রাস্তার পাশঘেসে আবর্জনা স্তুপ
নাসিকা চেপে ধরে দ্রুত এগিয়ে যায় পথিক।
কেউ কেউ গালিগালাজ করে মেয়র-কমিশনারদের।
তবু, কে যেন আবর্জনা সরায়ে সরায়ে খোঁজে ---
ভাঙা পানীয় বোতল,
প্লাস্টিকের ভাঙা পাত্র
আর ছেঁড়া স্যান্ডেল - জুতো।
না,না লোকটির ঘ্রাণ শক্তি নষ্ট হয় নাই বটে!
বলতে পারেন, সবার ঘ্রান শক্তি থাকতে নেই।
মধ্যবয়সী এক বিধবা বাসা বাড়িতে কাজ করে -
সকালে এক ব্যাংকারের বাসায়,
দুপুরে এক ভূমি কর্মকর্তার বাসায় আর সন্ধ্যেয় রাতের খাবার প্রস্তুত করে দেয় এক ব্যবসায়ীর।
না,না এরকম কাজের মহিলাদের হাঁটু ব্যথা,কোমর ব্যথা থাকতে নেই।
দশ বছরের ছেলেটি মুদি- দোকানে কাজ করে।
সকাল -সন্ধ্যে কেটে যায় তার চাল-ডাল মেপে।
পান থেকে চুন খসলে মালিক ব্যাচারা ওঠে ক্ষেপে,
বলে, কাল থেকে আর আসবি নে।
না,না ছেলেটি আছে তো বেশ!
দূরন্ত শৈশব তার থাকবে কেন?দূরন্ত শৈশব সবার জন্যে না।
সবার সব কিছু থাকতে নেই,
সব কিছু সবার জন্যে না ----
পুকুরে অবাধ সাঁতার,
মুক্ত মাঠে ঘুড়ি ওড়ানো,
সেজেগুজে শখের মার্কেটিং -এ বেরুনো-এগুলো সবার জন্যে না।
সবার সব কিছু থাকতে নেই,
সব কিছু সবার জন্যে না।
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে আগস্ট, ২০২১ সকাল ১১:২৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




