষ হওয়া দরকার।
সব কিছুকে ব্যবসায়ী চিন্তায়
না দেখে মানবিক ভাবে দেখে!
সীমা, নাঈম,রিপা,রিফাত,রাখি
ওদের খুব মিস করছি।
যারা টিফিন টাইমে টিউবওয়েল
লাইন ধরে থাকতো।
আজ জানি না ওরা কেমন আছে?
যেখানে থাকিস ভাল থাকিস।
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই আগস্ট, ২০২১ সকাল ১১:৩০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



