somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

বিভক্ত আত্মা
সময় অনেক কম, কাজ অনেক বেশি। সংবাদ মাধ্যমের চেয়ে উৎকৃষ্ট এই সিটিজেন জার্নালে অন্তত চটি লেখক মার্কা লোক নেই-আমি এতেই সুখ অনুভব করছি। লিখতে শুরু করেছি-লিখতে লিখতেই হয়তো একদিন ফুড়িয়ে যাবো। তারপরেও সকল মানুষের কল্যান কামনা করেই যাবো

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে খোলা চিঠি : হঠাও রাজাকার, হঠাও দূর্নীতিবাজ, তবেই প্রতিষ্ঠা হবে মুজিববাদ

২১ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৫৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
সাধু সাবধান :



ঢাকার যেদিকে তাকাই শুধুই নৌকার পোষ্টার। মিরপুর এলাকায় কোনা কানাচিতে গুনে গুনে ১৬ খান রঙিন পোষ্টার পেলাম তাও আবার এরশাদ চাচার। ওষুধ নিয়ে ফিরছিলাম। জুম্মাবার বলে কথা। যতটা সম্ভব লোক এড়িয়ে আসছিলাম। হঠাতই মিরপুর ১০ নম্বরের বাজারের গলির ভেতরে থেকে দলে দলে নামাজিরা বরে হয়ে আসছিলেন। এরই মধ্যে সামান্য একটু জটলা। উৎসুক হয়ে জিজ্ঞাসিলাম, কিসের জটলা? কয়েকজন সমস্বরে জবাব দিলেন, নামাজ শেষে কয়েক যুবক ধানের শীষের লিফলেট বিলি করছিল। সাদা পোশাকের পুলিশ তাদের দু'জনকে ধরে নিয়ে যাচ্ছে। প্রায় সপ্তাহ হতে চললো, নৌকার পোষ্টার, লোক ছাড়া কিছুই চোখে পরেনি। কৌতুহল দমন করতে পারলামনা। এত বাধা, নির্যাতন, গ্রেপ্তারের ভয় মাথায় নিয়ে মালদুটা কে, দেখতে মঞ্চাইলো। রিক্সাওয়ালাকে বলে থেমে মালদুটোরে দেখলাম। অবুঝ চেহারা। তব, চোখে মুখে কোন ভয় নেই। তারা সবার সামনেই বলছে, "কতজনকে ধরবেন? জেলখানায় জায়গা আছেতো? আমরা অন্যায় কি করলাম? নামাজ শেষে মুসল্লিদের মাঝে লিফলেট বিলি করছিলাম, এটা কি কোন অপরাধের পর্যায়ে পরে?" উপস্থিত লোকজন রাস্তা ফাঁকা করে দিচ্ছেন। কারণ, পুলিশের হাতে ছিল শর্টগান আর কালো কালো পেচানো দাগওলায়া বেতের লাঠি। এই ঠাণ্ডায় কে যাবে বেতের লাঠির মাইর খেতে। যুবক দুটো যেন দাগি কোন চোর, অথবা ধর্ষণকারী অথবা খুনী, ঠিক এভাবেই পুলিশের হাত ছিল যুবক দুটির কোমর বন্ধনীর ভেতরে। যেন পালাতে না পারে। আমিও প্রায় সপ্তাহখানেকের মধ্যে ধানের শীষের দুইজন প্রচারক দেখতে পেলুম। তাই বাক-বাকুম, বাক-বাকুম করে রিক্সায় গিয়ে উঠলুম। তবু চুপচাপ। রিক্সাওয়ালা নিরবতা ভাঙলেন-এই বলে যে, "ভাইজান এত্ত এত্ত পথ আইলেন, কোনহানে নৌকা ছাড়া অন্য কোন পোষ্টার দেখছেননি? না সূচক জবাব পেয়ে সে আরও উৎসাহী হয়ে বলে উঠল, আফনে কোন দল করেন, হেইডা জানিনা, তবে, এইরহম অত্যাচারের জবাব দিমুনে। ব্যালট পেচাইয়া ..... ঢুকাইয়া দিমু। গুইন্না শেষ করতে পারবোনা। আমরাও বুঝছি কি করন লাগবো। ডাহাতি করবো করোক, আমরাও দেখমুনে। ঢাহা তারা দহলে রাখতে পারবোনা। অত্যাচারের নমুনা দেইখতে দেইখতে মনডা তিতা অইয়া গেছে"।
--------------------------সাধু সাবধান। স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তির কথা বলে এমন অত্যাচার, নিপিড়ন বাঙালী সহ্য করে নাই। ইতিহাস তাই বলে। ৯০ এর গনঅভ্যুত্থানের কথা নিশ্চই কেউ ভোলেনি। পরাক্রমশালী এরশাদ আজ বিনোদনের খোরাক। '৭৫ এর অপশক্তি বর্তমান সরকার প্রধানকে জনগন থেকে বিচ্ছিন্ন করে দিতে সক্ষম হয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতার নেপথ্যের মহাপরাক্রমশালী গোয়েন্দা দল (শেখ মুজিব/বঙ্গবন্ধুর আস্থাশীল) নিউক্লিয়াসের সদস্যরা এখন কোথায়? সরকার প্রধান তা নিশ্চই অবগত। খুব মনে পরে, বাংলাদেশের স্বাধীনতার রুপকার, যিনি সারাটা জীবন প্রচার বিমুখ ছিলেন, সেই সিরাজুল ইসলাম খানের কথা, মরহুম আরিফ আহম্মদের কথা, মরহুম আব্দুর রাজ্জাকের কথা। আসম আব্দুর রব, সিরাজুল ইসলামের কথা। জাতীয় চার নেতার কথা। তারা থাকলে হয়তো জয়বাংলার শ্লোগানটাই হতো ভিন্ন। কিছু রাজাকারের বিচার হয়তো হয়েছে সত্য। আরও রাজাকার রয়ে গেছে দলের অভ্যন্তরে। বঙ্গবন্ধুর রক্তমাখা লাশ যখন সিঁড়ির ওপর মুখ থুবরে পরেছিল, ঠিক তখন ট্যাংকের ওপর উল্লাসরতরা আজ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত। বঙ্গবন্ধুর লাশের দাফন না করেই খন্দকার মোস্তাক সরকারের শপথ বাক্যের আয়োজনকারীরা আজকের সরকারের উপদেষ্টা ! এ কোন আওয়ামীলীগ?
ইশতেহারের মধ্যে কোন দূর্নীতির বিষয়ে জিরো টলারেন্স দেখাতে চান? ধানের দাম এখন (৭৫ কেজি) ১২০০ টাকা। সরকারি গম ক্রয় বাবদ (মে-জুন) যখন কৃষকের ঘরে গম থাকেনা, তথাকথিত ব্যবসায়ি, নেতারা প্রতিবছর প্রায় ২৫৩ কোটি টাকা লুটপাট করে। যা পাবার কথা ছিল কৃষকের। এবারও তাই হবে। কোন দূর্নীতি দমন হবে? জয় বাংলাকে নিয়ে একটি গোষ্ঠি ব্যবসায় মত্ত্ব।
দেশনেত্রী/বঙ্গবন্ধু কন্যা কৃষক, শ্রমিকের কতটুকু খরর রাখছেন? গনমাধ্যমের ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়নের নামে পত্রিকা গুলো বছরের পর বছর সরকারকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে আসছে। কোন পত্রিকা, টেলভেশিন, অনলাইনেও ঢাকার বাইরে সাংবাদিকদের বেতন স্কেল অনুযায়ি বেতন পরিশোধ করে না। এটা কি সরকাররে অজানা? তথ্য মন্ত্রনালয় আর প্রেস কাউন্সিল থেকে পত্রিকা, টেলিভিশন, অনলাইন ম্যাগাজিনগুলোর প্রধান কার্যালয় কি শত শত মাইল দূরে অবস্থিত? তথ্য মন্ত্রনালয় কি কখনও সরকারকে এ খবর দিয়েছন যে, গনমাধ্যমগুলো সরকাররে কাছ মিথ্যা তথ্য প্রদান করে সরকারি সুবিধা আদায় করছে? তথ্যমন্ত্রী কি এ বিষয়ে আন্তরিক? নাকি তথ্যমন্ত্রী সরকারকে জনবিচ্ছিন্ন করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত।
'৭৫ এর কথা মানুষ ভুলে নাই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি আপনার পিতার হত্যাকারীদের, হত্যায় উল্লাসকারীদের ভুলে যতেে পারেন, জনগন তা ভুলে নাই। জনগনের হৃদয় মাঝে বঙ্গবন্ধু একটা আদর্শের নাম, একটা সংগ্রামের নাম, একটা চেতনার নাম। আপনার উদাসিনতায় বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ভুলুণ্ঠিত হতে দিবেনা বাংলার মানুষ। চিহ্নিত/অচিহ্নিত/খুনি/রাজাকারদের বিদায় ঘন্টা বেজে গেছে। দয়া করে জনগনের বুকে গুলি চালাবেন না। এ দেশটার মালিক জনগন। আর এই মালিকানা প্রতষ্ঠিত করে গেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান।
আপনি একা একটা ফোন লাইন চালু করুন। জানতে চান, জনগন আপনার চারপাশের লোকদের কতখানি ঘৃনা করেন বা ভালবাসেন? আপনি জানতে চান, বঙ্গবন্ধুর আদর্শে দেশের কতভাগ মানুষ আজও হাহাকার করে। দয়া করে অস্ত্রধারী সরকারি বাহিনীকে জনগনের মুখোমুখি দাড় করাবেন না। পৃথিবীর ইতিহাসে বড় বড় নেতারা যে ভুল করে নি:শেষ হয়ে গিয়েছে, সে পথে আপনি হাঁটবেন না। মনে রাখবেন, সরব শক্তির চেয়ে নিরব শক্তি অধীক শক্তিশালী। ১৭ বছরের অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা জীবনের অভিজ্ঞতা কোনমতেই ভুল হতে পারেনা। '৭০ এ বঙ্গবন্ধুকে ক্ষমতা দিলে হয়তো এ দেশ স্বাধীন হতোনা। তেমনি নিরপেক্ষ নির্বাচন দিলে ক্ষমতা যেই পাক, দেশের মানুষের প্রতি আপনি আস্থা অর্জন করতে পারবেন। দেশ সামলানো, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের দ্বারাই সম্ভব। অন্য কেউ ক্ষমতা পেলেও, জঙ্গীবাদ আর সাম্প্রদায়িকতার ভারে তারা নুয্য হয়ে শেষ হয়ে যাবে। দেশ গড়বার জন্য বঙ্গবন্ধুর আদর্শিক শক্তির উত্থান হবেই হবে। জবর দখল করে, চোখ রাঙিয়ে শোষন করা সম্ভব, শাসন করা সম্ভব নয়।
একটা ছোট্র উদাহরণ দেই, বঙ্গবন্ধুর রাজনীতি করতে গিয়ে একজন নেতা তার জমি জমা বিক্রি করে রাজনীতি চালিয়ে আসছিলেন। সেই নেতা প্রয়াত হবার আগে ও পরে এলাকার লোকজন জানতেন যে, জমি জমা সব শেষ। পরিবার চলবে কি করে, তাই নিয়ে ভাবনা। অবশষেে সেই নেতার বড় ছেলে ইউপি চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দিতা করলেন। যদিও কোন অবস্থাতেই সেই ছেলে রাজনীতি করার যোগ্য ছিলনা। নানাবিধ নেশায় সে আসক্ত ছিল। তারপরেও এলাকার লোকজন প্রয়াত নেতার কথা মনে রেখে সেই ছেলেকে ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেছিল। সে একাধারে ৯ বছর চেয়ারম্যান পদে ছিল। কিন্তু স্বভাব বদলায়নি এতটুকু। জনগনের কাছে যাওয়া তো দুরের কথা, সে হয়েছিল জনবিচ্ছিন্ন। পরিবারের সবার অনুরোধ উপেক্ষা করে আবারও ইউপি চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দিতা করে। এতে করে সে ভোট পেয়েছিল মাত্র ৪শত ৭৮ ট!!!!!!! যদিও তার বোন এবং প্রয়াত সেই নেতার বড় মেয়েকে আপনি সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত করেছিলেন। ঘুরে ফিরে একই অবস্থা। সেই নেতার মেয়েও আখের গোছাতে ব্যস্ত ছিল। সেওে জনবিচ্ছিন্নি হয়ে পরে। আপনার দেয়া সোলার বিদ্যুৎ গ্রামের সকল মানুষের কাছে না পৌঁছালেও পৌঁছেছে তার আত্মীয় পরিজনের কাছে। দু-চারটি সৌর বিদ্যুৎ মসজিদ মন্দিরে পৌঁছালেও প্রতটিি সংযোগের জন্য গ্রাহককে গুনতে হয়েছে সর্বনিম্ন ৩ হাজার টাকা। বদনামতো তার হয়েছেই, আপনার কি বদনাম হয়নি?
গম যে সময় সরকার ক্রয় করে, সে সময় কি কৃষকের ঘরে গম থাকে? না থাকনো? প্রতিটন গমের স্লিপ বিভিন্ন কৃষকের নামে দেখিয়ে ব্যবসায়ীদের কাছ থকেে টন প্রতি সর্বনিম্ন ৫ হাজার টাকা করে আদায় করা হয়। কৃষককে বঞ্চিত করা এসব নেতারা আপনার জন্য কি বদনাম ডেকে আনেনি?
আপনি চুপ কেন নেত্রী? তখনকার নিউক্লিয়াসের নেতারা আজ ভিন্ন পতাকা তলে কেন? কেন আমার মত পোড় খাওয়া সাংবাদিকরাও ভোট কেন্দ্রে ভোট দিতে যাবেনা বলে সংকল্পবদ্ধ? জবাব কি দিতে পারেন?
এখনও সময় আছে। স্বচ্ছতার বিকল্প নেই। স্বচ্ছতা বজায় রাখলে জুলফিকার আলী ভুট্রোকে ফাঁসিতে ঝুলে মরতে হতোনা। স্বচ্ছতা বজায় থাকলে বছরে বছরে এত মুক্তিযোদ্ধার তালিকাও বৃদ্ধি পেতোনা। প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের অভিমান অনেক। আর ভুয়ারা দেশটাকে লুটেপুটে খাচ্ছে। জেগে উঠুন নেত্রী, হে বঙ্গকন্যা জেগে উঠুন। হুংকার দিয়ে বলে উঠুন, "রাজাকার, স্বৈরাচার, খুনিরা, তোরা দুর হ। দেশটাকে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের আদর্শে আমি গড়বোই গড়বো।" জননত্রীে, হে বঙ্গকন্যা, একবার সাহস করুন, আপনার চারপাশে রয়েছে কোটি কোটি মুজিব ভক্ত। তারা মাথা চারা দিয়ে উঠবেই। এদেশে মুজিববাদের প্রতিষ্ঠা পাবেই পাবে। মার্কসবাদ, লেলিনবাদের পরে আমরা চাই, পৃথিবীর ইতিহাসে মুজিববাদের প্রতষ্ঠাি হউক। ষড়যন্ত্রকারীদের হটিয়ে দিন। বাংলাদেশকে আবারও স্বাধীন করুন।
মাননীয় নেত্রী, কিছুতইে মন ভরছেনা ডিজিটাল বাংলাদশে, কিছুিতেই মন ভরছেনা যখন দেখি আপনার চারপাশে খুনিদের আনাগোনা।
আমার দাদা ৯০ বছর বয়সে মারা গিয়ছিলেন। তিনি মৃত্যুর আগেও বারবার বলতেন, "আরে শেখের বেটি কেমন আছে?" দাদা জানের কবরের পাশে গিয়ে বলতে পারিনা, শেখের বেটির চারপাশে শেখের খুনিরা, ষড়যন্ত্রকারীরা ঘুরঘুর করছে। শেখের বেটিকে শেখের লোকজন থেকে বিচ্ছিন্ন করে রাখা হয়ছে। শেখের বেটি এখন মাইকিং করে, এডভারটাইজ করে, গান গেয়ে মানুষের কাছে ভোট চাইছে!!!। এ দেশটার জন্মই হয়েছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবরের জন্য। এ দেশের কোটি মানুষ শেখের ভোটার, অনুগত। আপনাকে ভোট চাইতে হবেনা নেত্রী। বদমায়েশদের সরিয়ে দিন, ভোট গুনে শেষ করতে পারবেননা। কারণ, বাংলার মানুষ জানে, কোন রাজনৈতিক দলের জন্ম কোন আস্তাকুড়ে। আপনার স্বচ্ছতাই পারে অন্যসব আস্তাকুড়ে জন্ম নেয়াদের আস্তাকুড়ে ছুড়ে ফেলে দিতে। গ্রাম শহরের মানুষ এখনও হায় মুজিব হায় মুজিব করে বিলাপ করে।
জনগনের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটান প্লিজ। সংখ্যালঘুরা শেখের পাগল। কিন্তু এখন কিছুতেই বলা যাবেনা যে, এরা সবাই আপনার লোক। এরা অধিকাংশই আপনাকে ভোট দিবেনা। কারণ, তাদের চোখ খুলে গেছে, তারা বুঝতে শিখেছে যে, তারা যুগ যুগ ধরে ব্যবহার হয়েই আসছে। তারা তাদের ন্যায্য মর্যাদাটুকু পায়নি। মানুষ আপনার কাছের্ অর্থ চায়না, সংখ্যা লঘুরাওর অর্থবিত্ত চায়না। সবাই চায় স্বীকৃতি।
হটাও রাজাকার, হটাও দূনীতিবাজ, হটাও খন্দকার মোস্তাকের অনুসারী। বাংলার মানুষের বুকে শেখ মুজিবর রহমানের ভালবাসা, আদর্শ আজও জাগ্রত।
শেখ মুজিবকে/ বঙ্গবন্ধুকে সম্মান করতে, তার আদর্শকে বাস্তবায়ন করতে নৌকার জয় তারা আনবেই। তবে, এখনকার নৈতিকতায়, আপনার চারপাশ থেকে বদমায়েশদের দুর না করলে আপনাকে মানুষ ভোট দিবেনা। ক্ষমতার উৎস "বন্দুকের নল"-সেটা ভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের কথা। ক্ষমতা ধরে রাখতে এদেশের পুলিশ, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনীর বন্দুকের নল জনগনের দিকে তাক করে রাখবেন না প্লিজ। ভলতেয়ারের চিরন্তন কথাটি আবারও বলছি, "আপনার মতের সাথে আমি একমত নাও হতে পারি, তবে, আপনার মত প্রকাশের জন্য আমি জীবন দিতেও প্রস্তুত"।
গনমাধ্যমগুলোতে খোঁজ নন, তারা কেন চাটুকারিতা করছে? এসবের মালিক কারা, সম্পাদক কারা? শক্ত হাতে এসব চাটুকারদের দমন করুন। বাংলার মানুষ আপনার পাশে থাকবেই থাকবে। গনমাধ্যম যত মিথ্যা প্রচার করছে, মিথ্যা গুনগান করছে, মানুষ ততটাই বিষিয়ে উঠছে। এসব আপনারই বিরুদ্ধে অনকে বড় ষড়যন্ত্র। ষড়যন্ত্র রুখে দিন। জয় বাংলা।


জয় হউক মানুষের, জয় হউক মানবতার।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ৩:৫৭
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মায়া বড় কঠিন বিষয় !

লিখেছেন মেহবুবা, ১২ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪০


মায়া এক কঠিন বিষয় ! অনেক চেষ্টা করে জয়তুন গাছ সংগ্রহ করে ছাদে লালন পালন করেছি ক'বছর।
বেশ ঝাকড়া,সতেজ,অসংখ্য পাতায় শাখা প্রশাখা আড়াল করা কেমন আদুরে গাছ !... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন-উচাটন

লিখেছেন বাকপ্রবাস, ১৩ ই মে, ২০২৬ সকাল ৯:৫০


তিড়িং বিড়িং ফাল পাড়ি,
যাচ্ছে রে মন কার বাড়ি?
পুড়ছে তেলে কার হাঁড়ি,
আমি কি তার ধার ধারি!

পানে চুনে পুড়ল মুখ,
ধুকছে পরান টাপুর-টুপ;
তাই বলে কি থাকব চুপ?
উথাল সাগর দিলাম ডুব।

আর পারি না... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভয়ংকর সেই খবরের পর… সন্তানের হাতটা শক্ত করে ধরুন

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১৩ ই মে, ২০২৬ সকাল ১০:৪৫

আজ সকালে খবরটি পড়ে আমার মনটা একদম ভেঙে গেল। ভাবতেই ভয় লাগছে—আমাদের সন্তানদের আমরা আসলে কতটা অরক্ষিত পরিবেশে বড় করছি! ছোট্ট একটি নিষ্পাপ শিশু, যে পৃথিবীটাকে ঠিকমতো চিনতেই শেখেনি, তাকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

হিন্দু খতরে মেঁ

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৩ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৩:২৫


শুধুমাত্র মুসলিম বিদ্বেষী বক্তব্য দিয়ে ক্ষমতায় এসেছে শুভেন্দু। তার বক্তব্যের মূলপ্রতিপাদ্য হলো হিন্দু খতরে মেঁ! আশ্চর্যের বিষয় হলো সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দুরা নাকি মুসলিমদের দ্বারা নির্যাতিত হচ্ছে, কিছুদিন পরেই নাকি পশ্চিমবঙ্গ... ...বাকিটুকু পড়ুন

সময় খুব দ্রুতই ফুরিয়ে যাচ্ছে।

লিখেছেন শ্রাবণ আহমেদ, ১৩ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৫:৩০

দিনগুলো কেমন যেন দ্রুতই ফুরিয়ে যাচ্ছে!
দেখতে দেখতে মাস শেষ হয়ে যাচ্ছে,
এইতো সেদিন থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপন করলাম,
আর এদিকে দেখি চার মাস শেষ হয়ে পাঁচ মাস চলছে। অথচ আমরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×