somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

১৯৭২ সালের দালাল আইনে বর্তমান দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, মতিউর রহমান নিজামী এবং গোলাম আযম অভিযুক্ত হননি।

০১ লা জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১১:২২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান স্কাইপ সংলাপ বিষয়ে বলেছেন, আহমেদ জিয়াউদ্দিনের পেছনে যে চক্র কাজ করেছে, বিচারকে প্রহসনে পরিণত করেছে, তাদের খুঁজে বের করে শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। কারণ জিয়াউদ্দিন এখানে বিচ্ছিন্ন কোনো ব্যক্তি নয়। জিয়াউদ্দিনের পেছনে আরো অনেক জিয়াউদ্দিন আছে। তার পেছনে বিরাট একটি চক্র কাজ করেছে যারা বিচার নিয়ে নাটক করেছে। তাদের শাস্তির আওতায় আনাতে হবে।
জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর বিচার পুনরায় শুরুর আবেদনের ওপর আজ সোমবার শুনানি পেশ করেন খন্দকার মাহবুব হোসেন। এসময় তিনি এ দাবি করেন। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ পুনরায় বিচারের ওপর শুনানি চলছে।
শুনানির সময় খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, বিচারপতি নিজামুল হক বুঝতে পেরেছেন, তিনি অপরাধ করেছেন এবং সে কারণে তার দায়িত্ব স্বীকার করে পদত্যাগ করেছেন। সুতরাং তার রেখে যাওয়া কাজের ওপর ভিত্তি করে কিভাবে আপনারা এ বিচার এগিয়ে নিয়ে যাবেন? উচ্চ আদালতের মর্যাদা, সম্মান ও ইজ্জতের স্বার্থে আবার নতুন করে বিচার শুরু করা উচিত।
তিনি বলেন, এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম এখানে শুনানিতে অংশ নিয়ে বলেছেন, বিচারপতি নিজামুল হক নাসিম কোনো ভুল করেননি। ইকোনমিস্টের পক্ষ থেকে বিচারপতি নিজামুল হক নাসিমকে ফোন করা হয়েছিল, তখন তিনি তাদের বলেছিলেন তিনি বিচার নিয়ে বাইরের কারো সাথে আলোচনা করেননি। এমনকি বিচারপতিরা বিচারাধীন বিষয় নিয়ে তাদের স্ত্রীর সাথেও আলোচনা করেন না। কিন্তু স্কাইপ সংলাপে যা দেখা গেল তা কি তার এই বক্তব্যকে সমর্থন করে? করে না। খুবই লজ্জার বিষয় এটা।
খন্দকার মাহবুব উদ্দিন বলেন, চার্জ গঠনে যে ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে তা চেয়ারম্যানের নয়। এখানে চার্জ গঠন নিয়ে দুই পক্ষ যেসব যুক্তিতর্ক করেছেন তার ভিত্তিতে চার্জ গঠন হয়নি। এটা বাইরে থেকে ‘ওহি’ আকারে নাজিল হয়েছে। এটা বাইরে থেকে এসেছে। বাইরে থেকে আমদানি করা হয়েছে। এ চার্জশিট বিচারপতি নিজামুল হক নাসিমের নয়। এখানে তার কোনো বিচারিক বুদ্ধি বিবেচনা খাটানো হয়নি। জুড়িশিয়াল মাইন্ড প্রয়োগ করা হয়নি। তাই এ চার্জ থাকতে পারে না। আপনারা বাইরে থেকে পাঠানো চার্জ এবং এখানে চার্জ গঠন করে যে আদেশ দেয়া হয়েছে তা মিলিয়ে দেখলে বুঝতে পারবেন কিভাবে বাইরে থেকে চার্জ গঠনের ড্রাফট ইমেইল করে পাঠানো হয়েছে এবং তা জুড়িশিয়াল আকারে চালিয়ে দেয়া হয়েছে। জিয়াউদ্দিন এখানে আসলে বলির পাঁঠা মাত্র। জিয়াউদ্দিনের পেছনে আরো অনেক জিয়াউদ্দিন আছে। পেছনে বিরাট চক্র কাজ করেছে। তাদের সবাইকে খুঁজে বের করে বিচারের আওতায় আনা উচিত বিচার নিয়ে প্রহসন করার অপরাধে।
তিনি বলেন, আপনারা ট্রাইব্যুনালের পবিত্রতা রক্ষা করেন। আমরা এর পবিত্রতা নিয়ে উদ্বিগ্ন। সারা বিশ্ব এর দিকে তাকিয়ে আছে। ট্রাইব্যুনালে যা হয়েছে তাতে একজন আইনজীবী হিসেবে আমি এবং আমার বন্ধুরা উদ্বিগ্ন।
খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, আইনের ২ ধারায় বলা আছে ট্রাইব্যুনাল স্বাধীন হবে এবং বিচারপতিরা স্বাধীনভাবে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবেন।
আামার প্রশ্ন এখানে যে চার্জ গঠন করা হয়েছে তা কি স্বাধীনভাবে করা হয়েছে? এটা স্বাধীনভাবে করা হয়নি। যদি স্বাধীনভাবে চার্জ গঠিত না হয়ে থাকে তাহলে সেখানে জুড়িশিয়াল মাইন্ডের কোনো প্রতিফলন হয়নি। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি নিবন্ধিত বৈধ রাজনৈতিক দল। কিন্তু চার্জে সেই দলকেও অভিযুক্ত করা হয়েছে।
স্কাইপ সংলাপ বিষয়ে খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, বিচারপতি নিজামুল হক তার বিচারপতিদেরও অপমান করে কথা বলেছেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীদেরও অপমান করেছেন।
খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, আপানরা এমন একটা ব্যবস্থা করুন যাতে আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম গর্ববোধ করতে পারে আমাদের রেখে যাওয়া বিচার ব্যবস্থা সম্পর্কে। তাদের মাথা নত না হয় এবং তারা লজ্জিত হয় এমন কিছু যেন আমরা রেখে না যাই।
তিনি বলেন, ট্রাইব্যুনাল আইনের ৬ (৬) ধারায় বলা আছে শুধু বা নিছক ট্রাইব্যুনালের কোনো সদস্য পরিবর্তন হলে পুনরায় শুনানি বা সাক্ষ্য গ্রহণের বাধ্য থাকবে না ট্রাইব্যুনাল। কিন্তু আপনারা বিবেচনা করে দেখেন বিচারপতি নিজামুল হক নাসিমের চলে যাওয়া কোনো নিছক পরিবর্তন কি-না। কোন পরিস্থিতিতে এ পরিবর্তন হয়েছে। আমাদের মতে, চেয়ারম্যন যে কারণে চলে গেলেন তা কোনো নিছক কারণে নয়। এর পেছনে ভয়াবহ ঘটনা রয়েছে। সে কারণে এ বিচার পুনরায় শুরু করা দরকার।
আজ যাদের বিচার হচ্ছে তারা দালাল আইনে অভিযুক্ত নন
খন্দকার মাহবুব হোসেন তার যুক্তি পেশ শেষ করার পর রাষ্ট্রপক্ষে এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, ১৯৭২ সালে দেশীয় সহযোগীদের বিচারের জন্য যে দালাল আইন হয়েছিল তার অধীনে গঠিত ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর ছিলেন খন্দকার মাহবুব হোসেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অত্যন্ত বড় দায়িত্ব দিয়ে তাকে এ পদে নিযুক্ত করেছিলেন। খন্দকার মাহবুব সাহেব বেশ ভালোভাবে সে দায়িত্ব পালন করেছিলেন এবং তখন অনেক দালালের সাজাও হয়েছিল। কিন্তু যে মাহবুব হোসেন ১৯৭২ সালে দালালদের বিচারের জন্য গঠিত ট্রাইব্যুনালে রাষ্ট্রপক্ষের চিফ প্রসিকিউটর ছিলেন সেই মাহবুব সাহেব আজ আবার সেই তাদেরই পক্ষ হয়ে এখানে এসেছেন কথা বলার জন্য। তিনি কি এটা করতে পারেন? এটা কি পেশাগত আচরণের মধ্যে পড়ে?
এর জবাবে খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, ১৯৭২ সালে আমরা ৬২ হাজার পাকিস্তানি সৈনিকদের মধ্য থেকে ১৯৫ জনকে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করেছিলাম। কিন্তু তাদের ছেড়ে দেয়া হল। এরপর দালাল আইনে কিছু লোককে সাজা দেয়ার পর এ বিচার নিয়ে একটি কঠিন অবস্থার সৃষ্টি হল। দেখা গেল ছেলে মুক্তিযোদ্ধা, বাবা পিস কমিটির চেয়ারম্যান। অবশেষে বঙ্গবন্ধু সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করলেন। তবে হত্যা, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগের মতো বড় বড় অপরাধের বিচার চালু ছিল।
খন্দকার মাহবুব হোসনে বলেন, ১৯৭২ সালের দালাল আইনে বর্তমান দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, মতিউর রহমান নিজামী এবং গোলাম আযম অভিযুক্ত হননি।
ট্রাইব্যুনালে যুক্তি পেশ শেষে ট্রাইব্যুনালের সামনে অপেক্ষমান সাংবাদিকরা এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমের অভিযোগের সূত্র ধরে খন্দকার মাহবুব হোসেনকে প্রশ্ন করেন আপনি ১৯৭২ সালে দালালদের বিচারের জন্য রাষ্ট্রপক্ষে চিফ প্রসিকিউটর ছিলেন। এখন সেই তাদের পক্ষে কথা বলতে এসেছেন এটা কতটা নৈতিকতার পর্যায়ে পড়ে?
জবাবে খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, একথা যদি বলতে হয় তাহলে বলব আজ যাদের এখানে বিচার চলছে তাদের কেউ তখন সেই দালাল আইনে অভিযুক্ত হননি। আজ যাদের বিচার হচ্ছে সেটা বিচারের নামে অবিচার হচ্ছে। রাজনৈতিক কারণে এদের বিচার হচ্ছে। ফৌজদারি আইনের মৌলিক বিধান হলো, মূল অপরাধীদের ছেড়ে দিয়ে সহযোগীদের বিচার করা যায় না। যে খুন করল তার যদি বিচার না করা হয়, তাহলে তার সহযোগীর বিচার করা যায় না। যুদ্ধাপরাধ করল পাকিস্তানী সৈন্যরা। আমরা ৬২ হাজার পাকিস্তানী সৈন্যদের মধ্য থেকে অনেক যাচাই বাছাই করে ১৯৫ জন যুদ্ধাপরাধীকে চিহ্নিত করলাম। তাদের বিচারের জন্য ১৯৭৩ সালে আইন করা হলো। কিন্তু তাদের ছেড়ে দেয়া হল। যারা আমাদের মা বোনদের ইজ্জত নিল, নির্যাতন করল, হত্যা লুন্ঠন অগ্নিসংযোগ করল তাদের ছেড়ে দেয়া হল। তাদের ছেড়ে দেয়ার পর তাদের বিচারের জন্য ১৯৭৩ সালের আইন আর থাকতে পারে না। আইন করা হয়েছিল ১৯৫ জন পাকিস্তানী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য।
এরপর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সৈয়দ হায়দার আলী পুনরায় বিচার শুরুর আবেদনের বিরোধিতা করে যুক্তি পেশ শুরু করেন। এসময় স্কাইপ নিয়ে দুই পক্সের আইনজীবীদের মধ্যে উত্তেজনাকর বাগি¦তণ্ডা চলে কিছুক্ষণ।
সৈয়দ হায়দার আলী স্কাইপ সংলাপ বিষয়ে বলেন, চুরি করা জিনিস ব্যবহার করা কতটা নিরাপদ? তিনি বলেন এটা নিরাপদ নয়। বিচারপতি নিজামুল হকের স্কাইপ কথোপথন পড়লে দেখা যায় সেখানে তারা দুজনে শুধু গল্পগুজব করেছেন। এছাড়া আর কিছু নেই। এই বিচারে রায় কি হবে বা না হবে তা নিয়ে একটি কথাও নেই। তিনি সরকারের বিরুদ্ধেও কথা বলেছেন। এ থেকে বোঝা যায় সরকারের প্রতি তার কোনো পক্ষপাতিত্ব ছিল না।
ট্রাইব্যুনাল চেয়ারম্যান বিচারপতি এটিএম ফজলে কবির, সদস্য বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন, বিচারপতি আনোয়ারুল হক শুনানি গ্রহণ করেন। এসময় আসামিপক্ষের প্রধান আইনজীবী ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক, সাবেক সহকারি এটর্নি জেনারেল গিয়াসউদ্দিন আহমেদ মিঠু, অ্যাডভোকেট মিজানুল ইসলাম, তাজুল ইসলাম, মনজুর আহমেদ আনসারী, মতিউর রহমান আকন্দ, আবু বকর সিদ্দিক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
রাষ্ট্রপক্ষে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর গোলাম আরিফ টিপু।

সূত্র;দৈনিক নয়া দিগন্ত
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×